সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় ও সমাজসেবা অধিদপ্তরের উদ্যোগে এবং ‘ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম’ এর আওতায় দেশব্যাপী একযোগে পরিবারভিত্তিক খানা (পরিবার) তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরুর অংশ হিসেবে রাঙ্গামাটির কাউখালীতে এক অবহিতকরণ প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়েছে।
“ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল একক” এবং “স্বাবলম্বী পরিবার গড়ার প্রতিশ্রুতি” — এই মূল প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের দেশব্যাপী তথ্য সংগ্রহ প্রক্রিয়া সুচারুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে এই সভার আয়োজন করা হয়েছে।

প্রেস কনফারেন্সে জানানো হয় কাউখালী উপজেলার প্রতিটি এলাকায় ঘরে ঘরে গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করে প্রকৃত সুবিধাভোগী নির্বাচন করা হবে। এতে কোন প্রকার অন্যায় অনিয়ম সহ্য করা হবে না। এছাড়া সরকারের যুগান্তকারী এ কার্যক্রম নিয়ে কোন প্রকার গুজব বা অপতথ্য ছড়াতে না পারে সেদিকে সতর্ক থাকতে হবে।
সোমবার(১২ অক্টোবর) দুপুর ২:০০ টায় কাউখালী উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, আজ থেকে দেশব্যাপী একযোগে সব এলাকায় প্রশিক্ষিত তথ্য সংগ্রহকারীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ডিজিটাল ডিভাইস বা ট্যাবের মাধ্যমে প্রতিটি পরিবারের আর্থসামাজিক অবস্থার সঠিক তথ্য সংগ্রহ করবেন। প্রান্তিক ও অসচ্ছল পরিবারগুলোর প্রকৃত অবস্থা বিশ্লেষণের মাধ্যমে কারা সরকারি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় অগ্রাধিকার পাবেন, তা এই খানা তথ্যভান্ডারের মাধ্যমে নিখুঁতভাবে নির্ধারণ করা হবে।
তথ্য সংগ্রহের সময় প্রবীণ ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিসহ পরিবারের সঠিক ডেটা নিশ্চিত করতে এবং কোনো ধরনের ভুল বা অতিরঞ্জিত তথ্য না দিয়ে তথ্য সংগ্রহকারীদের সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
কাউখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ রাজীব হোসেনের সভাপতিত্বে অনুস্টিত প্রেস কনফারেন্সে অন্যান্যর মধ্যে উপস্থিত থেকে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন কাউখালী উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোঃ শাহাবুদ্দিন হোসাইন,সহকারী কমিশনার (ভুমি) আওয়ালীন খারেক।
এসময় অন্যান্যর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য পাইচিং মং মারমা,কাউখালী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ ইদ্রিস, কাউখালী উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাতক আব্দুল মোতালেব,সহ-সভাপতি অর্জুন মনি চাকমা,সংসদ সদস্যর প্রতিনিধি মোঃ শওকত হোছাইন,কাউখালী উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তা,বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ,ইউপি চেয়ারম্যান, তথ্য সংগ্রহকারী, সুপারভাইজার, এবং স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি সম্পর্কে সর্বস্তরের মানুষের মাঝে সচেতনতা তৈরিতে ইতোমধ্যে ইসলামিক ফাউন্ডেশন এবং ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের মাধ্যমে দেশের সকল মসজিদ, মন্দির ও গির্জায় ব্যাপক প্রচারের নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। কাউখালী উপজেলার চারটি ইউনিয়নে তথ্য সংগ্রহকারী ২৫ জন,সুপার ভাইজার ২ জন নিয়োগ করা হয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে ১৫ জনকে তথ্য সংগ্রহ করার জন্য ট্যাব প্রদান করা হয়েছে।


















