শনিবার , ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ |
  1. জাতীয়
  2. রাঙামাটি
  3. খাগড়াছড়ি
  4. বান্দরবান
  5. চট্টগ্রাম
  6. আইন ও অপরাধ
  7. রাজনীতি
  8. পর্যটন
  9. ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী
  10. এক্সক্লুসিভ
  11. অর্থনীতি
  12. এনজিও
  13. চাকরির খবর-দরপত্র বিজ্ঞপ্তি
  14. উন্নয়ন খবর
  15. ক্রীড়া ও সংস্কৃতি
  16. খোলা জানালা
  17. কৃষি ও প্রকৃতি
  18. প্রযুক্তি বিশ্ব
  19. শিক্ষাঙ্গন
  20. লাইফ স্টাইল
  21. সাহিত্য
  22. অন্যান্য

বর্ণিল আয়োজনে মহালছড়ি সম্প্রীতি কাপের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

প্রতিবেদক
শফিক ইসলাম, মহালছড়ি, খাগড়াছড়ি
সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬ ৯:১৫ অপরাহ্ণ

বর্ণিল আয়োজন, উৎসবমুখর পরিবেশ আর পাহাড়ের বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের রঙিন উপস্থিতির মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে ‘মহালছড়ি সম্প্রীতি কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬’। টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচকে ঘিরে মহালছড়ি স্টেডিয়ামজুড়ে সৃষ্টি হয় উৎসবের আমেজ। বিভিন্ন বয়সী দর্শকের উপস্থিতিতে পুরো মাঠ পরিণত হয় মিলনমেলায়।সকলকে দেওয়া হয় গাছের চারা।

ফাইনালে মুখোমুখি হয় মহালছড়ি অর্নিবান ক্লাব ও মাইসছড়ি চৌধুরী পাড়া একাদশ। শিরোপা জয়ের লক্ষ্যে দুই দলের খেলোয়াড়রা মাঠে প্রাণপণ লড়াই করেন। টানটান উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচ উপভোগ করতে বিপুলসংখ্যক দর্শক মাঠে উপস্থিত ছিলেন। শেষ বাঁশি বাঁজার আগেই মাইসছড়িকে হারিয়ে অর্নিবান ক্লাব জিতে যায় ৩-১ গোলে।

টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই খেলাধুলার পাশাপাশি সামাজিক সম্প্রীতি, পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও পরিবেশ সচেতনতার বার্তা তুলে ধরা হয়। এরই অংশ হিসেবে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আওতায় মহালছড়ি জোনের পক্ষ থেকে টুর্নামেন্টে উপস্থিত প্রতিটি দর্শকের হাতে একটি করে গাছের চারা তুলে দেওয়া হয়। পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে সর্বমোট ২৫ হাজার গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে বলে আয়োজকরা জানান।

ফাইনাল খেলা শেষে টুর্নামেন্টের বিজয়ী মহালছড়ি অর্নিবান ক্লাব ও রানার্সআপ মাইসছড়ি চৌধুরী পাড়া দলের হাতে ট্রফি ও পুরস্কার তুলে দেন মহালছড়ি জোনের জোন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ আল জাবির আসিফ। এ সময় আয়োজক, ক্রীড়াপ্রেমী, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও বিপুলসংখ্যক দর্শক উপস্থিত ছিলেন।

পুরস্কার বিতরণ শেষে জোন অধিনায়ক বলেন, খেলাধুলার মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মকে মাদক ও অসামাজিক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখা, বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি বৃদ্ধি এবং পরিবেশের প্রতি মানুষের দায়িত্ববোধ জাগ্রত করাই ছিল এই আয়োজনের অন্যতম লক্ষ্য। মহালছড়ি জোন এ আয়োজনের মধ্যে দিয়ে সেই সম্প্রীতি প্রতিয়মান করেছেন। ফাইনাল ম্যাচে আমরা পাঁচ হাজার ছাড়া বিতরণ করি সব মিলিয়ে পুরো টুর্নামেন্ট ২৫ হাজার চারা আমরা খেলোয়াড় এবং দর্শকদের হাতে তুলে দেই।

মহালছড়ির ইতিহাসে এই টুর্নামেন্ট শুধু একটি ফুটবল প্রতিযোগিতা নয়, বরং পাহাড়ের বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের অংশগ্রহণে সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের এক মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীরা।

সর্বশেষ - আইন ও অপরাধ

error: Content is protected !!
%d bloggers like this: