সৌদি আরবে অনুষ্ঠিত ইসলামিক সলিডারিটি গেমস-এ রৌপ্য পদক অর্জনের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের মুখ উজ্জ্বল করা রাজস্থলী রাঙ্গামাটি চুশাক পাড়া থেকে টেবিল টেনিস তারকা খই খই সাই মারমার পরিবারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন রাঙামাটির জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী।
আজ (২৪ জানুয়ারি) দুপুরে রাজস্থলী উপজেলার গাইন্দ্যা ইউনিয়নের দুর্গম ২নং ওয়ার্ড এলাকায় অবস্থিত খই খই সাই মারমার নিজ বাড়িতে সরাসরি উপস্থিত হয়ে জেলা প্রশাসক তাঁর বাবা ক্যহ্লাখই মারমাসহ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং তাঁদের খোঁজখবর নেন। দুর্গম পাহাড়ি পথ অতিক্রম করে জেলা প্রশাসকের এই মানবিক ও আন্তরিক উদ্যোগ স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে।
সাক্ষাৎকালে জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী বলেন, খই খই সাই মারমা শুধু একজন ক্রীড়াবিদ নন, তিনি পাহাড়ি এলাকার সম্ভাবনা ও প্রতিভার প্রতীক। সীমিত সুযোগ-সুবিধার মধ্যেও তাঁর এই আন্তর্জাতিক সাফল্য রাঙামাটি জেলা তথা সমগ্র দেশের জন্য অত্যন্ত গর্বের বিষয়।”
তিনি আরও বলেন, এই সাফল্য পাহাড়ি অঞ্চলের নতুন প্রজন্মকে খেলাধুলার প্রতি আগ্রহী করে তুলবে। পরিশ্রম, শৃঙ্খলা ও দৃঢ় মনোবল থাকলে যে কোনো প্রতিবন্ধকতাকে জয় করা সম্ভব—খই খই তার জীবন্ত উদাহরণ।”
এ সময় জেলা প্রশাসক খই খই সাই মারমার ভবিষ্যৎ ক্রীড়া জীবনে আরও বড় সাফল্য কামনা করেন এবং তাঁর পরিবারের যেকোনো প্রয়োজনে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে জোরালো আশ্বাস দেন।
সৌজন্য সাক্ষাতে আরও উপস্থিত ছিলেন রাজস্থলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিনা আক্তার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আলমগির হোসেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক কঙ্কনা প্রভা। পাশাপাশি স্থানীয় সাংবাদিক ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এ সময় উপস্থিত থেকে এই মানবিক উদ্যোগের সাক্ষী হন।
স্থানীয়রা জানান, পাহাড়ের দুর্গম এলাকা থেকে উঠে এসে আন্তর্জাতিক মঞ্চে পদক জয় করা খই খই সাই মারমার সাফল্য শুধু ব্যক্তিগত নয়, এটি পুরো পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর জন্য অনুপ্রেরণার উৎস। জেলা প্রশাসকের সরাসরি উপস্থিতি ও পরিবারের পাশে দাঁড়ানো প্রশাসনের ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গিরই প্রতিফলন বলে তারা মনে করেন।


















