মঙ্গলবার , ২৯ মার্চ ২০২২ | ৮ই বৈশাখ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
  1. জাতীয়
  2. রাঙামাটি
  3. খাগড়াছড়ি
  4. বান্দরবান
  5. পর্যটন
  6. এক্সক্লুসিভ
  7. রাজনীতি
  8. অর্থনীতি
  9. এনজিও
  10. উন্নয়ন খবর
  11. আইন ও অপরাধ
  12. ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী
  13. চাকরির খবর-দরপত্র বিজ্ঞপ্তি
  14. অন্যান্য
  15. কৃষি ও প্রকৃতি
  16. প্রযুক্তি বিশ্ব
  17. ক্রীড়া ও সংস্কৃতি
  18. শিক্ষাঙ্গন
  19. লাইফ স্টাইল
  20. সাহিত্য
  21. খোলা জানালা

সেনাবাহিনীর অভিযানে রাজস্থলীতে সেগুন কাঠ জব্দ

প্রতিবেদক
প্রতিনিধি, রাজস্হলী, রাঙামাটি
মার্চ ২৯, ২০২২ ৮:২৮ অপরাহ্ণ

 

রাঙামাটি জেলার রাজস্থলী উপজেলার ২নং গাইন্দ্যা ইউনিয়নের তুলাছড়ি পাড়া এলাকা থেকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেনাবাহিনী অভিযান চালিয়ে সাড়ে তিন লাখ টাকার অবৈধ সেগুন কাঠ জব্দ করেছে। কাপ্তাই জোন অটল ৫৬ বেঙ্গলের অধীনে রাজস্থলী ক্যাম্পের সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার আশরাফুল ইসলামের নেতৃত্বে ২৮ মার্চ (সোমবার) সন্ধ্যা ৭ ঘঠিকার সময় অভিযান চালিয়ে ১৭৩.৮৬ ঘন ফুট অবৈধ এই সেগুন গোল কাঠ আটক করতে সক্ষম হয়।

এলাকাবাসী ও বন বিভাগের সূত্রে জানা যায়, রাজস্থলী উপজেলার তুলাছড়ি এলাকায় রাতের আঁধারে পাচারের উদ্দেশ্যে কাঠ গুলো পরিবহন যোগে পাচারের উদ্যােশে স্তুপ করা হলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেগুনের গোল কাঠগুলো আটক করেছে সেনাবাহিনী।

এ দিকে সেনাবাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে কাঠ পাচারকারিরা পালিয়ে যায়। আটক কৃত কাঠের আনুমানিক মূল্য সাড়ে তিন লক্ষ টাকা হবে বলে জানা গেছে।

কাঠ পাচার রোধের বিষয়ে কথা হলে বন বিভাগের দায়িত্বরত রাজস্থলী সদর রেঞ্জ অফিসার মুসতাফিজুর রহমান বলেন, আমাদের লোকবল সংকটের কারণে কাঠ পাচার রোধ করা সম্ভব হচ্ছে না। তবে প্রতিদিন কাঠ পাচার রোধ অব্যাহত থাকবে। আটককৃত কাঠ গুলো সেনাবাহিনীর মাধ্যমে রাজস্থলী সদর রেঞ্জে হস্তান্তর করা হয়েছে ও আটককৃত কাঠ ব্যবসার সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে বন মামলা দায়ের প্রস্তুতি চলছে বলে রেঞ্জ কর্মকর্তা জানান।

এদিকে দীর্ঘ দিন ধরে সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে অবৈধ কাঠ পাচারকারীরা রাজস্থলীর তাইতংপাড়া, কুটির শিল্প এলাকা, বড়ইতলি হাজীপাড়া, তালুকদার পাড়া সহ বিভিন্ন এলাকা থেকে গাছ সংগ্রহ করে ইসলামপুর জামতালা হয়ে টেংখালী, শফিপুর উপরের মসজিদ রোড হয়ে রমতিয়া পাড়া সড়ক দিয়ে প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ টাকার মুল্যবান অবৈধ সেগুনের গোল কাঠসহ বিভিন্ন প্রজাতির রদ্দা পাচার করে আসছে। কাঠ পাচার রোধ করা সম্ভব না হলে অদুর ভবিষ্যতে পার্বত্য অঞ্চলের পরিবেশ রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়বে। এতে কোন সন্দেহ নেই। ফলে বন বিভাগের লোকবল সংকট নিরসন করে বন রক্ষার্থে জরুরী হয়ে পড়েছে বলে মনে করছেন স্হানীয় বাসিন্দারা।

সর্বশেষ - আইন ও অপরাধ

আপনার জন্য নির্বাচিত
%d bloggers like this: