সোমবার , ৬ জুন ২০২২ | ২৪শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. জাতীয়
  2. রাঙামাটি
  3. খাগড়াছড়ি
  4. বান্দরবান
  5. পর্যটন
  6. এক্সক্লুসিভ
  7. রাজনীতি
  8. অর্থনীতি
  9. এনজিও
  10. উন্নয়ন খবর
  11. আইন ও অপরাধ
  12. ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী
  13. চাকরির খবর-দরপত্র বিজ্ঞপ্তি
  14. অন্যান্য
  15. কৃষি ও প্রকৃতি
  16. প্রযুক্তি বিশ্ব
  17. ক্রীড়া ও সংস্কৃতি
  18. শিক্ষাঙ্গন
  19. লাইফ স্টাইল
  20. সাহিত্য
  21. খোলা জানালা

কাউখালীতে পাহাড় ঘেঁষে কয়েকশত পরিবারের ঝুঁকিপুর্ন বসবাস

প্রতিবেদক
প্রতিনিধি, কাউখালী, রাঙামাটি
জুন ৬, ২০২২ ২:২৬ অপরাহ্ণ

 

রাঙামাটির কাউখালী উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পাহাড়ের গাঁ ঘেঁষে কয়েকশত পরিবারের ঝুঁকিপুর্ন ভাবে দির্ঘদিন যাবত বসবাস করে আসছেন।

সুত্র জানায়, কাউখালী উপজেলার চারটি ইউনিয়ন বেতবুনিয়া, ফটিকছড়ি,ঘাগড়া, কলমপতি। এসব ইউনিয়নের প্রায় গ্রামগুলি ছোটবড় পাহাড়ে বা পাহাড়ের ডালুতে এবং পাহাড়ের গাঁ ঘেষে অবস্থিত। যদিওবা এসব পাহাড়ী গ্রামগুলির বেশিরভাগ মানুষ গুলি খুবই সাধারণ জীবন যাপনে অভ্যস্থ।

কিন্তু এসব এলাকার মানুষের বসবাসের জন্য পাহাড়ের পাশে বা ছোট ছোট পাহাড়ের উপর অথবা পাহাড়ের একদম গাঁ ঘেষে বহু বছর ধরে বাড়িঘর বাগান সৃজন করে পরিবার পরিজন নিয়ে বসবাস করে আসছেন।

প্রতি বর্ষায় অতি বর্ষণের ফলে এসব বসতি গুলির কম বেশি বাড়িঘরের এবং জানমালের কম বেশি ক্ষতি সাধন হয়ে থাকে। বিশেষ করে পুরো বর্ষা মৌষুমে এ ধরনের ক্ষতি সাধন হয়ে থাকে।

সরেজমিনে পরিদর্শনকালে দেকা যায় উপজেলার বেতবুনিয়া ইউনিয়নের গাড়িছড়া, আমতল, আবুল হোসেন গুচ্ছগ্রাম, ডাক্তার ছোলা, সোনাইছড়ি, গজালিয়া, তালুকদার পাড়া, ফটিকছড়ি ইউনিয়নের প্রত্যন্ত পাহাড়ী এলাকার ডাবুয়া, বার্মাছড়ি, ক্ষিরাম এলাকা, ঘাগড়া ইউনিয়নের ঘিলাছড়ি, তালুকদার পাড়া, যৌথ খামার, শামকছড়ি, তালুকদার পাড়া, পানছড়ি, ঘাগড়া রাঙামাটি চট্টগ্রাম মহাসড়কের কলাবাগান, গাইয়াছড়া, আনসার ক্যাম্প এলাকা, ঘাগড়া বাজার এলাকা, হেডম্যানপাড়া, ঘাগড়া জুনুমাছড়া সড়কের পাশে পাহাড়ের পাশে সমস্থ বাড়িঘরগুলি এবং কলমপতি ইউনিয়নের পোয়াপাড়া, টিটিসি এলাকা, নাইল্যাছড়ি সুগারমিল সড়কের দুই পাশের পাহাড়ে, তারাবুনিয়া পাড়া, ডাববুনিয়া ছড়া, মাঝের পাড়া, বড়ইছড়ি এলাকা, ছাগলখাইয়া এলাকায় কয়েকশত পাহাড়ী বাঙালী পরিবার পরিজন নিয়ে জীবনের ঝুকিঁ নিয়ে দির্ঘদিন যাবত বসবাস করে আসছেন।

এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দা ছাইলাপ্রু মারমা, মো. জামশেদ, রিপাত, অমিয় চাকমা সহ অনেকেই ক্ষোভের সহিত বলেন আমরা যারা পাহাড়ে বসবাস করি তারা পাহাড়ের পাশে বা পাহাড়ের উপর এবং পাহাড়ের নিছে ছাড়া পরিবার পরিজন ছাড়া কোথায় বসবাস করবো বলেন ? আমরা তো সমতলের বাসিন্দা না। সমতল আর পাহাড়ী এলাকা তো এক নয়। পাহাড় ছেড়ে আমরা যাব কোথায়। তা ছাড়া আমরা যারা একানকার বাসিন্দা পাহাড়ী/বাঙালী সবারই একই দশা। আমাদের জানমালের নিরাপত্তা আমাদেরই নিতে হবে বলে তারা জানান।

পরিশেষে উপজেলার চার ইউনিয়নের পাহাড়ের পাশে বসবাসরত ঝুকিঁপুর্ন এসব পাহাড়ী বাঙালী পরিবারগুলি যদিওবা দির্ঘদিন যাবত পরিবার পরিজন নিয়ে জীবনের বেচেঁ থাকার প্রয়োজনে বসবাস করে আসছেন অবার প্রতি বর্ষা মৌষুমে প্রবল বর্ষণের ফলে পাহাড় ধ্বস হয়ে অনেক সময় অনেক বড় ধরনের দুর্ঘটনাও ঘটে যেতে পারে বলে উপজেলার সংশ্লিষ্ট সচেতন মহল মনে করেন।

এ ধরনের ঝুকিঁপুর্ন বসবাসের ব্যাপারে সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্টান জণসচেতনতামুলুক এবং সতর্কতামুলুক প্রচার কার্য্যক্রম পরিচালনা করলে এসব এলাকার মানুষজন অনেক সচেতন হতো বলেও অনেকে মনে করেন।

 

সর্বশেষ - আইন ও অপরাধ

আপনার জন্য নির্বাচিত

রাঙামাটিতে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসার জনক হ্যানিম্যানের জন্ম দিবস পালিত

রামগড়ে অতিরিক্ত দামে মাংস বিক্রি, ৪ ব্যবসায়ীকে জরিমানা

কাপ্তাই নতুন বাজারে তথ্য অফিসের নারী সমাবেশ

লংগদুতে লিগ্যাল এইড কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

চন্দ্রঘোনা পুলিশের অভিযানে ৪ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামী গ্রেফতার

নানিয়ারচরে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (স.) উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরষ্কার বিতরণ

কাপ্তাইয়ে হয়ে গেল সংগীত সন্ধ্যা “সুরের জলসা “

মহালছড়ি সদর ইউনিয়নের শান্তি নগরে নির্বাচন প্রচারণা অফিসের শুভ উদ্বোধন

হাজার হাজার ভক্তের উপস্থিতিতে কাপ্তাইয়ে মহা বারুনী স্নান অনুষ্ঠিত

বন্যার পানি থেকে সুরক্ষা পেতে বেঁড়িবাধ চায় বাঘাইছড়িবাসী

error: Content is protected !!
%d bloggers like this: