রবিবার , ২০ জুলাই ২০২৫ | ১৬ই ভাদ্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
  1. জাতীয়
  2. রাঙামাটি
  3. খাগড়াছড়ি
  4. বান্দরবান
  5. পর্যটন
  6. এক্সক্লুসিভ
  7. রাজনীতি
  8. অর্থনীতি
  9. এনজিও
  10. উন্নয়ন খবর
  11. আইন ও অপরাধ
  12. ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী
  13. চাকরির খবর-দরপত্র বিজ্ঞপ্তি
  14. অন্যান্য
  15. কৃষি ও প্রকৃতি
  16. প্রযুক্তি বিশ্ব
  17. ক্রীড়া ও সংস্কৃতি
  18. শিক্ষাঙ্গন
  19. লাইফ স্টাইল
  20. সাহিত্য
  21. খোলা জানালা

আমরা সৌহার্দ্য-সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়তে চাই রাঙামাটিতে এনসিপি নেতারা

প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক, রাঙামাটি
জুলাই ২০, ২০২৫ ৯:৫৮ অপরাহ্ণ

রাঙামাটিতে পদযাত্রা কর্মসূচিতে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় নেতারা বলেছেন, আমরা কোনো রকম বৈষম্য চাই না। পাহাড়-সমতলের সব মানুষের সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে। এজন্য চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থান। এখানে কোনো জাতি, গোষ্ঠী, সম্প্রদায়, ধর্ম, বর্ণের প্রতি কোনো রকম বিভেদ-বিভাজন রাখা যাবে না। এ লক্ষ্যে জাতি, গোষ্ঠী, সম্প্রদায়, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে ঐকবদ্ধভাবে একত্রে লড়াই-সংগ্রামে এগিয়ে আসার আহবান জানান তারা। দেশব্যাপী কর্মসূচির অংশে রোববার নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে রাঙামাটিতে পদযাত্রা কর্মসূচির সমাবেশে এসব কথা বলেন এনসিপি নেতারা।

তারা বলেন, এদেশে সবার অধিকার নিশ্চিত করে দিতে হবে। সব বৈষম্য দূর করতে হবে, যাতে জাতি, গোষ্ঠী সব সম্প্রদায়ের মানুষ একে অপরে সম্প্রীতি নিয়ে বসবাস করতে পারে। তাই আগামীতে আমরা এমন একটি সৌহার্দ্য-সম্প্রীতির নতুন বাংলাদেশ গড়তে চাই। এজন্য মুজিববাদী সংবিধান বাতিল করতে হবে। একটি নতুন সংবিধান তৈরি করতে হবে, যেখানে এ দেশের সব জাতি-গোষ্ঠীর স্বীকৃতি থাকবে এবং সবার অধিকার সংরক্ষিত হবে।

এদিকে এনসিপির পদযাত্রা কর্মসূচি ঘিরে রাঙামাটিতে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। শনিবার রাত থেকেই নিরাপত্তা চাদরে ঢাকা হয় গোটা শহর। শহরজুড়ে তৈরি করা হয় নিশ্চিদ্র নিরাপত্তা বেষ্টনি। এতে শহরে মোতায়েন করা হয় আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর ১১০০ সদস্য। রোববার সকাল থেকে রাঙামাটি শহরের বনরুপা পুলিশবক্স চত্বরে সমাবেশ স্থলের চারপাশ কঠোর অবস্থানে ছিলেন পুলিশ, বিজিবি, সেনাবাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। এ সময় জনমনে চাপা আতঙ্ক বিরাজ করে। আশপাশের প্রায় দোকান-পাট বন্ধ করে দেন ব্যবসায়ীরা। পরে নিরাপত্তার স্বার্থে প্রধান সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেন কর্তব্যরত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। বেলা দেড়টার দিকে কেন্দ্রীয় নেতারা পৌঁছলে শহরের রাজবাড়ীর শিল্পকলা একাডেমি থেকে পদযাত্রা নিয়ে সমাবেশ স্থরে যান এনসিপি নেতাকর্মীরা। বেলা ১১টার সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয় প্রায় পৌণে ২টার দিকে। সমাবেশ শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এনসিপির রাঙামাটি জেলার আহবায়ক বিপিন জ্যোতি চাকমার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন দলটির কেন্দ্রীয় আহবায়ক নাহিদ ইসলাম। এতে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন, ডা. তাসনিম জারা। সমাবেশ পরিচালনা করেছেন মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে নাহিদ ইসলাম বলেন, আমরা পদযাত্রা নিয়ে প্রত্যেক সম্প্রদায়, জাতিগোষ্ঠীর নিকট প্রত্যেক জনপদে যাচ্ছি। পার্বত্য চট্টগ্রামে নানা বিভাজন, অশান্তি জিইয়ে রেখে কিছু গোষ্ঠী নিজেদের সুবিধা ও স্বার্থ হাসিল করে নিতে চাই। আমরা তাদের সেই সুযোগ দিতে চাই না। মুজিববাদী সংবিধানে এ দেশের সব জনগোষ্ঠীকে সম্পৃক্ত করা হয়নি। তাই সেই সংবিধানের প্রতিবাদ করেছিলেন পার্বত্য অঞ্চলের নেতা মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমা। আমরা নতুন বাংলাদেশের নতুন সংবিধানে সব জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্তি চাই। এজন্য মুজিববাদী সংবিধান বাতিল করে সবার সংবিধান চাই। পার্বত্য চট্টগ্রামে যে বিভেদ, অশান্তি জিইয়ে রাখা হয়েছে তা দূর করতে হবে। তাই মুসলিম, হিন্দু, চাকমা, মারমা, ত্রিপুরাসহ সব জাতিগোষ্ঠীকে একত্রে ঐক্যবদ্ধ হয়ে লড়াই করতে হবে।  আমরা সব জাতিগোষ্ঠীর সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যরে পার্বত্য চট্টগ্রাম গড়তে চাই। সৌহার্দ্যরে নতুন বাংলাদেশ গড়তে চাই। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যেও এমন সৌহার্দ্য গড়ে তুলতে হবে।

সারজিস আলম বলেন, আমরা দেখেছি রাষ্ট্র কাঠামোতে কোনো আমলা, কর্মকর্তা, কর্মচারী দুর্নীতি-অপরাধ করলে তাকে শাস্তিমূলক হিসাবে পাবত্য চট্টগ্রামে বদলি করা হয়। কিন্তু এতে সেই দুর্নীতিবাজরা পার্বত্য এলাকায় গিয়ে আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে। এটা হবে কেন।  দুর্নীতিবাজ যেখানে যায় সেখানে অপরাধে জড়াবে। তাই তাকে আইনের আওতায় আনতে হবে। পাহাড়কে যাতে কেউ ব্যক্তিস্বার্থে ব্যবহার করতে না পারে সেদিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে। বক্তব্যে শ্লোগান তুলে ধরে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, এই মুহূর্তে দরকার, বিচার এবং সংস্কার, পাহাড় থেকে সমতলে লড়াই হবে একসাথে। আমরা পাহাড় এবং সমতলে সব জাতিগোষ্ঠীর মানুষ সম্প্রীতি-সোহার্দ্য নিয়ে একত্রে বসাবাস করতে চাই।

ডা. তাসনিম জারা বলেন, সবাইকে নিয়ে নতুন বাংলাদেশ গড়তে চাই আমরা। সেখানে কোনো বৈষম্য থাকবে না। সবার অধিকার সংরক্ষিত থাকবে।

সামান্তা শারিমন বলেন, আমরা ধর্ম, জাতির বিভেদ করব না। প্রত্যেক ধর্ম, বর্ণ, জাতির মানুষ শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করবে সেটাইল মূল লক্ষ্য।

সর্বশেষ - আইন ও অপরাধ

আপনার জন্য নির্বাচিত

লংগদুতে প্রশিক্ষণ শেষ করা শিক্ষার্থীদের মাঝে কম্পিউটার সনদ বিতরণ

পাহাড় নিয়ে ষড়যন্ত্র বন্ধ করা ও শিক্ষক হত্যার প্রতিবাদে সভা পিসিসিপি’র 

কাপ্তাই ইউএনও অফিসে বিদায় সংবর্ধনা

কাপ্তাই জাতীয় উদ্যানে ১১ ফুট দৈর্ঘ্যের অজগর অবমুক্ত  

রাঙামাটিতে মাসব্যাপী বাণিজ্য মেলা শরু হচ্ছে ৩০ সেপ্টেম্বর

পানছড়ি বাজার বয়কটের মেয়াদ বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত

রাঙামাটিতে একুশে পদক প্রাপ্ত আলোকচিত্রী পাভেল রহমানের চিত্রকর্ম প্রদর্শনী

রাঙামাটি জেলা মহিলা দলের কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত

রাঙামাটি আনসার ও হিল ভিডিপি সদস্যদের মাঝে ঈদের উপহার সামগ্রী বিতরণ

বিলাইছড়িতে তথ্য অফিসের শিশু অধিকার বিষয়ক ওরিয়েন্টেশন

error: Content is protected !!
%d bloggers like this: