সোমবার , ১৪ আগস্ট ২০২৩ |
  1. জাতীয়
  2. রাঙামাটি
  3. খাগড়াছড়ি
  4. বান্দরবান
  5. পর্যটন
  6. এক্সক্লুসিভ
  7. রাজনীতি
  8. অর্থনীতি
  9. এনজিও
  10. উন্নয়ন খবর
  11. আইন ও অপরাধ
  12. ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী
  13. চাকরির খবর-দরপত্র বিজ্ঞপ্তি
  14. অন্যান্য
  15. কৃষি ও প্রকৃতি
  16. প্রযুক্তি বিশ্ব
  17. ক্রীড়া ও সংস্কৃতি
  18. শিক্ষাঙ্গন
  19. লাইফ স্টাইল
  20. সাহিত্য
  21. খোলা জানালা

কল্পনা অপহরণ মামলার তদন্ত প্রতিবেদনে নারাজির অধিকতর শুনানি আগামী ২২ অক্টোবর

প্রতিবেদক
হিমেল চাকমা, রাঙামাটি
আগস্ট ১৪, ২০২৩ ৬:৪৭ অপরাহ্ণ

কল্পনা চাকমা অপহরণ মামলার পুলিশ সুপারের  তদন্ত প্রতিবেদনের উপর বাদীর নারাজি আবেদনের অধিকতর শুনানীর জন্য আগামী ২২ অক্টোবর শুনানীর দিন ধার্য করেছে আদালত।

সোমবার বিকালে এ আদেশ দেন রাঙামাটি সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট স্বর্নকমল সেন।
গত রবিবার এ মামলার বাদী কল্পনা চাকমা বড় ভাই নারাজি আবেদনের উপর শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।

গত রবিবার সকালে রাঙামাটি সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট স্বর্ণকমল সেনের আদালতে এ শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।
আদালত তদন্ত কারী পুলিশ ও বাদীর বক্তব্য শুনার একদিন পর এ আদেশ দেন।

জুয়েল দেওয়ান বলেন, সর্বশেষ যে তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে সেটা আদালতের নির্দেশ মতে তদন্ত করা হয়নি। আদালত কল্পনা চাকমার মামলায় যাদের নাম বাদী উল্লেখ করেছেন তাদের নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদের আদেশ দিলেও তদন্তকারী কর্মকর্তা সেভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করেনি। তাদের কাছে লিখিত বক্তব্য নিয়েছেন। সেগুলো তদন্ত প্রতিবেদনে দেওয়া হয়েছে। ফলে ঘটনার মুল তথ্য উঠে আসেনি প্রতিবেদনে।

রবিবার শুনানী চলাকালীন পুলিশ সুপারের প্রতিনিধি কোর্ট পরিদর্শক মো আজম এবং সাব ইনস্পেকটর গনেশ তদন্ত রিপোর্টের স্বপক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন।

কল্পনা চাকমা পার্বত্য চট্টগ্রামের আঞ্চলিক সংগঠন হিল উইমেন্স ফেডারেশনের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। ১৯৯৬ সালের ১১ জুন রাতে রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার লাল্যাঘোনা গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে অপহৃত হন তিনি।
পরদিন বাঘাইছড়ি থানায় এ ঘটনায় মামলা হয়। থানার তৎকালীন ওসি শহিদউল্ল্যা নিজেই মামলার প্রথম তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন।
এরপর একে একে ৩৯ জন তদন্ত কর্মকর্তা বদল হন। পরে এটি তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয় সিআইডিকে। সিআইডি ২০১০ সালের ২১ মে মামলাটির চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিলে মামলার বাদী ও কল্পনা চাকমার বড় ভাই কালিন্দী চাকমা সিআইডির প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করে আদালতে নারাজি আবেদন দেন।
১৯ অক্টোবর ২০১৬ সালে আদালত রাঙামাটির পুলিশ সুপার সৈয়দ তারিকুল হাসানকে এ মামলার তদন্তভার দেন। তিনি দুই বছর পর ২০১৮ সালে কারও বিরুদ্ধে কোনো সাক্ষ্যপ্রমাণ না পাওয়ায় আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। এ প্রতিবেদনেও নারাজি দেন কল্পনার ভাই কালিনী কুমার চাকমা।

সর্বশেষ - আইন ও অপরাধ

আপনার জন্য নির্বাচিত

রাঙামাটিতে স্বর্ণটিলা যুব সংঘ স্পোর্টিং ক্লাবে‎ মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত

রাঙামাটি জেলা আনসার ভিডিপির শীতবস্ত্র বিতরণ

কাপ্তাইয়ে ঘূর্ণিঝড় মোখা মোকাবেলায় ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ

কাপ্তাইয়ে ৬৭৫ জন মৎস্যজীবির মাঝে ভিজিএফ এর চাল বিতরণ 

পাহাড়ে সশস্ত্র সংগঠনে বাঙালি যুবকদের সম্পৃক্ততা: ঝুঁকি, কারণ ও করণীয়

জুরাছড়িতে মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে নানান কর্মসূচি পালিত

রাঙামাটি জেলা পরিষদ ও ডিএসএ সংবর্ধনা / সংবর্ধিত হচ্ছেন সাফ জয়ী পাহাড়ি কন্যারা; সম্মাননা পাচ্ছেন বীরসেন ও শান্তিমনি

বাঘাইছড়িতে মুজিবনগর দিবস পালিত

চন্দ্রঘোনা থানা পুলিশের অভিযানে পরোয়ানাভুক্ত আসামী গ্রেফতার

সালিশে মারধরের ঘটনায় ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চাইলেন ইউপি সদস্য

error: Content is protected !!
%d bloggers like this: