বৃহস্পতিবার , ৬ জুন ২০২৪ | ৩১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
  1. জাতীয়
  2. রাঙামাটি
  3. খাগড়াছড়ি
  4. বান্দরবান
  5. পর্যটন
  6. এক্সক্লুসিভ
  7. রাজনীতি
  8. অর্থনীতি
  9. এনজিও
  10. উন্নয়ন খবর
  11. আইন ও অপরাধ
  12. ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী
  13. চাকরির খবর-দরপত্র বিজ্ঞপ্তি
  14. অন্যান্য
  15. কৃষি ও প্রকৃতি
  16. প্রযুক্তি বিশ্ব
  17. ক্রীড়া ও সংস্কৃতি
  18. শিক্ষাঙ্গন
  19. লাইফ স্টাইল
  20. সাহিত্য
  21. খোলা জানালা

এ বছর রাঙামাটিতে আমের ফলন কম

প্রতিবেদক
এম কামাল উদ্দিন, রাঙামাটি
জুন ৬, ২০২৪ ৩:১৭ অপরাহ্ণ

এ বছর রাঙামাটিতে আমের ফলন কম হয়েছে। যা আশানুরুপ অনুযায়ী হতাশাজনক। আশানুরুপ আমের ফলন না হওয়ায় হতাশ বাগানচাষিরা। তাদের অনেকে জানান, অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার মৌসুমে আমের অর্ধেক ফলন মেলেনি। দামও অধিক পাওয়া যাচ্ছে না। তাই তাদের লোকসানও গুনতে হচ্ছে। ইতোমধ্যে দেশি ও রুপালি জাতের আম বাজারে এসেছে। আম্রপালি, রাংগুয়াই জাতের আম পাকতে শুরু করেছে। কয়েকদিনের মধ্যেই এ জাতীয় আম বাজারে পাওয়া যাবে। এসব জাতের আম টসটসে রসালো এবং স্বাদে খুব মিষ্টি। কিন্তু একে তো ফলন কম, তেমনি দাম নিয়েও হতাশায় কৃষকরা।

মৌসুমের শুরুতে গাছে গাছে প্রচুর মুকুল আসে। কিন্তু তীব্র দাবদাহের কারণে মুকুল নষ্ট হওয়ায় ফলন তেমন ভালো হতে পারেনি। ফলে এ বছর আমের ফলন কিছুটা কম। তবে ঘুর্ণিঝড়ের কারণে আমের তেমন কোনো ক্ষতিও হয়নি বলে জানিয়েছে রাঙামাটি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. মনিরুজ্জামান বলেন, সদরসহ জেলার প্রায় উপজেলায় আমের বিস্তর চাষাবাদ হচ্ছে। এবার মৌসুমে লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী জেলায় ৩ হাজার ৬২০ হেক্টর জমিতে আমের চাষাবাদ হয়েছে। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল প্রতি হেক্টরে ১২ টন। কিন্তু এবার মৌসুমে আবহাওয়ার উপযুক্ততা না থাকায় বা প্রতিকুল আবহাওয়ার কারণে লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী জেলায় আমের ফলন আশানুরুপ হয়নি। তবে ঘুর্ণিঝড় বা কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে আমের তেমন কোনো ক্ষতিও হয়নি।

তিনি আরও জানান, এর আগে প্রতিটি মৌসুমে জেলায় অন্তত ২০০ কোটি টাকার আম বিক্রি হতো। এ জেলায় দেশি জাতের আমসহ আ¤্রপালি, রুপালি, ফজলি, ল্যাংড়া, রাঙ্গুয়াই জাতের আম চাষাবাদ হচ্ছে। কৃষি বিভাগ কৃষকদের পরামর্শসহ প্রয়োজনীয় সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে।

রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার ওয়া¹া ইউনিয়নের ১০০নং ওয়া¹া মৌজার হেডম্যান ও আমের বাগান মালিক অরুণ তালুকদার জানান, তার ২৫ একর বাগানে আম্রপালি জাতের আমের গাছ আছে। কিন্তু এ বছর  আশানুরুপ ফলন না হওয়ায় তিনি হতাশ।

তিনি বলেন, আগের বছরগুলোয় আমের মৌসুমে তার বাগানে গড়ে ৫০-৬০ টন আম্রপালি আমের ফলন পেতেন। স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে জেলার বাইরে বাজারজাত হয়ে যেত তার বাগানের আম। কিন্তু এ বছর তার বাগানে ৫/৭ টন আমও হবে না। তাই তাকে এ বছর যথেষ্ট লোকসান গুনতে হবে। আ¤্রপালি আমের ফলন নিয়ে একই অবস্থার কথা জানিয়েছেন ওই ইউনিয়নের বটতলী এলাকার দুই একরের আমবাগান মালিক চিরঞ্জিত তঞ্চঙ্গ্যা। এ বছর আবহাওয়া অনুকুলে না থাকায় ওই এলাকায় আ¤্রপালি আমের ফলন এমনটা বলে জানান কাপ্তাই উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইমরান আহমেদ।

জেলার কাউখালী উপজেলার ঘাগড়া ইউনিয়নের উল্টাপাড়া গ্রামের বাগান মালিক জয় শংকর তালুকদার ও নবীনা চাকমা জানান, মৌসুমের শুরুতে গাছে গাছে প্রচুর মুকুল দেখা গেলেও তীব্র খরতাপের কারণে প্রায় মুকুল নষ্ট হয়ে ঝরে যায়। ফলে এ বছর বাগানে আ¤্রপালি আমের ফলন তেমন সুবিধাজনক হয়নি। আগের বছরগুলোয় প্রতি মৌসুমে লাখের অধিক টাকার আম বিক্রি করেছেন। কিন্তু এ বছর তার অর্ধেক ফলনও নেই। তাই হতাশায়।

সর্বশেষ - আইন ও অপরাধ

আপনার জন্য নির্বাচিত
%d bloggers like this: