রাঙামাটিতে এবিসি ক্লিনিক, প্যানাসিয়া ও অনুমোদনহীন বনরূপা ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ৯০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের ভ্রাম্যমাণ আদালত। মেয়াদোত্তীর্ণ রিএজেন্ট ও ঔষধ রাখা, অন্যত্র থেকে রিপোর্ট করিয়ে আনা, মূল্যতালিকা না থাকা ও অসঙ্গতি এবং যথাযথ ডকুমেন্টস মেইনটেইন না করার দায়ে এ অর্থদন্ড দেয়া হয়েছে। অভিযানে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রট, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও সিভিল সার্জনের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।
আজ (মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর) বিকেলে রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতাল এলাকা ও বনরূপায় এই তিন ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতাল এলাকায় এবিসি ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে মেয়াদোত্তীর্ণ রিএজেন্ট ও ঔষধ রাখা, অন্যত্র থেকে রিপোর্ট করিয়ে আনা, মূল্যতালিকায় অসঙ্গতি এবং যথাযথ ডকুমেন্টস মেইনটেইন না করার দায়ে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। এর আগেও একাধিকবার এই ক্লিনিককে বিভিন্ন অপরাধে জরিমানা গুনতে হয়েছে।
এছাড়া শতাধিক পরীক্ষার সাইনবোর্ড ঝুলানো হলেও বনরূপা ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে অনুমোদন না থাকা, রোগ নির্ণয়ের যন্ত্রপাতি না থাকা, অন্যত্র থেকে রিপোর্ট করিয়ে আনা ও মূল্যতালিকা না থাকা এবং মধ্যস্বত্বভোগীর দায়ে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। একইসাথে বনরূপা ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে স্বেচ্ছায় বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এদিকে একই অপরাধের দায়ে প্যানাসিয়া ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায় ও সতর্ক করা হয়েছে।
অভিযানে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের উপপরিচালক মোহাম্মদ ফয়েজ উল্যাহ, সহকারী পরিচালক রানা দেব নাথ, রাঙামাটি সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আল-মুনতাসির মামুন মনি এবং সিভিল সার্জন কার্যালয়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
উপপরিচালক মোহাম্মদ ফয়েজ উল্যাহ বলেন-‘অভিযানে বিভিন্ন অপরাধের দায়ে তিনটি প্রতিষ্ঠানকে ৯০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। একইসাথে প্রতিষ্ঠানগুলোকে স্বাস্থ্যসেবা ও ভোক্তা অধিকার সংক্রান্ত নিয়ম-কানুন যথাযথভাবে মেনে চলার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে’।


















