শিক্ষাজীবনের প্রতিটি ধাপে মেধার স্বাক্ষর রেখে এবার এমবিবিএস পরীক্ষায় কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়েছেন চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার কৃতি সন্তান ডা. তৈয়বাতুন নুর রুহী। তার এই সাফল্যে উত্তর হাশিমপুর এলাকায় বইছে আনন্দের জোয়ার। পরিবার, শিক্ষক ও এলাকাবাসীর মধ্যে বিরাজ করছে এক গর্বিত অনুভূতি।
মেধার দীপ্তিতে গড়া শিক্ষাজীবন চন্দনাইশ উপজেলার উত্তর হাশিমপুর ছৈয়দাবাদ গ্রামের এই কৃতি কন্যা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে কর্মরত মোহাম্মদ তৈয়বুর রহমান এবং উত্তর হাশিমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা রোকেয়া বেগমের মেধাাবী সন্তান। ছোটবেলা থেকেই পড়াশোনায় ছিলেন অত্যন্ত মনোযোগী।
প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিএসসি) ও জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি লাভ করেন তিনি। বিজিসি একাডেমি থেকে মাধ্যমিক (এসএসসি) এবং চট্টগ্রাম সরকারি মহিলা কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক (এইচএসসি) পরীক্ষায় কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হন। পরবর্তীতে মেডিকেল শিক্ষায় ভর্তি হয়ে নিরলস অধ্যবসায়ের মাধ্যমে সফলভাবে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জন করেন।
মানবসেবায় নিবেদিত হতে চান নবীন এই চিকিৎসক এমবিবিএস সম্পন্ন করার পর বর্তমানে ইন্টার্নশিপের প্রস্তুতি নিচ্ছেন তৈয়বাতুন নুর রুহী। পড়ালেখা শেষ করে নিজের জন্মভূমি চন্দনাইশেই স্থায়ীভাবে থেকে এলাকার সাধারণ মানুষের চিকিৎসাসেবায় নিজেকে নিয়োজিত করতে চান তিনি। এ বিষয়ে নবীন এই চিকিৎসক বলেন, “চিকিৎসা পেশা শুধু জীবিকা অর্জনের মাধ্যম নয়, মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এক অনন্য সুযোগ। নিজ এলাকার মানুষের সেবা করতে পারলে সেটিই হবে আমার জীবনের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।” ভবিষ্যতে চিকিৎসা বিজ্ঞানে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করে নিজের দক্ষতা আরও বাড়িয়ে দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
নিজের এই অর্জনের জন্য মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায়ের পাশাপাশি বাবা-মা, শিক্ষক এবং সকল শুভাকাঙ্ক্ষীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন তৈয়বাতুন নুর রুহী। একজন আদর্শ ও মানবিক চিকিৎসক হিসেবে মানুষের সেবা করতে তিনি সকলের দোয়া প্রার্থনা করেছেন। তার বাবা-মা মেয়ের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও সফল পেশাজীবনের জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।


















