মঙ্গলবার , ১১ জুলাই ২০২৩ | ৮ই বৈশাখ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
  1. জাতীয়
  2. রাঙামাটি
  3. খাগড়াছড়ি
  4. বান্দরবান
  5. পর্যটন
  6. এক্সক্লুসিভ
  7. রাজনীতি
  8. অর্থনীতি
  9. এনজিও
  10. উন্নয়ন খবর
  11. আইন ও অপরাধ
  12. ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী
  13. চাকরির খবর-দরপত্র বিজ্ঞপ্তি
  14. অন্যান্য
  15. কৃষি ও প্রকৃতি
  16. প্রযুক্তি বিশ্ব
  17. ক্রীড়া ও সংস্কৃতি
  18. শিক্ষাঙ্গন
  19. লাইফ স্টাইল
  20. সাহিত্য
  21. খোলা জানালা

সন্ত্রাসীর আগুনে পোড়া সিএনজির দাবীতে নতুন সিএনজি জব্দ করল নেতারা

প্রতিবেদক
হিমেল চাকমা, রাঙামাটি
জুলাই ১১, ২০২৩ ৪:২৯ অপরাহ্ণ

সন্ত্রাসীদের আগুনে পুড়ে যাওয়া অটোরিকশাটি রাঙামাটি অটোরিকশা শ্রমিক ইউনিয়ন ও চালক কল্যাণ সমিতিকে না দেওয়ায় অটোরিকশা (সিএনজি) মালিকের নতুন রিকশাটি জব্দ করেছে সমিতির লোকজন।  সোমবার বিকাল ৪ টার দিকে রাঙামাটি শহরের রিজার্ভ বাজারে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় সিএনজির মালিক মো. কামাল হোসেন রাঙামাটি কোতয়ালী থানায় একটি অভিযোগ দিয়েছেন।

মো. কামাল হোসেন বলেন, গত বছর ১৬ সেপ্টেম্বর আসামবস্তি কাপ্তাই সড়কে সন্ত্রাসীরা আমার সিএনজি আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়।

এ ঘটনার পর রাঙামাটি সংসদ সদস্য দীপংকর তালুকদারের অনুরোধ রাঙামাটি জেলা পরিষদ ও রাঙামাটি জেলা প্রশাসন মিলে আমাকে একটি নতুন সিএনজি কিনে দেয়।

পুড়ে যাওয়া  আমার সিএনজিটি ঘটনার পর থেকে  পুলিশের হেফাজতে ছিল। সম্প্রতি আদালত পোড়া সিএনজিটি আমাকে ফেরত দেয়। কিন্তু এটি সমিতিকে দেওয়ার জন্য সমিতির সভাপতি সম্পাদক আমাকে বার বার চাপ দিয়ে আসছিল। আমি দিতে রাজি না হওয়ায় আমাকে সমিতি থেকে বহিস্কার করা হয়।

এক পর্যায়ে সোমবার আমি সিএনজি নিয়ে রিজার্ভ বাজার গেলে সেখানে সমিতির লোকজন আমার গাড়ি আটক করে সমিতির কার্যালয়ে নিয়ে আটকে রাখে। এ উদ্ধারের জন্য  আমি থানায় অভিযোগ দিয়েছি।

সোমবার সন্ধ্যায় সমিতির কার্যালয়ে গিয়ে সিএনজিটি দেখা যায়। যার নম্বর রাঙামাটি থ-১১-১৩৪৯। সে সময় সিএনজিতে কয়েকজন যুবককে বসে থাকতে দেখা যায়।

এ সময় সমিতির কার্যালয়ে ছিলেন রাঙামাটি অটোরিকশা শ্রমিক ইউনিয়ন ও চালক কল্যাণ সমিতির সভাপতি অর্থ সম্পাদক অজিত দাশ।

তিনি বলেন, সিএনজিটি পাওয়ার ক্ষেত্রে আমাদের অবদান ছিল। আমাদের শ্রমিকরা আন্দোলন করেছে। তারা দুদিন আন্দোলন করেছে। প্রত্যকের দৈনিক বেতন ১ হাজার ধরলে অনেক টাকা।

সে হিসেবে আমরা সিএনজিটি চেয়েছি। কিন্তু সে আমাদের কথা শুনছে না। সেজন্য আমরা সিএনজিটি আটক করেছি। এ সিএনজিটি আমরা পুলিশের ডিউটির কাজে ব্যবহার করতে পারব। এছাড়াও বিনা ভাড়ায় প্রতিবন্দী বহন, লাশ বহনের মত মানবিক সেবায় কাজে লাগাতে পারব।

সমিতির সভাপতি পরশ মজুমদার বলেন, কামাল আমাকে বলেছে তার পোড়া সিএনজিটি আমাদের সমিতিকে দেবে। কিন্তু সে এখন বেইমানী করছে। এ সিনজির প্রতি আমাদের কোন লোভ নাই। তবে সিএনজি পাওয়ার ক্ষেত্রে যেহেতু সমিতির লোকজনের অবদান ছিল সে হিসেবে সিএনজিটি সমিতিকে দেওয়ার কথা বলেছিল কামাল। কিন্তু সে এখন উল্টে গেছে।

এ পোড়া গাড়িটি পেলে আমরা ঠিক করব। চট্টগ্রামের মেকানিকের সাথে কথা বলে জেনেছি আড়াই লাখ টাকা খরচ করলে এটি নতুন গাড়ি হয়ে যাবে। গাড়িটি ঠিক হলে প্রতিবন্দী বহনে, লাশ বহনের মত মানবিক সেবায় কাজে লাগাব।

বহিস্কারের বিষয়ে পরশ মজুমদার বলেন, কামালকে তো আমরা বহিস্কার করিনি। কিন্তু সে তো আমাদের কোন চিঠিই রিসিভ করছে না।

রাঙামাটি কোতয়ালী থানার ওসি আরিফুল আমিন বলেন,  কামাল হোসেনের কাছ থেকে একটা লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি সমিতিকে সমাধান করতে বলেছি।

 

সর্বশেষ - আইন ও অপরাধ

আপনার জন্য নির্বাচিত
%d bloggers like this: