পার্বত্য চট্রগ্রাম উত্তর বন বিভাগের রাঙামাটি বাঘাইছড়ি উপজেলার ৩৬ নং সাজেক ইউনিয়নের মাছালং বন বিভাগের কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও লুটপাট করার অভিযোগ উঠেছে একুইজ্জাছড়ি গ্রামবাসীর বিরুদ্ধে।
গতকাল রবিবার (১৪ ডিসেম্বর) দুপুরে সাজেকের মাছালং একুইজ্জাছড়ি এলাকায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে সংরক্ষিত বনাঞ্চলে গড়ে উঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগ। উচ্ছেদের পরপর মাছালং উত্তর বন বিভাগের কার্যালয়ে হামলা চালায় গ্রামবাসী। এসময় ভাঙচুর করা হয় কার্যালয়ে আসবাবপত্র, মোটরসাইকেল ও লুটপাট করা হয় কার্যালয়েন নথিপত্র। এ হামলায় বনরক্ষী আশরাফুল আলম আহত হন। এদিকে সেনাবাহিনী ও পুলিশের তৎপরাতায় কার্যালয় থেকে উদ্বার করা হয় বনরক্ষী ও মালীদের।
রেঞ্জ কর্মকর্তা আখতারুজ্জামন জানান, মাছালং একুইজ্জাছড়ি সংরক্ষিত বনাঞ্চলের জায়াগায় পাহাড় কাটা হয়। পাহাড় কাটার কারনে বন বিভাগ মামলা দায়ের করে। রাতারাতি সেই জায়গা অবৈধ স্থাপনা করা হলে বন বিভাগ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। উচ্ছেদ করার কিছুখন পরেই আমাদের কার্যালয় ভাংচুর, নথিপত্র লুটপাট ও আমাদের বন মালীদের মারধর করে আহত করা হয়।
৩৬ নং সাজেক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়্যারম্যান অতুল লাল চাকমা বলেন, ২০১২ সালের পূর্বে পার্বত্য চট্রগ্রাম উত্তর বন বিভাগের মাছালং রেঞ্চের সংরক্ষিত বনাঞ্চলে জায়গায় একটি ব্রাক প্রকল্পের একটি স্কুল ছিলো। গত ১৩ বছর ধরে প্রযেক্ট না থাকায় সেটি পরিত্যাক্ত হয়ে ছিলো।একই জায়গায় নতুন স্থাপনা করার চেষ্টা করলে বন বিভাগ ভেঙে দেয়। পর গ্রামবাসী মাছালং কার্যালয়ে হামলা ও ভাংচুর করে।
সাজেক থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তোফাজ্জল হোসেন হামলা ও ভাংচুর এর ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এসময় তিনি বলেন, মাছালং রেঞ্চ কার্যালয়ে হামলা ও ভাংচুর চালানো হয়েছে, এসময় কার্যালয়ে আটকা থাকা বন প্রহরী ও মালিদের উদ্বার করা হয়েছে। এতে করে রেঞ্জ কর্মকর্তা আশরাফুল নামে একজন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় সাজেক থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন একজন বন প্রহরী মোঃ নূরুন্নবী ইসলাম। মামলায় এজাহার নামীয় ১৮ জন ও অজ্ঞাত ১৫০-১৬০ কে আসামী করে সাজেক থানায় মামলা গ্রহন করা হয়েছে।


















