রবিবার , ৫ এপ্রিল ২০২৬ |
  1. জাতীয়
  2. রাঙামাটি
  3. খাগড়াছড়ি
  4. বান্দরবান
  5. চট্টগ্রাম
  6. আইন ও অপরাধ
  7. রাজনীতি
  8. পর্যটন
  9. ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী
  10. এক্সক্লুসিভ
  11. অর্থনীতি
  12. এনজিও
  13. চাকরির খবর-দরপত্র বিজ্ঞপ্তি
  14. উন্নয়ন খবর
  15. ক্রীড়া ও সংস্কৃতি
  16. খোলা জানালা
  17. কৃষি ও প্রকৃতি
  18. প্রযুক্তি বিশ্ব
  19. শিক্ষাঙ্গন
  20. লাইফ স্টাইল
  21. সাহিত্য
  22. অন্যান্য

আল্লামা মুহাম্মদ আবদুল হাই নদভী / ‘শিয়া-সুন্নি’ বাদ দিয়ে জালেম মজলুম নিয়ে ভাবা উচিত

প্রতিবেদক
সেলিম উদ্দীন, কক্সবাজার
এপ্রিল ৫, ২০২৬ ৫:৫৭ অপরাহ্ণ

ইরানের উপর মার্কিন-ইসরাই*লী যৌথ হামলাকে কেন্দ্র করে গোটা মুসলিম বিশ্ব বর্তমানে চরম ক্রান্তিকালীন সময় পার করছে। অত্যন্ত দুঃখ এবং পরিতাপের বিষয় হচ্ছে, এমন দু:সময়ে অনেক মুসলমান ভাই “শিয়া-সুন্নি” মতপার্থক্য নিয়েই ব্যস্ত, যেটা এখন ইসলামের শত্রুদের সবচেয়ে বেশি আনন্দ দেয়।তথাকথিত গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের ধ্বজাধারী কর্তৃক সম্পূর্ণ অন্যায়-অযৌক্তিক ভাবে একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রের উপর নির্বিচারে বোমা হামলার ফলে হাজার হাজার নিরপরাধ নারী-পুরুষ,বৃদ্ধ ও মাছুম শিশুর আহাজারিতে যখন দেশটির আকাশ বাতাস ভারি তখন জালেমের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া এবং মজলুমের পক্ষে থাকা যেকোনো বিবেকবান মানুষের দায়িত্ব। তা না করে যদি আপনি শিয়া-সুন্নী দ্বন্দ্ব নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েন তাহলে প্রশ্ন আসা স্বাভাবিকঃ আপনি কি জালেমের পক্ষে, নাকি মজলুমের পক্ষে? ইসলামী সম্মেলন সংস্থা-‘ওআইসি’ সদস্যভূক্ত একটি দেশের উপর ইহুদি-নাসারাদের চরম জুলুম চলাকালে আপনি যদি শিয়া সুন্নি বিভাজনকে সামনে এনে মুসলিমদের আরও ভাগ করেন, তাহলে বাস্তবে আপনি মুসলমানদের শত্রুদেরই উপকার করছেন এবং আমরা ধরে নেবোঃ ইসলাম তো নয়-ই, আপনি জালেম-মজলুমের সংজ্ঞাই না বুঝেননি।

শিয়া-সুন্নি মতপার্থক্য মূলত ঐতিহাসিক। সেদিকে না গিয়ে ইসলামের মূল শিক্ষা অনুযায়ী জালেম (অত্যাচারী) ও মজলুম (অত্যাচারিত) -এর প্রশ্নটিই বর্তমানে সবচেয়ে বেশি জরুরি। ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়ানো এবং মজলুমের পাশে থাকা ঈমানের অপরিহার্য দায়িত্ব, তা সে যে কোনো মতাবলম্বী হোক না কেন। মু’মিন মুসলমানের উচিতঃ জুলুম থেকে বিরত থাকা, জুলুমের সহযোগিতা থেকে বিরত থাকা।

জুলুমকে আল্লাহ তাআলা নিজের জন্য হারাম করে নিয়েছেন মর্মে হাদিসে কুদসিতে নবিজী ঘোষণা করেন, আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘হে আমার বান্দারা! আমি আমার নিজের জন্যে জুলুম করা হারাম করে নিয়েছি এবং তোমাদের পরস্পরের মধ্যেও জুলুম হারাম করেছি। সুতরাং তোমরা একজন অন্যজনের উপর জুলুম করো না।’ (মুসলিম, তিরমিজি)।

শুধু জুলুম বা অত্যাচার করাই হারাম নয়, বরং অন্যকে জুলুমে সহযোগিতা করা এবং জালিম/অত্যাচারীদের সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখা এবং ঘনিষ্ঠতা রক্ষা করাও হারাম। আল্লাহ পাক আমাদের সকলকে সঠিক বুজদিল দান করুন- আমীন।

সর্বশেষ - আইন ও অপরাধ

আপনার জন্য নির্বাচিত

জুরাছড়ি উপজেলায় বিশ্ব শিক্ষক দিবস অনুষ্ঠিত 

অনাকাঙ্খিত ঘটনার হোতাদের বিষয়ে সকলকে স্বোচ্চার হবার আহ্বান জানালেন খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক

পাহাড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠায় সকলকে কাজ করতে হবে

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের এবাদত খানায় উপহার বিতরণ হাবিব আজম’র

দুর্গাপুজায়  কাপ্তাই জোনের অনুদান 

রাঙামাটিতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

কাপ্তাই হাতির আক্রমণে অটোরিকশা ভাংচুর

নেপালের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে পার্বত্য উপদেষ্টার সৌজন্য সাক্ষাৎ

 শেখ হাসিনার নেতৃত্বে পাহাড়েও উন্নয়নের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রয়েছে-দীপংকর তালুকদার

বিলাইছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে সহকারী পরিচালক 

error: Content is protected !!
%d bloggers like this: