বৃহস্পতিবার , ১৩ জুন ২০২৪ |
  1. জাতীয়
  2. রাঙামাটি
  3. খাগড়াছড়ি
  4. বান্দরবান
  5. চট্টগ্রাম
  6. আইন ও অপরাধ
  7. রাজনীতি
  8. পর্যটন
  9. ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী
  10. এক্সক্লুসিভ
  11. অর্থনীতি
  12. এনজিও
  13. চাকরির খবর-দরপত্র বিজ্ঞপ্তি
  14. উন্নয়ন খবর
  15. ক্রীড়া ও সংস্কৃতি
  16. খোলা জানালা
  17. কৃষি ও প্রকৃতি
  18. প্রযুক্তি বিশ্ব
  19. শিক্ষাঙ্গন
  20. লাইফ স্টাইল
  21. সাহিত্য
  22. অন্যান্য

কাপ্তাইয়ে পাহাড় ধ্বসের আজ ৭ বছর : এখনও ঝুঁকিতে বসবাস করছে বহু মানুষ

প্রতিবেদক
ঝুলন দত্ত, কাপ্তাই, রাঙামাটি
জুন ১৩, ২০২৪ ১০:০৭ পূর্বাহ্ণ

২০১৭ সালের ১৩ জুন। রাঙামাটি জেলার কাপ্তাইবাসীর জন্য দিনটি ছিল এক বিভীষিকাময় দিন। এর আগের দিন (১২ জুন) মধ্যরাত হতে মুষলধারে বৃষ্টি হচ্ছিল। টানা বর্ষনে তখন ঘরবন্দি প্রায়ই মানুষ। অতিবৃষ্টিতে সেইদিন কাপ্তাইয়ের সকল সড়ক পথ যান চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছিল।

১৩ জুন সকালে কাপ্তাইবাসী শুনলো ভয়াবহ পাহাড় ধ্বসের কথা। বিভিন্ন প্রান্ত হতে আসতে লাগলো মৃত্যুর কথা। সেইদিন সকালে প্রথম দু:সংবাদটি আসে ১ নং চন্দ্রঘোনা ইউনিয়নের মিতিঙ্গাছড়ি হতে। ভয়াবহ পাহাড় ধ্বসে সেইদিন ঐ এলাকার বসবাসরত নুরনবীসহ তার ছেলের গর্ভবতী স্ত্রী এবং তার শিশু পুত্র ঘটনাস্থলে মারা যায়।

ঘটনার পর পরই ফায়ার সার্ভিসসহ ঐ এলাকায় ছুটে যান তৎসময়ের কাপ্তাই উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান দিলদার হোসেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তারিকুল আলম এবং ১ নং চন্দ্রঘোনা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আনোয়ারুল ইসলাম চৌধুরী বেবী। এরপর একে একে ওয়াগ্গার মুরালীপাড়া, রাইখালির কারিগর পাড়া এবং চিৎমরম হতে পাহাড়ধ্বস ও মৃত্যুর খবর আসতে থাকে। সেইদিনের পাহাড় ধ্বসে কাপ্তাইয়ে প্রান হারায় সর্বমোট ১৮ জন। পাহাড়ী ঢ়লে তলিয়ে যায় শত শত একর সবজি ক্ষেত, বিনষ্ট হয় বহু ঘরবাড়ী। এখনোও সেই দিনের কথা কাপ্তাইয়ে জনগন মনে করে শিহরিত হয়ে উঠে।

আজ(১৩ জুন,২০২৪) কাপ্তাইয়ের পাহাড় ধ্বসের ৭ বছর হলো। এখনো কাপ্তাইয়ের অনেক জায়গায় ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাস করছে শত শত পরিবার। বিশেষ করে ৪ নং কাপ্তাই ইউনিয়নের ঢাকাইয়া কলোনিতে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাস করছে শত শত পরিবার। এইছাড়া ওয়াগ্গা ইউনিয়নের মুরালীপাড়া, রাইখালী ইউনিয়নের কারিগর পাড়া, তিনছড়ি, মিতিঙ্গাছড়িসহ দূর্গম অনেক জায়গায় ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাস করছে অনেক পরিবার। বর্ষা মৌসুমে অতিবৃষ্টি হলে এদেরকে প্রশাসনের পক্ষ হতে আশ্রয় কেন্দ্র নিয়ে আসা হলেও এই সব পরিবারগুলোকে স্থায়ীভাবে পূর্নবাসন করা যায় নাই।

৪ নং কাপ্তাই ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান জোবাউদা আক্তার লাভলী বলেন, কাপ্তাই ইউনিয়ন এর ঢাকাইয়া কলোনি এলাকায় এখনোও ঝুঁকিতে বসবাস করছে বহু মানুষ। যখন অতি বৃষ্টি হয়, তখন পাহাড় ধ্বসের আশংকায় তাঁরা নিকটবর্তী আশ্রয় কেন্দ্রে আসেন। যদি এসব লোকদের স্থায়ী ভাবে কোন জায়গায় পূর্ণবাসন করা যেতো তাহলে সমস্যার সমাধান হতো।

কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো মহিউদ্দিন বলেন,  ৪ নং কাপ্তাই ইউনিয়ন এর ঢাকাইয়া কলোনি সহ উপজেলার রাইখালী ও ওয়াগ্গা ইউনিয়নে এখনো পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাস করছে বহু পরিবার। প্রশাসনের পক্ষ হতে আমরা প্রায়ই এইসব এলাকায় গিয়ে জনগণকে পাহাড়ের পাদদেশে বসবাস না করার জন্য অনুরোধ করি। বিশেষ করে অতি বৃষ্টি হলে তখন পাহাড় ধ্বসের আশংকা থেকে যায়। তখন আমরা ঝুঁকিপূর্ণ বসবাসকারীদের নিকটস্থ আশ্রয় কেন্দ্রে নিয়ে আসি এবং তাদের থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা করি। যদি ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাসকারীরা দূর্যোগ এর আগে নিরাপদ স্থানে চলে আসে তাহলে জানমালের ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব।

সর্বশেষ - আইন ও অপরাধ

আপনার জন্য নির্বাচিত

দেশের সার্বভৌমত্ব ধ্বংসের চক্রান্ত করছে বিএনপি – কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা

নানিয়াচরে বিদ্যালয় কিশোরীদের নিয়ে  স্যানিটারি প্যাড তৈরীর প্রশিক্ষণ

বাঘাইছড়ির বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি, ত্রান বিতরণ অব্যাহত

বাঘাইছড়ি বিএনপি’র সভাপতিসহ নয় নেতাকে বহিষ্কার: অপরাধ তদন্তে কমিটি গঠন

রাজস্থলীতে শান্তিপূর্ণভাবে চলছে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন

বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে রাঙামাটি জেলা আ.লীগের শ্রদ্ধাঞ্জলি দলীয় রাজনীতিতে আলোচনার বিষয়স্তু

বাঘাইছড়িতে শিক্ষার মানোন্নয়নে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের আয়োজনে কাপ্তাইয়ে বই বিতরণ ও কুইজ প্রতিযোগিতা

বাঙ্গালহালিয়াতে আকস্মিক অগ্নিকাণ্ডে টমটম চালকের ঘর ভস্মীভূত

কাপ্তাই সড়কের ওপর ফিটফাট ভিতরে সদরঘাট!

error: Content is protected !!
%d bloggers like this: