সোমবার , ৯ মার্চ ২০২৬ |
  1. জাতীয়
  2. রাঙামাটি
  3. খাগড়াছড়ি
  4. বান্দরবান
  5. পর্যটন
  6. এক্সক্লুসিভ
  7. রাজনীতি
  8. অর্থনীতি
  9. এনজিও
  10. উন্নয়ন খবর
  11. আইন ও অপরাধ
  12. ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী
  13. চাকরির খবর-দরপত্র বিজ্ঞপ্তি
  14. অন্যান্য
  15. কৃষি ও প্রকৃতি
  16. প্রযুক্তি বিশ্ব
  17. ক্রীড়া ও সংস্কৃতি
  18. শিক্ষাঙ্গন
  19. লাইফ স্টাইল
  20. সাহিত্য
  21. খোলা জানালা

পার্বত্য অঞ্চলে উন্নয়নের সমন্বয় ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে: পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান

প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
মার্চ ৯, ২০২৬ ৭:৪৬ অপরাহ্ণ

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এমপি বলেছেন, পার্বত্য অঞ্চলের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে কার্যকর সমন্বয় থাকা জরুরি। সমন্বয় থাকলে কাজের অপচয় রোধ হয় এবং গুণগত মান নিশ্চিত হয়, যা সরাসরি সাধারণ মানুষের কল্যাণে আসে। তিনি উন্নয়ন কাজে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং সরকারি সম্পদের সাশ্রয়ী ব্যবহারের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

আজ (সোমবার) রাজধানীর বেইলি রোডে পার্বত্য চট্টগ্রাম কমপ্লেক্স অডিটোরিয়ামে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন সংস্থাসমূহ কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পসমূহের জানুয়ারি ২০২৬ মাসের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) পর্যালোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

সমন্বয় ও কৃচ্ছতা সাধনের আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এমপি বলেন, রাস্তাঘাট বা অবকাঠামো নির্মাণে এলজিইডি, জেলা পরিষদ ও উন্নয়ন বোর্ড আলাদাভাবে কাজ করে। এসব কাজের মধ্যে সঠিক সমন্বয় না থাকলে উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হয় এবং অনেক সময় বরাদ্দকৃত টাকা ফেরত যায়। আমাদের প্রতিটি কাজে কৃচ্ছতা সাধন করতে হবে। মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এমপি গুরুত্বের সাথে বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশব্যাপী যে মিতব্যয়িতা ও সম্পদ সাশ্রয়ের ঘোষণা দিয়েছেন, আমাদের তা অক্ষরে অক্ষরে পালন করতে হবে। তিনি রুলস অব বিজনেস মেনে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও প্রকৌশল খাতের কাজগুলো তদারকি করার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন।

১৮০ দিনের কর্মসূচি বাস্তবায়নে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি বলেন, বর্তমান সরকারের প্রধান লক্ষ্য হলো নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী ১৮০ দিনের কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়ন করা। কোনো কাজই ফেলে রাখা যাবে না। আজকের কাজ আজই শেষ করতে হবে। প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল আরও বলেন, মন্ত্রণালয়ের কাজে কোনো ধরনের গড়িমশি সহ্য করা হবে না। আমরা চাই প্রতিটি প্রকল্প সততার সাথে শেষ হোক। প্রয়োজনে আকস্মিক পরিদর্শনের (সারপ্রাইজ ভিজিট) মাধ্যমে কাজের মান যাচাই করা হবে।

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমান প্রকল্পের ব্যয়ের সার্বিক অগ্রগতিতে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি জানান, জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত ব্যয়ের অগ্রগতি ১৬.৯৪%, যা জাতীয় গড় অগ্রগতির (২১.১৮%) চেয়ে পিছিয়ে। নির্বাচনের কারণে কাজের গতি কিছুটা কমলেও এখন দ্রুততার সাথে লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের তৎপর হওয়ার নির্দেশ দেন তিনি।

সভায় জানানো হয়, ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (আরএডিপি) এ মন্ত্রণালয়ের অনুকূলে মোট ৮৭২ কোটি ৪০ লাখ ৭৯ হাজার টাকা বরাদ্দ রয়েছে। এর মধ্যে জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত ২৫৮ কোটি ৫৭ লাখ ২২ হাজার টাকা ছাড় করা হয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. মনিরুল ইসলামের উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কৃষিবিদ কাজল তালুকদার, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেফালিকা ত্রিপুরাসহ মন্ত্রণালয় ও আওতাধীন সংস্থাসমূহের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

সর্বশেষ - আইন ও অপরাধ

আপনার জন্য নির্বাচিত

বিলাইছড়িতে পালবার লিংক সেন্টার পরিদর্শন করলেন ইউএনও তানভীর

বিদ্যুৎ সেবায় চরম হয়রানি, লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ জনজীবন

বন্যহাতির তান্ডবে ক্ষতিগ্রস্ত কাপ্তাই পুলিশ সার্কেল অফিসের ব্যারাকঘর

বান্দরবানে সাংগ্রাই উৎসবে বুদ্ধমূর্তি স্নান

মাতৃভাষা দিবসে রীদিসুদোম জধার ভাষা সংগীত প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত

রামগড়ে ইয়াবাসহ পরোয়ানাভুক্ত আসামী গ্রেফতার

বিলাইছড়িতে UDCC সদস্যদের সমন্বয় সভা

কাপ্তাইয়ে পুষ্টি পরিকল্পনা প্রণয়ন বিষয়ক সভা

পার্বত্য চুক্তি পরবর্তী জুরাছড়িতে ২৫টির অধিক রাজনৈতিক হত্যাকান্ড

কাপ্তাই হ্রদের মহালছড়ি অংশে অনির্দিষ্টকালের জন্য মাছ ধরা বন্ধ রেখেছেন মৎস্যজীবিরা

error: Content is protected !!
%d bloggers like this: