শনিবার , ১৭ অক্টোবর ২০২৬ |
  1. জাতীয়
  2. রাঙামাটি
  3. খাগড়াছড়ি
  4. বান্দরবান
  5. চট্টগ্রাম
  6. আইন ও অপরাধ
  7. রাজনীতি
  8. পর্যটন
  9. ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী
  10. এক্সক্লুসিভ
  11. অর্থনীতি
  12. এনজিও
  13. চাকরির খবর-দরপত্র বিজ্ঞপ্তি
  14. উন্নয়ন খবর
  15. ক্রীড়া ও সংস্কৃতি
  16. খোলা জানালা
  17. কৃষি ও প্রকৃতি
  18. প্রযুক্তি বিশ্ব
  19. শিক্ষাঙ্গন
  20. লাইফ স্টাইল
  21. সাহিত্য
  22. অন্যান্য

মানবতাবাদী সমাজ গঠনে লালন সাঁইয়ের দর্শন অনুসরণের আহ্বান প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালের

প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
অক্টোবর ১৭, ২০২৬ ৯:২২ অপরাহ্ণ

লালন সাঁইকে কেবল সাধারণ সুরকার বা সংগীতশিল্পী হিসেবে দেখলে তাঁর সার্বিক মূল্যায়ন হয় না; তিনি ছিলেন আমাদের লালিত অনাবিল মানবতাবাদী চিন্তাধারার এক উজ্জ্বল দীপশিখা। কোনো নির্দিষ্ট ধর্ম, বর্ণ কিংবা জাতিগত পরিচয়ে মানুষকে ভাগ না করে তিনি তাঁর সুর ও সৃষ্টির মধ্য দিয়ে সর্বাগ্রে স্থান দিয়েছেন মানবতাকে। তাঁর রেখে যাওয়া অসাম্প্রদায়িক মূল্যবোধকে নিজেদের জীবনে ধারণ করতে পারলে একটি বৈষম্যহীন ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ উপহার দেওয়া সম্ভব।

আজ চট্টগ্রাম জেলা শিল্পকলা একাডেমির অনিরুদ্ধ মুক্তমঞ্চে জেলা প্রশাসন আয়োজিত লালন সাঁইয়ের ১৩৬তম তিরোধান দিবস উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভূমি এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলালউদ্দীন এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল তাঁর বক্তব্যে জোর দিয়ে বলেন, যেকোনো বিভেদ ভুলে মানুষকে সর্বাগ্রে মানবিক মর্যাদা প্রদান করতে হবে এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ বজায় রাখতে হবে। এই দৃষ্টিভঙ্গিই বৈষম্যহীন সমাজ বিনির্মাণের মূল ভিত্তি, যার দিকনির্দেশনা আমরা লালন সাঁইয়ের চিন্তা ও সৃষ্টিতে খুঁজে পাই।

প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল আরও বলেন, লালনের সাম্য ও ঐক্যের ভাবধারা আমাদের রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনেও সমান প্রাসঙ্গিক। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের রূপকার শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সকল ভেদাভেদ ভুলে ‘বাংলাদেশি’ জাতীয়তাবাদের যে ধারণার প্রবর্তন করেছিলেন, তা সর্বস্তরের মানুষকে স্ব-স্ব সত্তা বজায় রেখে এক সুতোয় বাঁধার চমৎকার পথ দেখায়। এর ফলে দেশের বৈচিত্র্যময় সব সংস্কৃতির মানুষ এক অভিন্ন পরিচয়ে একতাবদ্ধ হওয়ার প্ল্যাটফর্ম পেয়েছে।
দেশের সাংস্কৃতিক বহুমাত্রিকতার চিত্র তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের তিন পার্বত্য জেলাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও বিভিন্ন সম্প্রদায়ের জীবনযাত্রায় বর্ণিল ভিন্নতা রয়েছে। এই বৈচিত্র্যই আমাদের ঐতিহ্যকে সমৃদ্ধ করেছে। ঠিক যেমন সাতটি ভিন্ন রঙের মেলবন্ধনে একটি দৃষ্টিনন্দন রংধনু সৃষ্টি হয়, তেমনি সব ধর্ম ও সংস্কৃতির মানুষ কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করলে একটি উন্নত ও সুন্দর বাংলাদেশ গড়া সম্ভব।

চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ ফয়সল আহমেদ, চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার চাইলাউ মারমা এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থার (জাসাস) কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।

উক্ত স্মরণসভায় সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, লালনপ্রেমী অনুরাগী, স্থানীয় জনসাধারণ এবং সংবাদমাধ্যমের কর্মী ও সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ - আইন ও অপরাধ

আপনার জন্য নির্বাচিত

পার্বত্য অঞ্চলকে আধুনিক শিক্ষা নগরীতে পরিণত করা হবে- পার্বত্য মন্ত্রী বীর বাহাদুর

সকল ধর্মের কল্যাণে নিরলসভাবে কাজ করছে সরকার-পার্বত্য মন্ত্রী বীর বাহাদুর

রাঙামাটি জেলায় চন্দ্রঘোনা থানা আবারও শ্রেষ্ঠ নির্বাচিত

ঈদগাঁওয়ে টেকসই বন ও জীবিকায়ন সুফল প্রকল্পের টহল টিমের মাঝে পোষাক বিতরণ

বিএনপি এখন রাজনৈতিকভাবে দেউলিয়া হয়ে গেছে- অংসুই প্রু চৌধুরী

বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছার জন্মবার্ষিকী পালিত / রাঙামাটি জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে দারুস সালাম একাডেমিতে দোয়া মাহফিল

জুরাছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরির্দশনে সিভিল সার্জন

কাউখালীতে জেবিএম, এটিএম ও এমএন্ডসি ইটভাটাকে ৭ লাখ টাকা জরিমানা, ভাটা বন্ধ ঘোষণা 

নানান নাটকীয়তার পর পুলিশ হেফাজতে থাকা ২৭ জনের মুক্তি

পাহাড়ের সকল সম্প্রদায়কে নিয়ে মহালছড়িতে উদ্বোধন হলো সম্প্রীতি কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট

error: Content is protected !!
%d bloggers like this: