শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার কেপিএম কয়লার ডিপু হরি মন্দির এবং কাপ্তাই উপজেলা সদর বড়ইছড়ি জগন্নাথ মন্দির পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন রাঙামাটি জেলা পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব, পিপিএম। এ সময় তিনি মন্দির কমিটির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং পূজার সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আশ্বাস দেন। পাশাপাশি দুই মন্দির কমিটির কাছে উপহারসামগ্রী হস্তান্তর করেন তিনি।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৫ টা হতে সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টা পর্যন্ত তিনি মন্দির ২ টি পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে এসময় কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রায়হানুল ইসলাম, কাপ্তাই সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. জাহেদুল ইসলাম, পিপিএম, কাপ্তাই উনপপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. দিলদার হোসেন, কাপ্তাই থানার ওসি শেখ মাহমুদুল হাসান রুবেল, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি জাফর আহমদ স্বপন, চন্দ্রঘোনা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জাকির হোসেন, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব ইব্রাহিম হাবিব মিলু, কাপ্তাই উপজেলা শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপন সমন্বয় কমিটির আহ্বায়ক মাস্টার জগদীশ চন্দ্র দাশ, সদস্য সচিব প্রিয়তোষ ধর পিন্টু সহ মন্দির পরিচালনা কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
কাপ্তাই সফরে প্রথমে তিনি চন্দ্রঘোনা কেপিএম কয়লারডিপু শ্রী শ্রী হরি মন্দিরের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন। সেখানে কাপ্তাই উপজেলা পূজা উদযাপন সমন্বয় কমিটির নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ সময় তিনি পূজামণ্ডপের সার্বিক পরিস্থিতি, নিরাপত্তাব্যবস্থা ও পূজা উদযাপনের প্রস্তুতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।
পরে কাপ্তাই থানা সদর এলাকার শ্রী শ্রী জগন্নাথ মন্দির পরিদর্শন করেন পুলিশ সুপার। সেখানে মন্দিরের সভাপতি আশিষ কুমার দাশ, সাধারণ সম্পাদক উৎম মল্লিকসহ মন্দির কমিটির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তিনি।
মতবিনিময়কালে পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব বলেন, শারদীয় দুর্গাপূজা যাতে সবাই স্বাচ্ছন্দ্যে ও নিরাপদে উদযাপন করতে পারেন, সে লক্ষ্যে জেলা পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। এ জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
এ সময় শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে পুলিশ সুপার চন্দ্রঘোনা কেপিএম কয়লারডিপু শ্রী শ্রী হরি মন্দির ও শ্রী শ্রী জগন্নাথ মন্দির কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের হাতে উপহারসামগ্রী তুলে দেন।
পরিদর্শনকালে গণমাধ্যমকর্মী, দুই মন্দির এলাকার নারী-পুরুষ পূজারি, রাজনৈতিক নেতাকর্মী এবং মন্দির কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।


















