তিন বারের (সাবেক) প্রধানমন্ত্রীর মৃত্যুতে চলছে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক। তার মধ্যে বছরের প্রথম দিনে শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ স্কুল থেকে পাচ্ছে নতুন বই। ১জানুয়ারি ২০২৬ সালে শুরু হচ্ছে নতুন শিক্ষাবর্ষ।
এই দিন প্রাক-প্রাথমিক থেকে শুরু করে নবম-দশম পর্যন্ত সব শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মধ্যে পাঠ্যবই বিতরণ করা হবে। বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর কারনে এ বছর কোনো বই উৎসব করা হবে না। নিজ নিজ বিদ্যালয়ে গিয়ে শিক্ষার্থীরা বই নিতে পারবে।
এদিকে রাঙামাটিতে বই উৎসবে কোন আনুষ্ঠানিকতা না হলেও স্কুলে স্কুলে শিক্ষার্থীদের হাতে বই তুলে দেয়া হবে। তবে কোন আনুষ্ঠানিকতা ছাড়াই প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাগণ স্কুলে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। রাঙামাটি জেলায় চাকমা,মারমা ও ত্রিপুরাসহ বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী প্রায় ৩০হাজার শিক্ষার্থী তাদের নিজস্ব ভাষার বই পাবে।
গত মঙ্গলবার (৩০ডিসেম্বর) বিকেলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র এ তথ্য জানিয়েছেন।
এদিকে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে অন্তর্বর্তীকালিন সরকার। বুধবার থেকে শুক্রবার (৩১ ডিসেম্বর ও ১, ২ জানুয়ারি) তিনদিনের রাষ্ট্রীয় শোক চলাকালে বই বিতরণ করা হবে কি না, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে অনেকে মধ্যে।
এনসিটিবির তথ্যমতে, ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের জন্য প্রায় ৩০ কোটি পাঠ্যবই ছাপানো হবে। এর মধ্যে ২১ কোটি ৪৩ লাখ ২৪ হাজার বই মাধ্যমিকের, বাকিগুলো প্রাথমিক স্তরের। এরই মধ্যে প্রাথমিক ও ইবতেদায়ির সব বই ছাপিয়ে উপজেলা পর্যায়ে পাঠানো হলেও ঘাপলা বেঁধেছে মাধ্যমিক স্তরের বই নিয়ে।
এখনো মাধ্যমিক স্তরের বিভিন্ন শ্রেণির বই ছাপা বাকি প্রায় ৮ কোটি। ফলে বই ছাড়া ক্লাসে যেতে হবে ষষ্ঠ, সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণির অনেক শিক্ষার্থীকে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শ্রেণিভিত্তিক বই ছাপানোর ক্ষেত্রে সবচেয়ে পিছিয়ে রয়েছে অষ্টম শ্রেণি।
সপ্তম, ষষ্ঠ ও নবম শ্রেণির অবস্থাও সন্তোষজনক নয়। ষষ্ঠ শ্রেণিতে ৪ কোটি ৪৩ লাখ বইয়ের মধ্যে ছাপা হয়েছে প্রায় ৩ কোটি আর নবম শ্রেণিতে ৫ কোটি ৭০ লাখ বইয়ের বিপরীতে ছাপা হয়েছে প্রায় ৪ কোটি।


















