রবিবার , ১৭ মার্চ ২০২৪ | ৬ই বৈশাখ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
  1. জাতীয়
  2. রাঙামাটি
  3. খাগড়াছড়ি
  4. বান্দরবান
  5. পর্যটন
  6. এক্সক্লুসিভ
  7. রাজনীতি
  8. অর্থনীতি
  9. এনজিও
  10. উন্নয়ন খবর
  11. আইন ও অপরাধ
  12. ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী
  13. চাকরির খবর-দরপত্র বিজ্ঞপ্তি
  14. অন্যান্য
  15. কৃষি ও প্রকৃতি
  16. প্রযুক্তি বিশ্ব
  17. ক্রীড়া ও সংস্কৃতি
  18. শিক্ষাঙ্গন
  19. লাইফ স্টাইল
  20. সাহিত্য
  21. খোলা জানালা

রাঙামাটিতে গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে না, ভোক্তারা বিপাকে

প্রতিবেদক
এম কামাল উদ্দিন, রাঙামাটি
মার্চ ১৭, ২০২৪ ৩:১৭ অপরাহ্ণ

 

প্রশাসনের পক্ষে মূল্য নির্ধারণ করে দেওয়ায় রাঙামাটিতে গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে না। ব্যবসা ও গরু জবাই বন্ধ করে দিয়েছেন কসাইরা। এতে বিপাকে পড়েছেন ভোক্তারা। বিশেষ করে মুসলিম সম্প্রদায়ের রোজাদাররা চরম বেকায়দায়। গত এক সপ্তাহ ধরে শহর এলাকায় মিলছে না গরুর মাংস। খোঁজ নিয়ে এ তথ্য পাওয়া যায়।

জানা গেছে, সারা দেশের মতো ভোক্তা সাধারণের কল্যাণে রাঙামাটি শহরেও গরুর মাংস বিক্রির মূল্য নির্ধারণ করে দিয়েছে জেলা প্রশাসন। ১১ মার্চ নির্ধারণ করে দেওয়া মূল্যে হাড্ডিসহ প্রতিকেজি গরুর মাংস ৭০০ টাকায় বিক্রির জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়। এরপর থেকেই নির্ধারিত মূল্যের প্রতিবাদে শহরের মোট ৬টি কসাইখানায় গরু জবাই ও মাংস বিক্রি বন্ধ করে দিয়েছেন কসাইরা। এতে চলমান রমজানের প্রথম সপ্তাহেই চরম বিপাকে স্থানীয় হোটেল, রেস্তোরাঁসহ ভোক্তা সাধারণ।

সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, রাঙামাটিতে দেশি বা পাহাড়ি গরুর মাংসের চাহিদা বেশি। জেলার বিভিন্ন দুর্গম পাহাড়ি এলাকা থেকে এসব পাহাড়ি গরু সংগ্রহ করে শহরে নিয়ে আসতে হয়। পথে একাধিক গ্রæপকে প্রতিটি গরুর জন্য ১ হাজার টাকা করে চাঁদা দিয়ে আসতে হয়। এছাড়াও লংগদু উপজেলার মাইনীমুখবাজারে গরু প্রতি ১ হাজার ৫০০ টাকা ইজারার হাসিল দিতে হয়। এভাবে কাপ্তাই হ্রদের নৌ-পথে রাঙামাটি শহরে পৌঁছাতে প্রতিটি গরুর পেছনে খরচ পড়ে ৭/৮ হাজার টাকা। তাছাড়া চড়া দামে কিনতে হয় গরু।

মাংস বিক্রির বন্ধ রাখার বিষয়টি স্বীকার করে শহরের রিজার্ভবাজারের ব্যবসায়ী গরুর মাংস বিক্রেতা হারুন সওদাগর বলেন, বেশি দামে গরু কিনে লোকসান দিয়ে মাংস বিক্রি সম্ভব নয়। প্রশাসন যে দামে গরুর মাংস বিক্রির জন্য নির্ধারণ করে দিয়েছে, সেদামে বিক্রি করলে আমাদের অনেক লোকসান গুনতে হবে। তবু আমরা প্রতিকেজি গরুর মাংস ৭৫০ টাকায় বিক্রির অনুমতি চেয়েছিলাম। কিন্তু অনুমতি না পাওয়া গরুর মাংস বিক্রি বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়েছি। ৭০০ টাকা কেজিতে গরুর মাংস বিক্রি করলে প্রতি গরুতে ১০-১৫ হাজার টাকা লোকসান দিতে হবে।

