রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলায় ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, আনন্দ ও উৎসবমুখর পরিবেশে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হয়েছে। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকাজুড়ে মোট ২৭টি মসজিদে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয় বলে জানান উপজেলা কেন্দ্রীয় মসজিদের খতিব হাফেজ মাওলানা মো. সোলায়মান। এতে অংশ নেন বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার বিপুল সংখ্যক মুসল্লি। ঈদের এই মিলনমেলায় পুরো উপজেলায় উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করে।
উপজেলার সবচেয়ে বড় ও কেন্দ্রীয় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয় কাপ্তাই উপজেলা মডেল মসজিদে। সকাল ৮টা ১৫ মিনিটে অনুষ্ঠিত এই জামাতে ইমামতি ও খুতবা প্রদান করেন কেন্দ্রীয় মসজিদের খতিব হাফেজ মাওলানা মো. সোলায়মান। নামাজ শেষে তিনি বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনায় বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন। মোনাজাতে দেশ, জাতি ও সমগ্র মানবজাতির শান্তি কামনা করা হয়।
কেন্দ্রীয় ঈদের জামাতে কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রুহুল আমিন, কাপ্তাই উপজেলার সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান দিলদার হোসেন সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গসহ সর্বস্তরের মুসল্লিরা উপস্থিত ছিলেন।
নামাজ শেষে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে ইউএনও মো. রুহুল আমিন বলেন, “ঈদুল ফিতর মুসলিম উম্মাহর জন্য ত্যাগ, সংযম ও ভ্রাতৃত্ববোধের এক অনন্য দৃষ্টান্ত। ঈদের প্রকৃত শিক্ষা হচ্ছে মানবিকতা, সহমর্মিতা ও পারস্পরিক সম্প্রীতি বৃদ্ধি করা।”তিনি সবাইকে সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান দিলদার হোসেন বলেন, “ঈদের আনন্দ যেন সমাজের সকল মানুষের মাঝে সমানভাবে ছড়িয়ে পড়ে। দেশ ও জাতির কল্যাণে এবং সামাজিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।”
এদিকে কেপিএম এলাকায় সোনালী ব্যাংক মাঠে সকাল সাড়ে ৮ টায় ঈদের আরোও একটি বড় নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। এতে শত শত মুসুল্লি অংশ নেন। এছাড়া কাপ্তাই পিডিবি ঈদগাহ ময়দানে সকাল ৮ টায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
এছাড়া উপজেলার অন্যান্য মসজিদেও যথাযোগ্য মর্যাদায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।


















