বিগত ১৭ বছর পর দেশের মাটিতে পা রাখলেন তারেক রহমান। নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে সকলের সহযোগিতাও চাইলেন। ঢাকা শহরের মধ্যে গত ৫-৬ দিন দেশের বিভিন্ন প্রান্তর থেকে নেতাকর্মীরা এসে ভীড় জমিয়েছেন। বিমানবন্দরে নেমে তারেক রহমান জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়ে করে ১২টা ২৭মিনিটে ৩শ’ ফিট মঞ্চে উপস্থিত হয়েছেন।
এসময় তারেক রহমান বলেন, সকলে মিলে দেশ গড়তে হবে। এদেশে পাহাড়ের মানুষ আছে। নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই। একজন নারী নিরপদে ঘর থেকে বের হয়ে নিরাপদে ঘরে ফিরে পারে সেই বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই। গত ১৫ বছর স্বৈরাচার সরকার এদেশে নিরীহ অসহায় মানুষ খুন করেছে। ওসমান হাদি খুন হয়েছে সত্য কথা তুলে ধরতে গিয়ে। আধিপত্যবাদ শক্তি মাথাচারা দিয়ে ষড়যন্ত্র লিপ্ত। জনগণের প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই। আমরা দেশে শান্তি চাই, আমরা দেশে শান্তি চাই। দেশের উন্নয়ন ও দেশের মানুষের ভাগ্য উন্নয়নের জন্য কাজ করবো। কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন বলে মনে করেন তারেক রহমান।
খালেদা জিয়ার সাথে জালিম হাসিনা সরকার কি ধরনের আচার-আচরণ করেছে তা আমরা ভুলিনি। যে কোন মূল্যে এদেশে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে হবে। সবাই মিলে করবো কাজ, গড়বো মোরা বাংলাদেশ। নবী করিম (সঃ) দেখানো পথেই যেন এই দেশ পরিচালিত হয় এমন প্রার্থনা করেন তারেক রহমান। বিশাল এই মঞ্চে মায়ের জন্য দোয়া চেয়েছেন তারেক।
১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীন হয়েছিল ক্ষুদা মুক্ত দারিদ্রমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে। ফের বিগত ২০২৪ সালের ৫ আগস্টে দেশের তরুণ প্রজন্মের রক্তের বিনিময়ে নিরাপদ দেশ গড়তে নতুন করে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। হাসিনার দু-শাসন থেকে দেশের মানুষকে নিরাপদে রাখতে ছাত্র জনতা স্বৈরাচার পতনে আন্দোলন করেছিলেন।
তারেক রহমান দেশের মাটিতে নেমেই প্রথমে প্রধান উপদেষ্টাকে ফোন করেন। প্রধান উপদেষ্টা ও তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।
এসময় বক্তব্য রাখেন, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর,বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন আহমেদ ও মির্জা আব্বাসসহ আরো অনেকে। এসময় মঞ্চে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তারেক রহমানের এই প্রত্যাবর্তন ও সংবর্ধনায় সারা দেশ থেকে দলীয় নেতাকর্মীরা ২-৩ দিন আগেই ঢাকার তিনশো ফিটে জমায়েত হয়েছে। অনেকে বলেছেন ৫০-৬০ লাখ মানুষ জমায়েত হয়েছে তারেক রহমানের ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তন ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান ঘিরে।


