শহরের মূল বাণিজ্যিক এলাকা বনরূপাবাজারের গরুর মাংস বিক্রেতা মো. জাফর জানিয়েছেন, পাহাড়ি এলাকা থেকে গরু কিনে লংগদুর মাইনীমুখবাজারে প্রতি গরুর জন্য ১৫০০ টাকা ইজারার হাসিল ও পথে বিভিন্ন গ্রæপকে চাঁদা দিয়ে পরিবহণ খরচসহ রাঙামাটি শহরে নিয়ে এস বিক্রি করলে প্রতিকেজি গরুর মাংসের দাম ৮০০ টাকার অধিক পড়ে। সেখানে জেলা প্রশাসন ৭০০ টাকায় বিক্রির নির্দেশ দিয়েছে। এত টাকা লোকসান দিয়ে গরুর মাংস বিক্রি সম্ভব নয়। তাই আমরা এখন আর মাংস বিক্রি করছি না।

এদিকে রাঙামাটি শহরে গরুর মাংস বিক্রি করা হয় ৬টি স্থানে। ভোক্তার সংখ্যা প্রায় ২০ হাজার। রোববার ছাড়া সপ্তাহের বাকি দিনগুলোতে গড়ে ১০/১২টি গরু জবাই করে শহরে বিক্রি করা হয়। রমজান মাসের শুরুতে গরুর মাংস বিক্রি বন্ধ থাকায় ক্ষুব্দ ভোক্তারা। এ ব্যপারে দ্রæত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি ভোক্তা সাধারণের।

এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে জেলা প্রশাসক মো. মোশারফ হোসেন খান বলেন, সরকারের নির্ধারণ করে দেওয়া মূল্যে প্রতিকেজি গরুর মাংস ৬৫০ টাকায় বিক্রি করতে বলা হয়েছে। সেখানে রাঙামাটির বাস্তব বিষয়টি বিবেচনা করে আমি ৭০০ টাকায় বিক্রির জন্য বলে দিয়েছি। তবু কারও না পোষালে করার কছুই নেই। তিনি প্রয়োজনে ভোক্তা সাধারণকে নিজেরার উদ্যোগে গরু সংগ্রহ ও জবাই করে মাংস ভাগাভাগি করার পরামর্শও দেন।

সর্বশেষ - আইন ও অপরাধ

আপনার জন্য নির্বাচিত

কাপ্তাইয়ে পরোয়ানাভুক্ত আসামী আটক

কাপ্তাইয়ে সর্বজনীন পেনশন স্কিম সম্পর্কিত উদ্বুদ্ধকরণ সভা অনুষ্ঠিত 

বাঘাইছড়িতে শীতকালীন ক্রিড়া প্রতিযোগিতার পুরষ্কার বিতরণী

কাউখালী কওমী ওলামা কল্যাণ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে দুই দিনব্যাপি ইসলামি মহাসম্মেলন অনুষ্ঠিত 

রাঙামাটি পৌরসভার গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো গর্তে পরিনত, দুর্ঘটনার শিকার পৌরবাসী

লংগদুতে স্কুলে স্কুলে বই উৎসব, খুশি শিক্ষার্থীরা

ফলোআপ / স্ত্রীর মৃত্যুর ৭ ঘন্টা পর চলে গেলেন স্বামী

লামায় গরু ভাগাভাগি নিয়ে সৎ ভাইয়ের হাতে বড় বোন খুন

রাঙামাটি রিপোর্টার্স ইউনিটির নতুন সাধারণ সম্পাদক হলেন চৌধুরী হারুনুর রশিদ

কাপ্তাইয়ে সেরা এটিইও আশীষ কুমার; সহকারী শিক্ষক রওশন শরীফ তানি

%d bloggers like this: