আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আজ রোববার পর্যন্ত ২৯৯-পার্বত্য রাঙামাটি আসনে মনোনয়পত্র কিনেছেন ১২ প্রার্থী। তাদের মধ্যে স্বতন্ত্র রয়েছেন দুইজন। প্রার্থীরা হলেন বিএনপির অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান, বিকল্প হিসাবে তার সহধর্মিনী মৈত্রী চাকমা, জামায়াতের অ্যাডভোকেট মোখতার আহাম্মদ, জুঁই চাকমা (বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি), জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রিয় চাকমা, খেলাফত মজলিশের আবু বক্কর ছিদ্দিক, জাতীয় পার্টির অশোক তালুকদার, জাকের পার্টির আবদুল হক মিয়া, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর (চরমোনাই পীর) জসিম উদ্দীন, গণঅধিকার পরিষদের আবুল বাশার বাদশা এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী বাপ্পী চাকমা ও পহেল চাকমা। প্রার্থীদের মধ্যে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন জুঁই চাকমা ও অশোক তালুকদার। বাকিরা শেষ দিন জমা দেবেন বলে জানা যায়।
এদিকে ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারির আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে না আঞ্চলিক দল পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস)। দলটির কেন্দ্রীয় কমিটির সর্বশেষ অনুষ্ঠিত নির্বাচন সংক্রান্ত এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন তথ্য, প্রচার ও প্রকাশনা বিভাগের সম্পাদক সজীব চাকমা।
তিনি জানান, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে তিনটি সংসদীয় আসন বান্দরবান, রাঙামাটি ও খাগড়াছড়িতে প্রতিদ্বন্ধিতার জন্য জেএসএস নেতাকর্মীদের একটি অংশ আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন। তবে কেন্দ্রীয় পর্যায়ের শীর্ষ নেতারা দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক বাস্তবতা, নির্বাচনকালীন পরিবেশ এবং অতীত অভিজ্ঞতার আলোকে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিষয়টি নিয়ে দ্বিধাদ্বন্ধে ছিলেন। এ অবস্থায় জরিপ করে নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মতামত নেওয়া হয়। এতে বেশির ভাগ নেতাকর্মী ও সমর্থক নির্বাচনে প্রতিদ্বন্ধিতা না করার পক্ষে অবস্থান নেন। তাদের মতামতের প্রতি সম্মান জানিয়ে কেন্দ্রীয় নেতারা নির্বাচনে প্রার্থী না দেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেন।
উল্লেখ্য, ২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে রাঙামাটি আসনে জেএসএস-এর মনোনয়নে প্রতিদ্বন্ধিতা করলে আওয়ামী লীগ প্রার্থী দীপংকর তালুকদারের কাছে অল্প ভোটে হেরে যান ঊষাতন তালুকদার। ২০১৪ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দীপংকরকে বিপুল ভোটে পরাজিত করে নির্বাচিত হন ঊষাতন।


















