পবিত্র ঈদুল ফিতরে টানা ৯দিন সরকারী বন্ধে তিন পার্বত্য জেলা রাঙামাটি, বান্দনবান ও খাগড়াছড়ি পর্যটন স্পটগুলোতে হাজার হাজার পর্যটকের ভীড় জমেছে। ঈদের পরদিন হতে দেশের দূর-দূরান্ত হতে পরিবার পরিজন নিয়ে বেড়াতে আসছে বিনোদন স্পটগুলোতে। তিন পার্বত্য জেলাতে এবার ঈদের আমেজ কাটাতে এসেছেন তারা।
ঝুলন্ত সেতু- পর্যটনে অপার সম্ভাবনা জেলা রাঙামাটি। প্রকৃতি যেখানে অপরূপ সাজে সেজে থাকে সারা বছর। একেক ঋতুতে একক রূপ ধারণ করে এই পাহাড়ি অলৌকিক জনপদ। তাইতো হ্রদ,পাহাড় ও মেঘের প্রেম উপভোগ করতে সারা বছরই পর্যটকদের ভীড় লেগে থাকে পর্যটন শহর রাঙামাটিতে। রাঙামাটির যেসব স্থানে যায় পর্যটকরা ঘুরে দেখেন। ৭২৫ বর্গ কিলোমিটারের বিশাল আকৃতির কাপ্তাই হ্রদের নীল জলে নৌ-ভ্রমণ পর্যটকদের কাছে ভীষণ প্রিয়। যারা রাঙামাটিতে ভ্রমণে আসেন হ্রদে ঘুরে বেড়ান না এমন একজনও পর্যটক পাওয়া যাবে না। হ্রদের নীল জলে বোটে চড়ে প্রকৃতিকে উপভোগ করেন তারা।
হ্রদ ভ্রমণে যাওয়া অধিকাংশই পর্যটকের গন্তব্যই থাকে সুবলং ঝরনা পর্যন্ত। শহর থেকে প্রায় দেড় ঘণ্টা বোট জার্নি করে যেতে হয় এই ঝরণায়। আর যাওয়ার পথটাও অসম্ভব রকমের সুন্দর। পাহাড়ের মধ্য দিয়ে এঁকে বেঁকে বয়ে চলা কাপ্তাই হ্রদ দিয়ে এগিয়ে যাওয়ার সময় চোখে পড়বে সবুজে আচ্ছাদিত বিশাল বিশাল পাহাড় ও হ্রদের জলরাশি। তার পাদদেশ দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে বোট। উপরে বিস্তৃত নীল আকাশে সাদা মেঘের ভেলা। প্রকৃতির এমন রূপ মুগ্ধ করবে যে কাউকে। পাহাড় হ্রদের এই সৌন্দর্যের কারণে পথটিকে স্থানীয়রা আমাদের হালংবে বলে ডাকে। তবে সুবলং ঝরণার রূপ দেখতে হলে আপনাকে অবশ্যই বর্ষা মৌসুমে আসতে হবে। শীত মৌসুমে ঝরণায় তেমন পানি থাকে না। রাঙামাটির পর্যটন শিল্পের আইকন হিসাবে পরিচিত বাংলাদেশ পর্যটন হলিডে কমপ্লেক্স ও কর্পোরেশনের ঝুলন্ত সেতু। মাত্র দুইটি পিলারে ওপর ক্যাবলের সাহায্যে নির্মাণ করা হয়েছে এই সেতু। যা যুক্ত করেছে দুটি পাহাড়কে। এই সেতুতে চলতে চলতে ও দুলতে অনেক আনন্দ পায় পর্যটকেরা। যা পর্যটকরা ভীষণ রকম উপভোগ করেন। সাধারণত পর্যটকরা প্রথমেই এই সেতু এলাকায় ঘুরতে আসেন। সেতুটি দেখে তারা বেরিয়ে যান বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানের উদ্দেশ্যে।
পুলিশ ফলওয়ে পার্ক- বাংলাদেশ পুলিশ কর্তৃক পরিচালিত এই পার্কেও রয়েছে ঝুলন্ত সেতু। আরও আছে সুইমিং পুল, বিভিন্ন শিশুতোষ রাইড, নাইন ডি মুভি দেখার সুযোগ। রয়েছে কটেজ সুবিধা। সেই কটেজে শুয়ে শুয়ে উপভোগ করা যায় হ্রদের বিশালতা। এছাড়াও এই পার্কে স্থাপন করা হয়েছে দেশের প্রথম লাভ পয়েন্ট। এই লাভ পয়েন্টের পেছনে রয়েছে করুণ ইতিহাস। আমেরিকার প্রবাসী আলাউদ্দিন-লিমা দম্পতি হানিমুনে আসেন রাঙামাটিতে। হ্রদ ভ্রমণের সময় আকস্মিক ঝড়ে ডুবে যায় তাদের বোট। ডুবুরি দল দুদিন খুঁজেও তাদের উদ্ধার করতে পারেনি। তৃতীয় দিন সকালে পলওয়েল পার্কের কাছে আলিঙ্গনরত অবস্থা তাদের মরদেহ ভেসে ওঠে। তাদের এমন ভালোবাসার বন্ধন আপ্লুত করে রাঙামাটিবাসীকে। দাবি ওঠে তাদের স্মরণে লাভ পয়েন্ট স্থাপনের। ফলে এ পার্কেই স্থাপন করা হয় এই লাভ পয়েন্ট।
কাপ্তাই হ্রদ- পাহাড়ের বুক চিড়ে এঁকে বেঁকে চলে গেছে এই সড়ক। সড়কটির প্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে একপাশে বিস্তৃত কাপ্তাই হ্রদের নীল জলরাশি। অন্যপাশে বিশাল পাহাড়। চলার পথে একজন পর্যটক গাড়িতে বসেই এক সঙ্গে উপভোগ করতে পারবেন পাহাড় ও হ্রদের সৌন্দর্য। ১৮ কিলোমিটারের এই সড়কের দুই পাশের সৌন্দর্য দেখলে মনে হবে বিধাতা আপনা হাতে সৃজন করেছে এমন রূপ। তাই স্থানীয়রা এই সড়কের নাম দিয়েছেন মুগ্ধতার সড়ক। পর্যটকদের পাশাপাশি স্থানীয়দের পছন্দে অন্যতম স্থান সড়কটি। এখানে গড়ে উঠেছে বেশ কিছু রিসোর্ট। সেখানে রয়েছে রাত্রি যাপনের সব সুবিধা। করা যায় ক্যাম্পফায়ার। ইচ্ছা করলে থাকতে পারবেন তাবুতেও। গেল ২ থেকে ৩ বছরের মধ্যে রাঙামাটির পর্যটন শিল্পে যুক্ত হয়েছে হাউজ বোট। এখানে বর্তমানে হাউজ বোটের সংখ্যা ১২টি। প্রতিটি হাউজ বোটেই রয়েছে থাকা খাওয়ার সুব্যবস্থা। বোটগুলো ঘুরে বেড়ায় হ্রদের বুকে। প্রতিটি বোটই যেন এক একটি ভাসমান বাড়ি। এই বোটগুলোতে রয়েছে আধুনিক সব সুযোগ সুবিধা। বিভিন্ন প্যাকেজে এই বোটে কাটানো যায় রাত। পর্যটকদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে এই সব হাউজ বোট।
বিলাইছড়ি ধূপপানি ঝরনা- রাঙামাটির বিলাইছড়ি উপজেলা ইতোমধ্যে ঝরনার উপজেলা নামে পরিচিতি পেয়েছে। এই উপজেলায় রয়েছে ছোট বড় অসংখ্য ঝরনা। যার মধ্যে গাছকাটা ঝরনা,কাটা ঝরনা ও ধূপপানি ঝরনা অন্যতম। যা ভারতের মেঘালয়ে চাইতে কোন অংশে কম নয়। তবে এসব ঝরনা দেখার উপযুক্ত সময় হচ্ছে জুন থেকে নভেম্বর। এসব ঝরনা দেখতে হলে আপনাকে হতে হবে অ্যাডভেনচার প্রিয় ও পরিশ্রমী। কারণ ভংগুর পাহাড়ি পথ পাড়ি দিয়ে যেতে হয় ঝরনায়। যেতে যেত মনে হবে কখনই আসব না এই ঝরনায়। যখনি ঝরনার দেখা পেয়ে যাবেন, তখন সব ক্লান্তি দূর হয়ে যাবে এবং সেখানেই সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে সে আপনিই বলবেন আবার আসবো এই ঝরনায় ভিজতে।
মেঘের রাজ্য সাজেক ভ্যালি–রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলায় মেঘের রাজ্যখ্যাত সাজেকের অবস্থান। যেখানে সারা বছরই পর্যটকের ভিড় লেগে থাকে। যদিও সাজেক রাঙামাটি জেলায়। কিন্তু যাতায়াত করতে হয় পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ির মধ্য দিয়ে। যেখানে মেঘ ছুঁয়ে যায় কটেজের বারান্দা, কখনো কখনো ঢুকে পরে রুমের ভেতরও। অথবা কংলাক পাহাড় থেকে সূর্যোদয় দেখেন পর্যটকরা। জেলার কাপ্তাই উপজেলায় রয়েছে বেশ কিছু পর্যটন স্পট। তার মধ্যে জীবতলী, নেভীক্যাম্প, প্রশান্তিপার্ক, পড হাউজ অন্যতম। প্রতিটি স্থানেই রয়েছে থাকা খাওয়াসহ বিনোদনের সব ব্যবস্থা। এছাড়াও জেলায় ব্যক্তি উদ্যোগে গড়ে উঠেছে বেশ কিছু রিসোর্ট, তার মধ্যে রয়েছে, মায়াবি দ্বীপ, রাঙ্গাদ্বীপ, বার্গি, রাইন্
পার্বত্য চুক্তির আলোকে স্থানীয় পর্যটন জেলা পরিষদের হাতে ন্যস্ত। জেলার পর্যটন শিল্পের বিকাশে জন্য কাজ করে যাচ্ছেন তারা। অন্তর্বর্তীকালিন রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কৃষিবিদ কাজল তালুকদার ও জেলা পরিষদ পর্যটন কর্পোরেশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত সদস্য হাবিব আজম বলেন, ‘রাঙামাটি জেলার পর্যটন শিল্পকে এগিয়ে নিয়ে যেতে ব্যাপক পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। পার্বত্য মন্ত্রণালয়ে একটি মেগা প্রকল্প অনুমোদনে অপেক্ষায় আছি। এটি পাশ হলে এই জেলার পর্যটন খাতের চেহারা পাল্টে যাবে।’
বান্দরবান পর্যটন শিল্প- নীলাচল বান্দরবান প্রধান শহর থেকে প্রায় ৭ কিলোমিটার দূরে টাইগারপাড়ায় সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ২০০০ ফুট উপরে অবস্থিত। নীলাচলের বাইরের দিকটা ছিন্নভিন্ন পাহাড় দ্বারা সজ্জিত হলেও ভেতরটা খুব প্রশান্ত। কোথাও বিস্তীর্ণ দিগন্তের ঢালে ঘোরাঘুরির রাস্তা, কোথাও পাহাড়ি পাড়া,আর তার সঙ্গে রূপালী নদী যেন শিল্পীর আঁকা ছবি। মেঘহীন আকাশে নীলাচল থেকে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের মনোরম দৃশ্য উপভোগ করতে পারেন পর্যটকরা। শহর ছেড়ে চট্টগ্রামের পথে প্রায় তিন কিলোমিটার হেঁটে বাঁ দিকের ছোট্ট রাস্তাটি নীলাচলের পথ। এ পথে প্রায় দুই কিলোমিটার পাহাড়ে উঠতে হবে। নীলগিরি, থানচি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৪০০০ ফুট উপরে অবস্থিত নীলগিরি বাংলাদেশের অন্যতম একটি উঁচু শৃঙ্গ। পুরো এলাকাটি মেঘে ঢেকে থাকার কারণে দর্শণার্থীরা নীলগিরিকে মেঘের দেশ বলে থাকেন। নীলগিরির সূর্যোদয়ের মুহূর্তটি আশ্চর্যজনক এবং কুয়াশাচ্ছন্ন শীতকালে এটি যেকোনো পর্যটককে চমকে দিতে পারে। মনোরম হেলিপ্যাড নীলগিরির সবচেয়ে আকর্ষণীয় জায়গাগুলোর একটি। পর্যটন এলাকাটির রক্ষণাবেক্ষণে নিযুক্ত আছে বাংলাদেশের আর্মি ব্রিগেড।
চিম্বুক পাহাড়,- থানচি,বান্দরবান জেলা থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এটি বাংলাদেশের তৃতীয় বৃহত্তম পর্বত। চান্দের গাড়ি দিয়ে চিম্বুক ভ্রমণের সময় এর চারপাশের নয়নাভিরাম প্রকৃতির দৃশ্য দেখা যায়। দর্শনার্থীরা যখন এই জায়গা থেকে নিচের দিকে তাকায়, তারা মেঘের ভেলা দেখে অবাক হয়ে যায়। বান্দরবান শহর থেকে পৌঁছাতে প্রায় দেড় ঘণ্টা সময় লাগে। সেক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে বিকাল ৪টার পর চিম্বুক-থানচি রুটে কোনো যানবাহন চলবে না। তাই চিম্বুক পাহাড়ে যেতে হলে সেই সময়ের আগেই যেতে হবে। সাধারণত পর্যটকরা চিম্বুক, নীলগিরি, মিলনছড়ি, এবং শৈলপ্রপাত ঝর্ণা একসঙ্গে দেখার জন্য গাড়ি ভাড়া করে। শৈলপ্রপাত ঝর্ণা,থানচি মিলনছড়ির এই জলপ্রপাতটি থানচি থানা থেকে মাত্র কয়েক কিলোমিটার দূরে। এর অত্যন্ত ঠান্ডা এবং স্বচ্ছ পানিতে প্রচুর পাথর দেখা যায়। ঝর্ণাটি স্থানীয়দের জন্য বিশুদ্ধ পানির একটি বড় উৎস। জলপ্রপাতের বাইরে একটি বাজারও রয়েছে যেখানে পর্যটকরা তাঁত পণ্য এবং স্থানীয় খাদ্য সামগ্রী কিনতে পারেন। এখান থেকে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সংগ্রামী জীবন গভীরভাবে অবলোকন করা যায়। বান্দরবানের অন্যতম আকর্ষণ চিম্বুক পাহাড় ও নীলগিরির পথের মাঝেই পড়ে শৈলপ্রপাত। তাই নীলগিরি ভ্রমণের গাড়ি মাঝ পথে থামিয়ে এই ঝর্ণা দেখে নেয়া যায়।
বগালেক, রুমা- বিস্ময়কর এই নীল পানির লেকটির সৌন্দর্য দেখতে প্রতি বছর প্রচুর পর্যটক এখানে আসেন। বর্ষাকালে রাস্তার বেহাল দশার কারণে বগালেকে যাওয়া বেশ কষ্টকর হয়ে যায়। শীতের মৌসুমে পর্যটকরা ক্যাম্প ফায়ার করতে পারেন, যা নিঃসন্দেহে একটি দারুণ স্মৃতি। বান্দরবান থেকে রুমা বাজারের দূরত্ব ৪৮ কিলোমিটার। আর রুমা বাজার থেকে বগালেক পর্যন্ত ১৭ কিলোমিটারের পথ। বর্ষার সময় গাড়ি সরাসরি বগালেক পর্যন্ত যায় না। তাই নতুন পর্যটকদের বগালেক পর্যন্ত হেঁটে যাওয়া জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।
স্বর্ণ মন্দির, বান্দরবান সদর- এই বৌদ্ধ মন্দিরটির আসল নাম বুদ্ধ ধাতু জাদি মন্দির,যেটি বান্দরবানের সেরা দর্শনীয় স্থানসমূহের একটি। মায়ানমারের কারিগরদের কাঠের তৈরি এই অনন্য মন্দিরে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বৌদ্ধমূর্তি রয়েছে। মন্দিরটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৬০০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত। এই স্বর্ণ মন্দিরে যেতে হলে অবশ্যই সকাল সাড়ে ৮টা থেকে বেলা সাড়ে ১১টার মধ্যে যেতে হবে। আর সকালে যেতে না চাইলে দুপুর পৌনে ১টা থেকে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে যেতে হবে। ২০ টাকা প্রবেশ ফি দিয়ে মন্দিরটিতে প্রবেশ করে দর্শনার্থীরা এর স্থাপত্য এবং চারপাশের প্রাকৃতিক দৃশ্য উপভোগ করতে পারেন।
কেওক্রাডং, রুমা- সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় তিন হাজার ১৭২ ফুট উঁচু এই পর্বতটি রুমা সদর থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। ছোট-বড় পাহাড়-পর্বতের সমন্বয়ে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর এই দুর্গম এলাকা। কেওক্রাডং বাংলাদেশ ও মায়ানমার সীমান্তে অবস্থিত। সবুজ পাহাড়ের অপরূপ সৌন্দর্য,শীতল ঝর্ণা, আঁকাবাঁকা পথ,পাহাড়ি রাস্তার ধারে, পাহাড়ের চূড়ায় মেঘের লুকোচুরির খেলা, এই সব কিছু মিলে মনে নেশা ধরিয়ে দিবে। রুমা থেকে কেওক্রাডং যাওয়ার পথে মাঝে পড়বে দার্জিলিং পাড়া নামে একটি ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠীদের গ্রাম। অনেক পর্যটকই যাত্রা বিরতি দিয়ে এই অপূর্ব গ্রামটিতে বিশ্রাম নেয়।