রাঙামাটি ২৯৯ নং সংসদীয় আসনে গণঅধিকার পরিষদ এর চূড়ান্ত মনোনীত প্রার্থী হিসেবে গণঅধিকার পরিষদ রাঙামাটি পার্বত্য জেলার আহবায়ক এম এ বাশার আজ আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। প্রার্থী নিজে উপস্থিত হয়ে রাঙামাটি জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে মনোনয়নপত্র গ্রহণ করেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন গণঅধিকার পরিষদ রাঙামাটি পার্বত্য জেলা সদস্য সচিব ওয়াহিদুজ্জামান রোমান, জেলা ছাত্র অধিকার পরিষদ সভাপতি মোঃ ইমাম হোছাইন ইমু, চাইসুইউ মারমা জেলা গণ অধিকার পরিষদ এর যুগ্ম সদস্য সচিব , হাসানুর রহমান যুগ্ম সদস্য সচিব, কাউখালি উপজেলা গণ অধিকার পরিষদ , মোঃ গোলাফুর রহমান, শাহরিয়ার হাফিজসহ দলীয় নেতৃবৃন্দ।
এ সময় সদস্য সচিব ওয়াহিদুজ্জামান রোমান বলেন- “রাঙামাটি বহু দশক ধরে উন্নয়ন বৈষম্য, যোগাযোগ দুরবস্থা, পাহাড়ি-বাঙালি অববিশ্বাস, পর্যটন খাতে অনিয়ম ও কর্মসংস্থানের সংকটে ভুগছে। গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী এম এ বাশার নির্বাচিত হলে— পাহাড়ি-বাঙালি সবার অধিকার নিশ্চিত করা, রাঙামাটির অভ্যন্তরীণ সড়ক ও যোগাযোগব্যবস্থা আধুনিকায়ন, পর্যটন শিল্পকে দুর্নীতিমুক্ত করে আন্তর্জাতিক মানে উন্নয়ন, ভূমি জটিলতা সমাধানে স্বচ্ছ নীতিমালা প্রণয়ন, হাসপাতাল ও শিক্ষাব্যবস্থায় আধুনিক সুবিধা নিশ্চিত করা এসবকে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করা হবে।”
রাঙামাটি জেলা ছাত্র অধিকার পরিষদ সভাপতি মোঃ ইমাম হোছাইন ইমু বলেন— “রাঙামাটির সমস্যা শুধু অবকাঠামো নয়; দীর্ঘদিন ধরে তরুণদের কর্মসংস্থান নেই, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে জনগণের ভোগান্তি বাড়ছে। এম এ বাশার ভাই সত্যিকারের গণমানুষের প্রতিনিধি। তিনি নির্বাচিত হলে
যুবসমাজের জন্য স্কিল ডেভেলপমেন্ট সেন্টার, দীর্ঘমেয়াদি জলবায়ু ও পাহাড় ধস মোকাবিলা পরিকল্পনা, শিক্ষার্থীদের থাকার ব্যবস্থা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ সব বিষয় সামনে রেখে লড়াই করবেন। আমরা তার পাশে আছি।”
রাঙামাটি পর্যটন-বান্ধব, নিরাপদ এবং কর্মসংস্থানমুখী জেলা হিসেবে গড়ে তুলবো, উপজেলাগুলোর হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা আধুনিকায়ন, রাঙামাটির ভিতরের গ্রামীণ সড়কগুলোর উন্নয়ন, পাহাড়ি ও বাঙালি জনগোষ্ঠীর মধ্যে সম্প্রীতি ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা আমাদের অন্যতম লক্ষ্য হবে।”
তারা আরও জানান যে আগামীকাল ২৯ ডিসেম্বর নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হবে।


















