বনের ভারসাম্য রক্ষায় হাতির বিকল্প নেই। হাতিকে বনের ইঞ্জিনিয়ারিং বলা হয়। ২০১৬ সালের তথ্য অনুয়ায়ী বাংলাদেশে ২৬৮টি হাতি আছে। কিন্তু নানা কারনে আজ হাতি বিলুপ্তের পথে। হাতি সুরক্ষায় সকলকে এগিয়ে আসতে হবে বলে মন্তব্য করেন বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কর্মকর্তা দীপান্বিতা ভট্টাচার্য। পার্বত্য চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগের আয়োজনে বন্যহাতি সুরক্ষায় কাপ্তাইয়ে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।
পার্বত্য চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগের আয়োজন বৃহস্পতিবার (২৭ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা হতে কাপ্তাইয়ে বনফুল রেস্ট হাউজে এই প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়। প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক মো. মাসুদ আলম।
এসময় তিনি বলেন, আমরা হাতিকে বিরক্ত করবো না।হাতি আমাদের প্রাকৃতিক বন সৃজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। হাতি মানুষ দ্বন্দ্ব নিরসনে ইআরটি একটি টিম কাজ করছে। বনের মধ্যে খাদ্য না পাওয়ায় হাতি লোকালয়ে এসে তান্ডব করছে। হাতির সুরক্ষায় বনধংস হতে সকলকে সচেতন করার আহবান জানান।
কর্মশালায় বক্তব্য রাখেন কাপ্তাই রেঞ্জ কর্মকর্তা মো.ওমর ফারুক স্বাধীন, মনিরুল ইসলাম, এএসএম মহিউদ্দিন চৌধুরী (বড়ইছড়ি স্টেশন ও পরীক্ষাণ ফাঁড়ি কর্মকর্তা), কাপ্তাই প্রেসক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি কবির হোসেন, বিট কর্মকর্তা মাসুদ রায়হান। এছাড়া ইআরটি প্রশিক্ষণে দলনেতা নেওয়াজ মো.সানাউল হক, মো.এইচ এম হাশেম ও মো. হাসান বক্তব্য রাখেন। উক্ত প্রশিক্ষণে কাপ্তাই-কর্ণফুলী রেঞ্জের ৪০জন ই.আর টি সদস্য উপস্থিত ছিলেন।