মঙ্গলবার , ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ |
  1. জাতীয়
  2. রাঙামাটি
  3. খাগড়াছড়ি
  4. বান্দরবান
  5. চট্টগ্রাম
  6. আইন ও অপরাধ
  7. রাজনীতি
  8. পর্যটন
  9. ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী
  10. এক্সক্লুসিভ
  11. অর্থনীতি
  12. এনজিও
  13. চাকরির খবর-দরপত্র বিজ্ঞপ্তি
  14. উন্নয়ন খবর
  15. ক্রীড়া ও সংস্কৃতি
  16. খোলা জানালা
  17. কৃষি ও প্রকৃতি
  18. প্রযুক্তি বিশ্ব
  19. শিক্ষাঙ্গন
  20. লাইফ স্টাইল
  21. সাহিত্য
  22. অন্যান্য

মরণফাঁদে পরিণত চন্দনাইশের হায়দার আলী সড়ক: তিন গ্রামের ৭ হাজার মানুষের অবর্ণনীয় দুর্ভোগ

প্রতিবেদক
মোহাম্মদ ওমর ফারুক, চন্দনাইশ, চট্টগ্রাম।
সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬ ১২:১৬ অপরাহ্ণ

​দক্ষিণ চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার ৫ নং বরমা ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও জনবহুল ‘হায়দার আলী সড়ক’ (কালীরহাট হয়ে বরমা ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন শেবন্দী ও শুক্লাম্বর দীঘি সংযোগ সড়ক) দীর্ঘ দিন ধরে চরম অবহেলা আর সংস্কারের অভাবে বেহাল অবস্থায় পড়ে আছে।

এই সড়কটি এখন চলাচলের প্রায় অনুপযোগী হয়ে পড়েছে, যার ফলে স্থানীয় তিন গ্রামের প্রায় ৭ হাজার মানুষ অবর্ণনীয় দুর্ভোগ ও ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। জনগুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি দ্রুত সংস্কার, পুনঃনির্মাণ ও পর্যাপ্ত সড়ক বাতি স্থাপনের জন্য স্থানীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব জসিম উদ্দিন আহমেদ মহোদয় ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে এলাকাবাসী জরুরি ও জোরালো হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

​স্থানীয় সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, ৫ নং বরমা ইউনিয়ন পরিষদ এবং উত্তর বাইনজুরী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশ দিয়ে প্রবাহিত এই সড়কটি পূর্ব বাইনজুরী, মহাজন পাড়া, রাউলিবাগ ও শেবন্দী গ্রামের মানুষের যাতায়াতের একমাত্র প্রধান ও নির্ভরযোগ্য পথ। প্রতিদিন এই রাস্তা দিয়ে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, ব্যবসায়ী, চাকরিজীবী, বয়োজ্যেষ্ঠ মানুষ এবং স্থানীয় সাধারণ মানুষসহ প্রায় ৭ হাজার মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করেন।

সরেজমিনে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে দেখা যায়, দীর্ঘদিন ধরে কোনো ধরনের সংস্কার কাজ না হওয়ায় পুরো সড়কজুড়ে বড় বড় গর্ত ও খানাখন্দ তৈরি হয়েছে। সামান্য বৃষ্টি হলেই এসব গর্তে পানি জমে রাস্তাটি মরণফাঁদে পরিণত হয়, যা পারাপারের সময় যেকোনো বড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি করে। বিশেষ করে রাতের অন্ধকারে এ সড়কে চলাফেরা করা অত্যন্ত বিপজ্জনক ও দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। জনবহুল এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কে কোনো ধরনের সড়ক বাতি (স্ট্রিট লাইট) না থাকায় রাতের বেলা চলাচলের সময় প্রতিনিয়ত ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটেই চলছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, কোনো গর্ভবতী নারী বা মুমূর্ষু রোগীকে জরুরিভিত্তিতে হাসপাতালে নেওয়ার প্রয়োজন হলে ভাঙাচোরা রাস্তা ও রাতের অন্ধকারে আলোর অভাবের কারণে যথাসময়ে চিকিৎসা কেন্দ্রে পৌঁছানো সম্ভব হয় না, যা অনেক সময় রোগীর জীবনকে হুমকির মুখে ফেলছে। এছাড়া, রিকশা, সিএনজি ও অন্যান্য যানবাহন চালকরাও রাতের আঁধারে গর্তে পড়ে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন এবং তাদের গাড়ির ক্ষতি হচ্ছে।

এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের অভিযোগ, বহুবার স্থানীয় পর্যায়ে জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরে যোগাযোগ করা হলেও সড়কটির ভাগ্যের কোনো পরিবর্তন হয়নি। জনদুর্ভোগ লাঘব এবং আধুনিক ও নিরাপদ যোগাযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে অবিলম্বে সড়কটিতে পর্যাপ্ত সড়ক বাতি স্থাপনসহ দ্রুত সংস্কার কাজ শুরুর কোনো বিকল্প নেই। জরুরি ভিত্তিতে সড়কটি পরিদর্শন করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, উপজেলা প্রশাসন এবং মাননীয় সংসদ সদস্য মহোদয়ের সুদৃষ্টি ও কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী। দ্রুত এই সড়কের সংস্কার কাজ শুরু হবে এবং আলোর ব্যবস্থা হবে—এমনটাই এখন তিন গ্রামের হাজারো মানুষের একমাত্র প্রত্যাশা।

সর্বশেষ - আইন ও অপরাধ

আপনার জন্য নির্বাচিত
error: Content is protected !!
%d bloggers like this: