বুধবার , ২৬ নভেম্বর ২০২৫ | ৫ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
  1. জাতীয়
  2. রাঙামাটি
  3. খাগড়াছড়ি
  4. বান্দরবান
  5. পর্যটন
  6. এক্সক্লুসিভ
  7. রাজনীতি
  8. অর্থনীতি
  9. এনজিও
  10. উন্নয়ন খবর
  11. আইন ও অপরাধ
  12. ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী
  13. চাকরির খবর-দরপত্র বিজ্ঞপ্তি
  14. অন্যান্য
  15. কৃষি ও প্রকৃতি
  16. প্রযুক্তি বিশ্ব
  17. ক্রীড়া ও সংস্কৃতি
  18. শিক্ষাঙ্গন
  19. লাইফ স্টাইল
  20. সাহিত্য
  21. খোলা জানালা

‎সিদ্বান্ত ছাড়াই সমাপ্ত হলো জেলা পরিষদের সাথে কোটা বিরোধী ঐক্য জোটের বৈঠক

প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক, রাঙামাটি
নভেম্বর ২৬, ২০২৫ ৯:০২ অপরাহ্ণ

দীর্ঘ দিনের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা জটিলতা নিয়ে এক সমঝোতা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বুধবার বিকালে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী, জেলা পরিষদ ও রাজনৈতিক দল বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপি নেতারাদের উপস্থিতিতে পরিষদের এনেক্স ভবনে এই সমঝোতা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

‎কোটা বিরোধী ঐক্য জোটের সাথে জেলা পরিষদ কোন রকম সমঝোতা ছাড়াই বৈঠক শেষ। আন্দোলনকারীদের যুক্তিক দাবি জেলা পরিষদ মেনে না নেওয়ায় দীর্ঘক্ষণ বৈঠক শেষে কোন সমাধান হয়নি। জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কৃষিবিদ কাজল তালুকদারের সভাপতিত্বে বৈঠকে আন্দোলনকারী, জেলা পরিষদ ও রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ বৈঠকে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা জটিলতা নিয়ে আলোচনা করা হয়।

‎বৈঠকে অংশ গ্রহন করেন, এডভোকেট দীপেন দেওয়ান, জেলা পরিষদের মূখ্য নির্বাহী খোন্দকার রেজাউল করিম, বিএনপির জেলা সভাপতি দীপন তালুকদার দিপু, বিএনপির জেলা সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মামুনুর রশিদ মামুন, আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য প্রদাং, জামায়াত সেক্রেটারী মঞ্জুরুল হক, প্রেসক্লাবের সভাপতি আনোয়ার আল হক জেলা পরিষদ সদস্য দেব প্রসাদ চাকমা, সদস্য হাবিব আজম, এনসিপি নেতা বিপিন চাকমা, গণফোরাম পরিষদ নেতাসহ সবাই উপস্থিত ছিলেন।

‎বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের এমপি প্রার্থী ও সাবেক জেলা সিনিয়র যুগ্ম জজ দীপেন দেওয়ান বলেন, শিক্ষক নিয়োগ ব্যাপারে বিএনপির কোন ধরনের ভূমিকা নাই। কিন্তু দুঃখজনক শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে বিএনপিকে জড়ানো হয়েছে। এই নিয়োগ ব্যাপারে বিএনপি কোন ধরনের খবরদারি করবে না।

‎জেলা বিএনপি সভাপতি দীপন তালুকদার দিপু বলেন, সবাই ছাড় দিয়ে হলেও নিয়োগের ব্যাপারে সার্বিক সহযোগিতা করবেন এই প্রত্যাশা করি। তবে নিয়োগে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে নিয়োগ পরীক্ষা নিতে আন্দোলনকারী ও পরিষদকে অনুরোধ জানান তিনি।

‎বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মামুনুর রশিদ মামুন বলেন, কথা টানাটানি না করে কি ভাবে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া যায় সে দিকে আমাদেরকে অগ্রসর হতে হবে। বিগত দিনে যে সব নিয়োগ দেয়া হয়েছে সে দিকে আর যাব না। শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে সামনে দিকে কিভাবে আগানো যায় সে দিকে আমরা হাটি। নিয়োগে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে নিয়োগ পরীক্ষা শেষ করতে আন্দোলনকারীদের সহযোগিতা দরকার।

‎আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য প্রদাং বলেন, ত্যাগ ও তৃতিকার মাধ্যমে ১৯৯৭ সালের চুক্তির মাধ্যমে জেলা পরিষদ আইন বৃদ্ধমান। জেলা পরিষদের নিজস্ব আইন দিয়েই নিয়োগ দেওয়ার কথা। আইন মোতাবেক নিয়োগ পরীক্ষা সম্পাদনের জন্য অনুরোধ জানান। সারা দেশের আইন আর পার্বত্য জেলার আইন এক নয়। জেলা পরিষদের আইন ফলো করে আগামী নিয়োগ পরীক্ষা গুলো বাস্তবায়ন করতে দাবি জানান।

‎জেলা জামায়াত সেক্রেটারী মঞ্জুরুল হক বলেন, আন্দোলনকারী ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নুর আলম, সহকারী শিক্ষক নিয়োগে শতভাগ মেধা ও স্বচ্ছতা বজায় রেখে এবং নিয়োগে সবকিছু মেনে নিয়ে শিক্ষক নিয়োগ দেন ও আন্দোলনকারীদের শাটডাউন তুলে নেয়া হউক এই প্রত্যাশা করছি।

‎মিজানুর রহমান, রাকিব হাসান, রুবেল, হাবিব উল্লাহ ও নুর আলম বলেন, আমরা ছাড় দিতে রাজি আছি। তবে প্রশ্নপত্র প্রনয়ন, স্বচ্ছ পরীক্ষা গ্রহন, পরীক্ষার খাতা কাটা ও মেধাবিদের অগ্রাধিকার দিয়ে নিয়োগ পরীক্ষা নিতে হবে। আমাদের ৫টা দাবি জেলা পরিষদ কতটুকু সত্যতা নিশ্চিত করবেন তা আমাদের পরিস্কার করতে হবে জেলা পরিষদ। জনসংখ্যানুপাতে শিক্ষক নিয়োগ দিতে হবে। অন্যথায় দাবি মানবে না তারা। আন্দোলনকারী উপজাতি পরীক্ষার্থীরা জাতিগত কোটা বজায় রেখে নিয়োগ পরীক্ষা নিতে তারা বিতর্ক সৃষ্টি করেন। কেউ কারও কথা শুনতে নারাজ।

সর্বশেষ - আইন ও অপরাধ

আপনার জন্য নির্বাচিত
error: Content is protected !!
%d bloggers like this: