বুধবার , ১২ নভেম্বর ২০২৫ |
  1. জাতীয়
  2. রাঙামাটি
  3. খাগড়াছড়ি
  4. বান্দরবান
  5. চট্টগ্রাম
  6. আইন ও অপরাধ
  7. রাজনীতি
  8. পর্যটন
  9. ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী
  10. এক্সক্লুসিভ
  11. অর্থনীতি
  12. এনজিও
  13. চাকরির খবর-দরপত্র বিজ্ঞপ্তি
  14. উন্নয়ন খবর
  15. ক্রীড়া ও সংস্কৃতি
  16. খোলা জানালা
  17. কৃষি ও প্রকৃতি
  18. প্রযুক্তি বিশ্ব
  19. শিক্ষাঙ্গন
  20. লাইফ স্টাইল
  21. সাহিত্য
  22. অন্যান্য

খুটাখালীতে নির্মানাধিন ২ বসতঘর গুড়িয়ে দিল বনবিভাগ

প্রতিবেদক
সেলিম উদ্দীন, কক্সবাজার
নভেম্বর ১২, ২০২৫ ১১:২০ অপরাহ্ণ

কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের ফুলছড়ি রেঞ্জের খুটাখালী বনবিট এলাকায় বন বিভাগের জায়গা দখল করে নির্মানাধিন ২ বসতঘর গুড়িয়ে দিল বনবিভাগ।

১২ নভেম্বর (বুধবার)  সকালে চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী ইউনিয়নের সেগুনবাগিচায় বিট কর্মকর্তা নাজমুল ইসলামের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় সদ্য নির্মানাধিন স্থানীয় ফরিদুল আলম ও মাঈনুদ্দীনের পাকা বসতঘর গুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। অভিযানে বনবিটের এফজি, হেডম্যান, ভিলেজার ও পাহারা দলের সদস্যরা অংশ নেন।

বনবিভাগ সুত্রে জানা গেছে, বর্নিত এলাকার ফরিদ ও মাঈননুদ্দীন বনের জমি দখল করে বসতঘর নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।  বিষয়টি বনবিভাগের নজরে আসলে প্রাথমিকভাবে তাদের বাঁধা দেয় এবং স্থানীয়রা তাদের পিছু নেয়।

সর্বশেষ কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোঃ মারুফ হোসেনের নির্দেশে বুধবার সকালে বিট কর্মকর্তা মোঃ নাজমুল ইসলাম সংগীয় ফোর্স নিয়ে ঐ এলাকায় অভিযান চালায়। এসময় নির্মানাধিন ২ টি বসতঘর গুড়িয়ে দেয়া হয়।

অভিযোগ উঠেছে, ঐ এলাকায় লোকজন দীর্ঘদিন ধরে বসতি করে আসলেও স্থানীয়দের পারিবারিক বিরোধের কারনে বারবার বলির পাঁঠা হচ্ছেন সাধারন মানুষ। তাদের সাথে বনবিভাগের দ্বন্দ্ব লেগেই আছে। এমনকি স্থানীয় অনেকে মামলা হামলার শিকারও হয়েছেন।

তবে ফরিদ এবিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বসতঘর নির্মাণ করেছি সত্য। কিন্ত আরো অনেকে বন বিভাগের জায়গায় এভাবে বসতঘর নির্মাণ করেছেন। আমি  আংশিক জায়গায় ঘর নির্মাণ করেছি। তাও বনবিভাগের লোকজন বাধা দেওয়ার কারনে কাজ বন্ধ রেখেছি। আমি ও চাই বন বিভাগের জায়গা থেকে সকলে উচ্ছেদ হউক।

খুটাখালী বনবিট কর্মকর্তা মোঃ নাজমুল ইসলাম অভিযানের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বনবিভাগের জায়গায় ঘর বাধার বিষয়টি উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। পাশাপাশি তাদেরকে নিষেধও করা হয়েছে। নিষেধ অমান্য করায় বসতঘর গুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত বিষয় প্রক্রিয়াধিন রয়েছে।

ফুলছড়ি রেঞ্জ কর্মকর্তা রাশিক আহসান বলেন, যে সব লোকজন বনবিভাগের জায়গা দখল করে বসত ঘর নির্মানের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে এবং দখল করেছেন, তাদের তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। অচিরেই তাদের বিরুদ্ধে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশ মতে অভিযান চালানো হবে।

সর্বশেষ - আইন ও অপরাধ

আপনার জন্য নির্বাচিত

অভিনেতা রনজিত মল্লিকের দিন কাটছে যেভাবে

পাহাড়ে সশস্ত্র সংগঠনে বাঙালি যুবকদের সম্পৃক্ততা: ঝুঁকি, কারণ ও করণীয়

দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে রুমায় বিএনপির বিক্ষোভ

কাপ্তাইয়ে হাতির আক্রমনে এক নারীর মৃত্যু 

রাঙামাটি জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী অধিদপ্তরে দুদকের অভিযান

গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনে আদিবাসী শব্দ ব্যবহারের প্রতিবাদে রাঙামাটিতে বিক্ষোভ

বিলাইছড়িতে অসহায় ৬ পরিবারের পাশে ইউএনও অভি দাশ

পার্বত্য চট্টগ্রামের তরুণ মেধাবী জনগোষ্ঠীকে কম্পিউটার ও আইসিটি বিষয়ে প্রশিক্ষিত করা হবে-নিখিল কুমার চাকমা

চিকিৎসকের সই জালিয়াতি করে ল্যাব রিপোর্ট, বন্ধ ঘোষণা ‘রাঙামাটি পপুলার হসপিটাল’

তারেক রহমানের নির্দেশে উক্যছাইয়ের পরিবারের পাশে কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দল

error: Content is protected !!
%d bloggers like this: