বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ ধর্মবিষয়ক সম্পাদক ও ২৯৯ নং রাঙ্গামাটি আসনের ধানের শীষের প্রার্থী এডভোকেট দীপেন দেওয়ান বলেছেন, ‘বাংলাদেশ রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের নাম হলো বেগম খালেদা জিয়া। ব্যক্তিগতভাবে তিনি ছিলেন অসাধারণ দৃঢ়চেতা কঠিন সময়েও চরম ধৈর্যের পরিচয় দিয়েছেন, তিনি ছিলেন বিচক্ষণ।’ খালেদা জিয়ার সেই আর্দশকে বুকে ধারন করে আমাদেরকে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। তিনি আরো বলেছেন বেগম খালেদা জিয়া সাধারণ রাজনীতিবিদ ছিলেন না, ছিলেন রাজনৈতিক আদর্শ। বাংলাদেশে সামরিক এবং বেসামরিক স্বৈরতন্ত্র বিরোধী সংগ্রামে তার অবদান অনন্য। দেশপ্রেমকে তিনি আজীবন লালন করেছেন। তিনি বলতেন, ‘বিদেশে আমাদের বন্ধু আছে, কিন্তু প্রভু নেই, দেশই আমার আসল ঠিকানা’। এ কারণেই শেষযাত্রায় মানুষের এত ভালোবাসা পেয়েছেন, যা দেশের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

দীপেন দেওয়ান খালেদা জিয়ার সেই আর্দশকে বুকে ধারন করে তারেক জিয়ার নেতৃত্বে আগামী দিনে সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার আহবান জানিয়েছেন। তিনি শনিবার (১৭ জানুয়ারী) দুপুরে কাউখালীতে উপজেলা বিএনপি ও অংগ সংগঠনের উদ্যোগে বিএনপির চেয়ারপারসন সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় খতমে কোরআন দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখছিলেন।
কাউখালী উপজেলা বিএনপির সভাপতি জাহাঙ্গীর হোসেনের সভাপতিত্বে ও সাধারন সম্পাদক আব্দুল মোতালেবের সঞ্চলনায় অনুস্টিত আলোচনা সভায় মরহুম বেগম খালেদা জিয়ার স্মৃতিচারন করে অন্যান্যর মধ্যে বক্তব্য রাখেন রাঙ্গামাটি জেলা বিএনপির সহ সভাপতি সাইফুল ইসলাম চৌধুরী ভূট্রো মহিউদ্দিন আহমেদ, সাধারন সম্পাদক এডভোকেট মামুনুর রশিদ, সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম সাকিল স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, কোষাধ্যক্ষ জসিম উদ্দিন, প্রচার সম্পাদক ও জাসাস সভাপতি কামাল উদ্দিন, জেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ন সম্পাদক নাজিম উদ্দিন, তালুকদার, জেলা কৃষকদলের সাধারন সম্পাদক মোঃ রবিউল ইসলাম বাবলু, জেলা তাতী দলের আহবায়ক মোঃ শফি, কাউখালী উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি অর্জুন মনি চাকমা, সাজাই মং মারমা, সাংগঠনিক সম্পাদক আবু বক্কও তারা মিয়া, শওকত হোসেন, যুবদল নেতা ইসমাইল হোসেন, মহিলা দলের নেত্রী ফেরদৌসি আক্তার ও বর্না চাকমা, ছাত্রদলের আহবায় তারেক হাসানসহ বিভিন্নস্তরের নেতাকর্মী।

আলোচনা সভায় অন্যান্য বক্তারা বলেছেন, জাতির এই ক্রান্তি লগ্নে বেগম খালেদা জিয়ার উপস্থিতি, পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন ছিল, তখনই তিনি আমাদের ছেড়ে চলে গেলেন। কিন্তু তার আদর্শ চির অম্লান। এ দেশের মানুষ অনন্তকাল তাকে শ্রদ্ধা-ভালোবাসায় স্মরণ করবেন। কারণ যদি বাংলাদেশকে ভালো থাকতে হয়, তাহলে বেগম খালেদা জিয়াকে ধারণ করতে হবে। তার আদর্শই হবে আগামীর বাংলাদেশের চালিকাশক্তি। বিগদ স্বৈরশাসক বেগম জিয়াকে শুধু অসন্মানই করেননি তিনি যেন ধুকে ধুকে মৃত্যুবরন করেন তার সবই করেছে। সন্মান দেয়ার মালিক আল্লাহ। সে সন্মানের কারনেই দেশনেত্রীর মৃত্যুর পরই গোটা বিশ্ব দেখেছে কিভাবে সন্মান পাওয়া যায়। বক্তারা মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শকে ধারন করে আগামীর বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্নের কারিগর তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করার জন্য সকলকে সন্মিলিতভাবে এগিয়ে আসার আহবান জানান।


















