সোমবার , ৩ জুন ২০২৪ | ২রা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
  1. জাতীয়
  2. রাঙামাটি
  3. খাগড়াছড়ি
  4. বান্দরবান
  5. পর্যটন
  6. এক্সক্লুসিভ
  7. রাজনীতি
  8. অর্থনীতি
  9. এনজিও
  10. উন্নয়ন খবর
  11. আইন ও অপরাধ
  12. ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী
  13. চাকরির খবর-দরপত্র বিজ্ঞপ্তি
  14. অন্যান্য
  15. কৃষি ও প্রকৃতি
  16. প্রযুক্তি বিশ্ব
  17. ক্রীড়া ও সংস্কৃতি
  18. শিক্ষাঙ্গন
  19. লাইফ স্টাইল
  20. সাহিত্য
  21. খোলা জানালা

রামগড়ে বিনা উদ্ভাবিত আমন ধান বিষয়ে কৃষক প্রশিক্ষণ ও বীজ বিতরণ

প্রতিবেদক
পাহাড়ের খবর ডেস্ক
জুন ৩, ২০২৪ ৩:৩৮ অপরাহ্ণ

খাগড়াছড়ির রামগড়ে বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট (বিনা’র) খাগড়াছড়ি কেন্দ্রের উদ্যোগে পাহাড়াঞ্চল উপযোগী উচ্চ ফলনশীল বিনা উদ্ভাবিত আমন ধানের জাতসমূহের পরিচিতি, চাষাবাদা পদ্ধতি, বীজ উৎপাদন ও সংরক্ষণে কৃষক প্রশিক্ষণ ও বীজ বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (৩ জুন) দুপুরে রামগড় হর্টিকালচার সেন্টারের প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খাগড়াছড়ির সহযোগিতায় ও বিনার গবেষণা কার্যক্রম শক্তিশালীকরণ প্রকল্পের অর্থায়নে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার অর্ধ শতাধিক কৃষক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন।

রামগড় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো: মিজানুর রহমান এর সভাপতিত্বে বিনা উদ্ভাবিত আমন ধান সম্পর্কে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি প্রশিক্ষণে সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, বিনা’র মহাপরিচালক ময়মনসিংহ ড. মো: আবুল কালাম আজাদ।

খাগড়াছড়ির কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো: গোলাম মোস্তফার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে প্রশিক্ষণ প্রদান করেন বিনার মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. সিদ্দিকুর রহমান, খাগড়াছড়ির কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃষিবিদ মো: বাছিরুল আলম, রামগড় হর্টিকালচার সেন্টারের উপপরিচালক কৃষিবিদ শাহ্ মোহাম্মদ শাখাওয়াত হোসেন, খাগড়াছড়ি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা অং সিং মারমা সহ প্রমুখ।

প্রশিক্ষণে বিনার বিজ্ঞানীগণ ও কৃষি কর্মকর্তাগণ বলেন, বিনা উদ্ভাবিত আমন বিনাধান-১৭ জাতের উচ্চ ফলনশীল ও প্রিমিয়ার কোয়ালিটি সম্পন্ন একটি ধান। কম সময়ে বেশি ফলন ও ভাল দাম পাওয়া যায়। এই ধানের রোগবালাই কম, প্রতি হেক্টরে সাড়ে ৭ মে.টন থেকে সাড়ে ৮ মে. টন ফলন হয়। এই ধানের চাল চিকন ও খেতে অনেক সুস্বাদু। এই ধান চাষ করে কৃষকরা লাভবান হচ্ছেন। কারণ এই ধানের বীজ সংরক্ষণ করা যায় এবং চাল বিদেশে রপ্তানী করা যায়।

সর্বশেষ - আইন ও অপরাধ

আপনার জন্য নির্বাচিত
%d bloggers like this: