‘দেশের বাইরে কৃষি পণ্য পাঠাতে পাসপোর্ট ভিসা লাগবে’ বলে জানিয়েছেন রাঙামাটি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ পরিচালক কৃষিবিদ অরুণ চন্দ্র রায়। বলেন-মানুষের মতোই দেশের বাইরে কৃষি পণ্য পাঠাতে পাসপোর্ট ভিসা লাগবে। আর তা বাস্তবায়ন করবে পার্টনার প্রকল্প। এজন্য গ্যাপ প্রটোকলভুক্ত ১৫টি ফসল নির্ধারণ করা হয়েছে। এবং কৃষকদের নিবন্ধন সহ সহ সার্বিক ব্যবস্থা করা হচ্ছে’।
রবিবার (৩ মে) রাঙামাটির কাউখালী উপজেলা পরিষদের হলরুমে অনুষ্ঠিত পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
কৃষিতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, উৎপাদন বৃদ্ধি এবং কৃষকদের আর্থিক উন্নয়নে রাঙামাটির কাউখালীতে পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয়েছে। নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টি এবং গ্রামীণ অর্থনীতিতে গতি সঞ্চার করাই এ প্রকল্পের মূল লক্ষ্য। দেশের কৃষিকে খোরপোষ পর্যায় থেকে বাণিজ্যিকীকরণ, খাদ্য ও পুষ্টিমান নিশ্চিতকরণ এবং জলবায়ু সহনশীল করে তুলতে ‘পার্টনার’ প্রোগ্রাম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে জানিয়েছেন কৃষি কর্মকর্তারা।
বিশ্বব্যাংক, ইউএনডিপি ও আইএফএডি-এর সহযোগিতায় প্রোগ্রাম অন এগ্রিকালচারাল অ্যান্ড রুরাল ট্রান্সফরমেশন ফর নিউট্রিশন এন্ড রেসিলিয়েন্স ইন বাংলাদেশ (পার্টনার) প্রকল্পের আওতায় এ কর্মসূচি চালু হয়।
কাউখালী উপজেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর আয়োজিত পার্টনার কংগ্রেসে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্ত মোঃ রাজিব হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন পার্টনার প্রকল্পের রাঙামাটি অঞ্চলের সিনিয়র মনিটরিং অফিসার কৃষিবিদ মো. শাহরিয়াজ বিশ্বাস।
বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. রাসেল সরকার, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আওয়ালীন খালেক, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা তৈয়ব নূর। অনুষ্ঠানে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবদুল মোতালেব সহ সরকারি কর্মকর্তা, কৃষক, সাংবাদিক ও উন্নয়নকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. রাসেল সরকার বলেন- কৃষির উৎপাদন বৃদ্ধি, নতুন জাতের সম্প্রসারণ, কৃষিপণ্যের বাজারজাতকরণ, খাদ্যের গুণগত মান বৃদ্ধি এবং নিরাপদ খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রান্তিক কৃষকদের মধ্যে কৃষি-তথ্য ছড়িয়ে দেওয়াসহ প্রযুক্তি ও কলাকৌশলের টেকসই সহায়তা প্রদান করা এই কংগ্রেসের মূল উদ্দেশ্য।


















