রবিবার , ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ১২ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
  1. জাতীয়
  2. রাঙামাটি
  3. খাগড়াছড়ি
  4. বান্দরবান
  5. পর্যটন
  6. এক্সক্লুসিভ
  7. রাজনীতি
  8. অর্থনীতি
  9. এনজিও
  10. উন্নয়ন খবর
  11. আইন ও অপরাধ
  12. ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী
  13. চাকরির খবর-দরপত্র বিজ্ঞপ্তি
  14. অন্যান্য
  15. কৃষি ও প্রকৃতি
  16. প্রযুক্তি বিশ্ব
  17. ক্রীড়া ও সংস্কৃতি
  18. শিক্ষাঙ্গন
  19. লাইফ স্টাইল
  20. সাহিত্য
  21. খোলা জানালা

কাপ্তাইয়ে সরকারি আগর বনায়নের গাছ কেটে জায়গা দখলের অভিযোগ 

প্রতিবেদক
প্রতিনিধি, কাপ্তাই, রাঙামাটি
ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬ ১২:৩০ অপরাহ্ণ

বন বিভাগের ঝুম নিয়ন্ত্রণ বন বিভাগের আওতাধীন রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার ৪ নং কাপ্তাই ইউনিয়ন এর দূর্গম ১৩০ নং  বারুদ গোলা মৌজার

কুতুবদিয়া রেঞ্জের  হরিণছড়া বিট এলাকায় সরকারি অংশীদারিত্বের  আগর  বনায়নের গাছ  কর্তন করে ৫ একর জায়গা  দখলের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

শনিবার  (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে   ১১৯ নং ভাইয্যাতলী মৌজার হেডম্যান থোয়াই অং মারমা এই প্রতিবেদককে বলেন, ঐ এলাকার  মায়ারাম চাকমা,  মংহলাপ্রু, বসন্ত কুমার তনচংগ্যা এবং  থোয়াই পা অং মারমার পরিবারগণ আমাকে জানান যে, ১৩০নং বারুদ গোলা মৌজার হেডম্যান কালাচান তনচংগ্যার ছেলে প্রেম কুমার তনচংগ্যার নেতৃত্বে কিছু লোক গত ১৫ ফেব্রুয়ারী হইতে ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ পর্যন্ত সরকারি অংশীদারিত্বে সৃজিত ৫ একর   আগর বনায়নের গাছগুলোর  জুম কর্তন করে জায়গাটির জবর দখল করে নেন। আমি গতকাল  শুক্রবার  (২০শে ফেব্রুয়ারী)  সরজমিনে ঐ এলাকায় গিয়ে এর সত্যতা পাই এবং  ছবি তুলে নিয়ে আসি। তিনি আরোও বলেন, কাগজপত্র দেখে জানতে পারলাম যে,  ২০০৮ সালে ঝুম নিয়ন্ত্রণ বন বিভাগ হতে  বারুদ গোলা মৌজার কুতুবদিয়া রেঞ্জের  হরিণছড়া বিট এলাকায়  ১০ জন পাহাড়ি ও বাঙালি  সরকারি অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে   আগর  বনায়ন সৃজন করে । যার ফলে  পাহাড়ি -বাঙালি  পরিবারের মধ্যে চরম ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। তাঁরা  আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। এই ব্যাপারে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার  বন বিভাগের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।

এদিকে শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে যোগাযোগ করা হলে ১৩০নং বারুদ গোলা মৌজার হেডম্যান কালাচান তনচংগ্যা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, জায়গাটি আমার। ২০০৮ সালে জুম নিয়ন্ত্রণ বন বিভাগের সাথে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে পাহাড়টি স্থানীয় ১০ জন পাহাড়ি – বাঙ্গালিকে দেওয়া হলেও চুক্তিভিত্তিতে  যার মেয়াদ ২০২০ সালে শেষ হয়ে গেছে।
ঝুম নিয়ন্ত্রণ বন বিভাগের রেঞ্জ অফিসার শাহজাহান আলীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বিষয়টি আমরা জেনেছি, জায়গাটি খুবই দূর্গম, আমি কালকে ঐ জায়গায় যাবো।

সর্বশেষ - আইন ও অপরাধ

error: Content is protected !!
%d bloggers like this: