শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার সনাতন ধর্মাবলম্বীসহ দেশ-বিদেশের হিন্দু সম্প্রদায়ের সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন মোর্শেদ আলম। তিনি জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল কেন্দ্রীয় সংসদের সহসাধারণ সম্পাদক এবং জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) রাঙামাটি জেলা শাখার সহসাংগঠনিক সম্পাদক।
এক শুভেচ্ছা বার্তায় মোর্শেদ আলম বলেন, শারদীয় দুর্গাপূজা বাংলাদেশসহ সারাবিশ্বের হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব। হিন্দুধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, জগতের মঙ্গল কামনায় দেবী দুর্গার আগমন ঘটে মর্ত্যলোকে।
তিনি অশুভ শক্তির বিনাশ, সত্য ও সুন্দরের প্রতিষ্ঠা এবং ভক্তদের কল্যাণ সাধন করেন। অন্যায় ও অসুর শক্তির বিনাশের মধ্য দিয়ে শুভশক্তির বিজয়ের এই বার্তা দুর্গোৎসবকে বিশেষ তাৎপর্যমণ্ডিত করেছে।
তিনি বলেন, কাপ্তাইয়ে বিভিন্ন ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে বসবাস করে আসছেন। প্রত্যেক ধর্মের মানুষ নিজ নিজ ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান স্বাধীনভাবে ও উৎসবমুখর পরিবেশে পালন করবেন—এটাই বাংলাদেশের আবহমান ধর্মীয়, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের সৌন্দর্য। ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসবের মধ্য দিয়ে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক বন্ধুত্ব, শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও সম্প্রীতির বন্ধন আরও সুদৃঢ় হয়।
মোর্শেদ আলম আরও বলেন, সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক সুবিচার ও মানবকল্যাণ সব ধর্মেরই অন্যতম মূল শিক্ষা। তাই নিজ নিজ ধর্মীয় বিধান ও সংস্কৃতি পালনের পাশাপাশি প্রত্যেকের প্রতি শ্রদ্ধা, সম্মান ও সহমর্মিতা প্রদর্শন করতে হবে। সমাজে শান্তি, নিরাপত্তা ও সম্প্রীতি বজায় রাখতে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
তিনি বলেন, দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের জন্য একটি কল্যাণমুখী, নিরাপদ ও মানবিক কাপ্তাই প্রতিষ্ঠা করাই আমাদের অঙ্গীকার। পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সহনশীলতার মধ্য দিয়ে আমাদের বহুমাত্রিক সমাজ ও জীবনবোধ আরও সমৃদ্ধ হয়ে উঠুক—এটাই প্রত্যাশা।
শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি আরও বলেন, ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার; ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার। কাপ্তাই উপজেলার সনাতন ধর্মাবলম্বী ভাই-বোনদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আপনারা উৎসাহ-উদ্দীপনা ও আনন্দের মধ্য দিয়ে নিশ্চিন্তে এবং নিরাপদে শারদীয় দুর্গোৎসব উদ্যাপন করুন।
পরিশেষে তিনি শারদীয় দুর্গাপূজার আনন্দ ও শুভেচ্ছা সবার জীবনে শান্তি, সম্প্রীতি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ বয়ে আনবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।


















