রবিবার , ৪ আগস্ট ২০২৪ |
  1. জাতীয়
  2. রাঙামাটি
  3. খাগড়াছড়ি
  4. বান্দরবান
  5. চট্টগ্রাম
  6. আইন ও অপরাধ
  7. রাজনীতি
  8. পর্যটন
  9. ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী
  10. এক্সক্লুসিভ
  11. অর্থনীতি
  12. এনজিও
  13. চাকরির খবর-দরপত্র বিজ্ঞপ্তি
  14. উন্নয়ন খবর
  15. ক্রীড়া ও সংস্কৃতি
  16. খোলা জানালা
  17. কৃষি ও প্রকৃতি
  18. প্রযুক্তি বিশ্ব
  19. শিক্ষাঙ্গন
  20. লাইফ স্টাইল
  21. সাহিত্য
  22. অন্যান্য

কোটা আন্দোলনকারীদের এক দফায় কেমন প্রতিক্রিয়া আওয়ামী লীগে

প্রতিবেদক
পাহাড়ের খবর ডেস্ক
আগস্ট ৪, ২০২৪ ৮:৫২ অপরাহ্ণ

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানার থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বর্তমান সরকারের পদত্যাগের এক দফা ঘোষণার তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের মধ্যে।

পাশাপাশি পরিস্থিতি কোন দিকে যায় বা কেমন হয় এবং সরকার সেটি কোন প্রক্রিয়ায় সামাল দেয়- তা নিয়ে উদ্বেগও জানা গেছে কোন কোন নেতার কণ্ঠে।

দলটির সর্বস্তরে ‘এক ধরনের ঐক্যের সুর’ তোলার চেষ্টা করছেন বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা।

দলটির কেন্দ্র থেকে শুরু করে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কিছু নেতার সাথে আলাপ করে এমন ধারণা পাওয়া গেছে।

এসব নেতারা বলছেন, শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ বিবেচনা করে কোটা আন্দোলনকারীদের বিষয়ে সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শনের একটি অলিখিত নির্দেশনা কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত দেয়া ছিলো।

কিন্তু শনিবার আন্দোলনকারীদের একজন সমন্বয়ক তাদের একদফা ঘোষণার সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নাম ধরে যেসব বক্তব্য দিয়েছেন তাতে তীব্র ক্ষোভ তৈরি হয়েছে দলের সর্বস্তরেই।

দলটির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ডঃ আব্দুর রাজ্জাক বিবিসিকে বলেছেন, ”শিক্ষার্থীদের মুখোশে কারা আন্দোলন করেছে সব পরিষ্কার হয়ে গেছে এবং এদের প্রতিরোধে দল হিসেবে আওয়ামী লীগ ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। পাশাপাশি সরকারের দিক থেকেও আইনগত যা যা পদক্ষেপ নেয়া যায় এখন তার সবই নেয়া হবে।”

দলের সভাপতিমন্ডলীর আরেকজন সদস্য এবং মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ মন্ত্রী আব্দুর রহমান বলছেন, ”আন্দোলনকারীদের মূল চরিত্র প্রকাশ পেয়ে গেছে এবং সে কারণে এখন আর ছেড়ে কথা বলা হবে না।”

প্রসঙ্গত, সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের জন্য গড়ে ওঠা আন্দোলন থেকে শনিবারই প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে সরকারের পদত্যাগের দাবি ঘোষণা করা হয়। এর আগে তাদের যে নয় দফা ছিলো, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ক্ষমা দাবি, কয়েকজন মন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি থাকলেও সরকারের পদত্যাগের দাবি ছিলো না।

গত ষোলই জুলাই থেকে এ আন্দোলনকে ঘিরে সহিংসতা শুরু হয় এবং সেদিনও সহিংসতায় অন্তত ছয় জনের মৃত্যু হয় দেশের বিভিন্ন জায়গায়। এরপর ১৮ ও ১৯শে জুলাইয়ের ব্যাপক সহিংসতায় দেড়শর বেশী মানুষের মৃত্যু হয়। সব মিলিয়ে দুশোর বেশী মানুষ নিহত হয়েছে এবারের এই আন্দোলনকে ঘিরে তৈরি হওয়া সহিংসতায়।

এমন প্রেক্ষাপটে শনিবার প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে আন্দোলনকারীদের আলোচনার আহবান জানানো হলেও তারা তা প্রত্যাখ্যান করে। ওই দিন বিকেলে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সমাবেশ থেকে সরকারের পদত্যাগের এক দফা দাবি ঘোষণা করে।

দাবি আদায়ে আন্দোলনকারীরা আজ অসহযোগ কর্মসূচি পালন শুরু করেছে। অন্যদিকে আওয়ামী লীগ ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে জমায়েতের কর্মসূচি পালন করছে। এসব কর্মসূচিকে ঘিরে দেশের বিভিন্ন স্থানে সহিংসতার খবর পাওয়া যাচ্ছে। -রাকিব হাসনাত, বিবিসি নিউজ বাংলা

সর্বশেষ - আইন ও অপরাধ

আপনার জন্য নির্বাচিত
error: Content is protected !!
%d bloggers like this: