শুক্রবার , ১১ আগস্ট ২০২৩ |
  1. জাতীয়
  2. রাঙামাটি
  3. খাগড়াছড়ি
  4. বান্দরবান
  5. চট্টগ্রাম
  6. আইন ও অপরাধ
  7. রাজনীতি
  8. পর্যটন
  9. ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী
  10. এক্সক্লুসিভ
  11. অর্থনীতি
  12. এনজিও
  13. চাকরির খবর-দরপত্র বিজ্ঞপ্তি
  14. উন্নয়ন খবর
  15. ক্রীড়া ও সংস্কৃতি
  16. খোলা জানালা
  17. কৃষি ও প্রকৃতি
  18. প্রযুক্তি বিশ্ব
  19. শিক্ষাঙ্গন
  20. লাইফ স্টাইল
  21. সাহিত্য
  22. অন্যান্য

বান্দরবানে সাঙ্গু নদীর তীরে ধসে গেছে ৯টি বসতভিতা

প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক, বান্দরবান
আগস্ট ১১, ২০২৩ ৫:৩২ অপরাহ্ণ

বান্দরবানে গত সোমবার থেকে বন্যার পানি কমতে শুরু করলে সাঙ্গু নদীর তীরে বসতভিতা ভাঙন ও প্রায় ৮টি বাড়ি ধসে গেছে। এর আগে এক সপ্তাহে বন্যায় পানিতে অনেকেই বাড়ি অতিরিক্ত স্রোতের টানে নদীতে ভেসে যায় এবং বালি আর কাদামাটি জমিয়ে নষ্ট হয়ে গেছে প্রায় শতাধিক বসতঘর।

বন্যায় পানি নেমে যাওয়া পর বাড়ি-ঘরগুলি বালি আর কাদামাটি জমে গেলে, অনেকেই সেটি পরিষ্কারে জন্য ব্যবহার করার হয় ভারি দমকল মেশিন।

এতে মাত্রাতিরিক্ত দমকল পানি ব্যবহার ফলে ঘর-বাড়িগুলি নরবরে হয়ে পড়ে, ফলে ওই জায়গা এখনও নরম বালি আর মাটি থাকা কারণে ধসে গেছে বসতভিতা। তাছাড়া এসব স্থানে কোন আরসিসিআর গ্রেট ওয়াল ও পাইলিং ছাড়া এবং অত্যন্ত নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে বসত নির্মাণ করার ফলে বন্যায় পানিতে বাড়ি নিচে স্তর নরম হয়ে ধসে পড়েছে বলে স্থানীয়রা মনে করছেন।
বৃহস্পতিবার (১০ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৫টায় বান্দরবান সদরস্থ মধ্যমপাড়া নদীর পাড় এলাকায় দু’তলা ঘর ধসে যায়। এবং শুক্রবার সকালে পাশে থাকা তিনটি টিনশেট বেড়াঘর ধসে পড়ে। এর আগে আংশিক ৫টি ঘর হেলে পড়ে। তবে বাড়িতে কেউ না থাকায় হতাহতের কোন ঘটনা ঘটে নি। এর পরপর এলাকাটিকে চরম ঝুকিপূর্ণ ঘোষণা করেছে বান্দরবান পৌরসভা।
ক্ষতিগ্রস্তরা হলেন, বান্দরবান পৌরসভার মধ্যমপাড়া সাঙ্গু নদীর তীর এলাকার রেখা দাশ, রুপনা বড়ুয়া, বিন্দু দাস, লিটন বড়ুয়া, শানু বড়ুয়া, বিজয় বড়ুয়া, উনাইসিং মারমা ও থুইসে মারমা ও পারুল বড়ুয়া।

স্থানীয়রা জানান, বন্যা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। কিছু কিছু নিচু জায়গা এখনও পানি জমে আছে। বিশেষ করে বন্যায় পানি কমার সাথে সাথে সাঙ্গু নদীর তীরে ভাঙন দেখা দিয়েছে। এরই মধ্যে মধ্যমপাড়া সাঙ্গু নদীর তীর এলাকায় বসবাসরত একটি দোতলা দালান ও ৭টি কাচা ঘর নদীতে ধসে গেছে। ওই এলাকার কিছু জায়গা আরও কয়েকটি ঘর ধসে পড়তে পারে। তাই জন মানুষের ঝুঁকি এড়াতে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে যেতে প্রশাসন পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে।
বান্দরবান ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক পূর্ণচন্দ্র মুৎসুদ্দি জানান, বন্যা পরবর্তী মধ্যমপাড়া সাঙ্গু নদীর তীর এলাকায় ভাঙন দেখা দেওয়ায় বসবারত সবাইকে সতর্ক করা হয়েছে এবং নদী গর্ভে বিলিন হওয়া বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষে জানানো হয়েছে।

বান্দরবান পৌরমেয়র সৌরভ দাশ শেখর সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ভাঙন কবলিত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। এবং ওই এলাকাটিকে চরম ঝুকিপূর্ণ এলাকায় হিসেবে ঘোষণা দেওয়ার পাশাপাশি বসবাসরত সবাইকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যেতে বলা হয়েছে।

এদিকে কয়েকদিন টানা বর্ষণের ফলে সড়কের বিভিন্ন স্থানে মাটি ধসে পড়েছে, আবার কোথাও কোথাও মাটি ধসে পড়ে রাস্তা ব্লক হয়ে গেছে। এতে সারাদেশের সাথে যোগাযোগ ব্যবস্থা স্বাভাবিক হলেও বান্দরবান-রাঙামাটি ও রুমা এবং থানচি উপজেলার সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। বান্দরবান সদরে বাজার ও উজানী পাড়ায় বিদ্যুৎ সংযোগ থাকলেও অন্যান্য এলাকায় এখনো বিদ্যুৎ সংযোগ চালু হয়নি। শহর এলাকা ছাড়া বাকী ছয়টি উপজেলায় এখনো বিদ্যুৎ ও মোবাইল নেটওর্য়াক বন্ধ রয়েছে।
বান্দরবানের জেলা প্রশাসক শাহ্ মোজাহিদ উদ্দিন জানান, এই ভয়াবহ দুর্যোগে কেউ যেন অনাহারে না থাকেন সেজন্য ক্ষতিগ্রস্তদের খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে। জেলা প্রশাসন, সেনাবাহিনী, পুলিশ, ফায়ারসার্ভিস একসঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে। সম্পূর্ণভাবে পানি না নামায় ক্ষয়ক্ষতি নিরুপণ করা সম্ভব হয়নি বলে জানান এই কর্মকতা।

সর্বশেষ - আইন ও অপরাধ

আপনার জন্য নির্বাচিত

কাপ্তাইয়ে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে জেলা পরিষদের অর্থ বিতরণ

কাউখালী সরকারি ডিগ্রি কলেজে ছাত্রদলের মতবিনিময় সভা

নানিয়ারচরের বগাছড়িতে বাস দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত পথচারী

রামগড়ে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে টাস্কফোর্স কমিটির অভিযান

জুরাছড়িতে মিনা দিবস পালিত 

রাঙামাটি শহরের ৫ শতাধিক পরিবারের মাঝে পুলিশের কম্বল বিতরণ

বান্দরবানের তিন উপজেলায় ফের ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা

পানছড়ি হত্যাকান্ডের খুনীদের গ্রেফতারের দাবীতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে স্মারকলিপি

জুরাছড়িতে শিক্ষার্থীদের স্কুল ড্রেস ও শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে ৬ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সাইবার ট্রাইবুনালে মামলা

error: Content is protected !!
%d bloggers like this: