রবিবার , ১৪ জানুয়ারি ২০২৪ | ৮ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
  1. জাতীয়
  2. রাঙামাটি
  3. খাগড়াছড়ি
  4. বান্দরবান
  5. পর্যটন
  6. এক্সক্লুসিভ
  7. রাজনীতি
  8. অর্থনীতি
  9. এনজিও
  10. উন্নয়ন খবর
  11. আইন ও অপরাধ
  12. ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী
  13. চাকরির খবর-দরপত্র বিজ্ঞপ্তি
  14. অন্যান্য
  15. কৃষি ও প্রকৃতি
  16. প্রযুক্তি বিশ্ব
  17. ক্রীড়া ও সংস্কৃতি
  18. শিক্ষাঙ্গন
  19. লাইফ স্টাইল
  20. সাহিত্য
  21. খোলা জানালা

কর্ণফুলী নদীর বুকে চর নৌ চলাচল বিঘ্নিত 

প্রতিবেদক
ঝুলন দত্ত, কাপ্তাই, রাঙামাটি
জানুয়ারি ১৪, ২০২৪ ২:৩৪ অপরাহ্ণ

 

লুসাই পাহাড় হতে বয়ে আসা কর্ণফুলী নদী। রাঙামাটি জেলা এবং চট্টগ্রাম জেলার বিভিন্ন উপজেলার পাশ দিয়ে বহে গিয়ে এর স্বচ্ছ জলরাশি বঙ্গোপসাগরে গিয়ে মিশেছে। নদীর দু: কোলে বসবাসকারী জনসাধারণকে নিত্য প্রয়োজনীয় কাজে নৌকা বা সাম্পান পারাপার করতে হয়। কিন্তু শীত মৌসুমে নদীর পানি শুকিয়ে যাওয়ায় নৌকা বা সাম্পান পারাপারে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে বলে জানান সাম্পান মাঝিরা। বিশেষ করে ভাটার সময় নদীর বুকে চর জেগে উঠে।

রবিবার (১৪ জানুয়ারি)  বেলা সাড়ে ১২ টায় চন্দ্রঘোনা দোভাষী বাজার ঘাট গিয়ে দেখা যায় নদীর মাঝখানে চর জেগেছে। এসময়  চন্দ্রঘোনা- রাইখালী নৌ রুটে যাত্রী  পারাপারে মাঝিদেরকে বেশ দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। যেখানে সোজা পথ পাড়ি দিয়ে যাত্রী চলাচল করতো, সেখানে অনেকটা পথ পাড়ি দিয়ে যাত্রীদের পারাপার করতে হচ্ছে।

কথা হয় এই নৌ রুটে চলাচলকারী মাঝি আব্দুল গফুর, বাচা মিস্ত্রি এবং  দোলন দে এর সাথে।  তাঁরা সকল  বলেন, শীত মৌসুমের জানুয়ারি,  ফেব্রুয়ারি এবং মার্চ মাসে কর্ণফুলী নদীর পানি শুকিয়ে যায়। নদীর নাব্যতা সংকট দেখা দেয়। ভাটার সময় নদীর বুকে চর জেগে উঠে। যার ফলে অনেক সময় নদীতে সাম্পান আটকে যায়।

রাইখালী সাম্পান ঘাঁটের লাইনম্যান আসিফ বলেন, নদীতে পানি শুকিয়ে যাওয়ার ফলে, যেখানে পানির গভীরতা আছে সেই পথ পাড়ি দিয়ে সাম্পান চলাচল করতে হচ্ছে। ফলে সময় বাড়ছে  এবং জ্বালানি  তেল  প্রয়োজনের চেয়ে   বেশি খরচ হচ্ছে।

এই রুটে চলাচলকারী রাইখালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ তালুকদার এবং রাইখালী জুমিয়া পূর্ণবাসন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রতন কান্তি দাশ বলেন, বিশেষ করে শীত মৌসুমে নদীর পানি শুকিয়ে যাওয়ার ফলে নৌ চলাচল বিঘ্নিত হয়। আমাদেরকে ঘুরে ঘাঁট পাড় হতে হয়।

রাঙামাটি পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী তনয় ত্রিপুরা বলেন, শুষ্ক মৌসুমে নদীর নাব্যতা সংকট দেখা দেয়। আগামীতে কাপ্তাই লেক এবং কর্ণফুলী নদীর ড্রেজিং করার পরিকল্পনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের রয়েছে।

 

সর্বশেষ - আইন ও অপরাধ

আপনার জন্য নির্বাচিত
%d bloggers like this: