শুক্রবার , ৫ জুন ২০২৬ | ২২শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. জাতীয়
  2. রাঙামাটি
  3. খাগড়াছড়ি
  4. বান্দরবান
  5. পর্যটন
  6. এক্সক্লুসিভ
  7. রাজনীতি
  8. অর্থনীতি
  9. এনজিও
  10. উন্নয়ন খবর
  11. আইন ও অপরাধ
  12. ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী
  13. চাকরির খবর-দরপত্র বিজ্ঞপ্তি
  14. অন্যান্য
  15. কৃষি ও প্রকৃতি
  16. প্রযুক্তি বিশ্ব
  17. ক্রীড়া ও সংস্কৃতি
  18. শিক্ষাঙ্গন
  19. লাইফ স্টাইল
  20. সাহিত্য
  21. খোলা জানালা

রাঙামাটিতে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে সনাকের মানববন্ধন ও সাক্ষরতা অভিযান

প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক, রাঙামাটি
জুন ৫, ২০২৬ ৮:৩৯ অপরাহ্ণ

বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৬ উপলক্ষে রাঙামাটিতে মানববন্ধন ও সাক্ষরতা অভিযান অনুষ্ঠিত হয়েছে। “পরিবেশ দূষণ ও জলবায়ু পরিবর্তন: এখনই সময় নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে রূপান্তরে কার্যকর পদক্ষেপের” স্লোগানে শুক্রবার (৫ জুন) বিকেলে পর্যটন স্পট আসামবস্তি ব্রিজ এলাকায় সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক) রাঙামাটির উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সনাক সদস্য মোহাম্মদ আলী।

‎মানববন্ধনে ধারণাপত্র পাঠ করেন পরিবেশ বিষয়ক অ্যাকটিভ সিটিজেন্স গ্রুপ (এসিজি) এর সদস্য মো. সাইমুন ইসলাম। টিআইবির ইয়েস লিডার মো. মোস্তফার সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন পরিবেশ বিষয়ক এসিজির সহ-সমন্বয়কারী মেমাচিং মারমা, ইয়ুথ ভলান্টিয়ার ফাউন্ডেশনের সহ-সভাপতি শহীদুল ইসলাম, প্রোগ্রেসিভের প্রতিনিধি মনিমালা চাকমা, সনাক সদস্য শামীম আরা বেগম, সীমা দেওয়ান,গৈরিকা চাকমা এবং সনাকের সহ-সভাপতি এসএম মঈন উদ্দিন।

বক্তারা বলেন,রাঙামাটি শহরে প্লাস্টিক বর্জ্যের অপরিকল্পিত ব্যবস্থাপনা পরিবেশ সুরক্ষার ক্ষেত্রে একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। পৌরসভার পচনশীল ও প্লাস্টিক বর্জ্য সংগ্রহ, পৃথকীকরণ এবং পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ ব্যবস্থায় ঘাটতি থাকায় বিপুল পরিমাণ প্লাস্টিক বর্জ্য কাপ্তাই হ্রদে গিয়ে জমা হচ্ছে। এতে হ্রদের পানি ব্যবস্থাপনা ব্যয়বহুল হয়ে উঠছে, জলজ জীববৈচিত্র্য ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব আরও ত্বরান্বিত হচ্ছে।

‎তারা আরও বলেন, পর্যটননির্ভর জেলা হিসেবে রাঙামাটির ব্যাপক সম্ভাবনা থাকলেও যত্রতত্র প্লাস্টিক ও পলিথিন ব্যবহারের কারণে পরিবেশ দূষণ বাড়ছে। বিশেষ করে পর্যটনকেন্দ্রগুলোতে অসচেতনভাবে প্লাস্টিক বোতল, চিপসের প্যাকেট ও অন্যান্য বর্জ্য ফেলে রাখার ফলে পরিবেশের ক্ষতি হচ্ছে। এ অবস্থায় একবার ব্যবহারযোগ্য (সিঙ্গেল-ইউজ) প্লাস্টিক ও পলিথিনের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে বিদ্যমান আইনের কার্যকর প্রয়োগ এবং ব্যাপক বৃক্ষরোপণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন বক্তারা।

‎সভাপতির বক্তব্যে মোহাম্মদ আলী বলেন, কাপ্তাই হ্রদের দূষণ বর্তমানে উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। প্লাস্টিক বর্জ্য হ্রদের পানিতে মিশে জলজ সম্পদের ক্ষতি করছে এবং দীর্ঘমেয়াদে মানবস্বাস্থ্যের জন্যও ঝুঁকি তৈরি করছে। তিনি বলেন, খাবার খাওয়ার পর অনেকেই প্লাস্টিকজাত বর্জ্য ব্রিজের নিচে ও হ্রদে ফেলে দিচ্ছেন, যা দূষণ বৃদ্ধির অন্যতম কারণ। এ সমস্যা সমাধানে পৌরসভাকে পচনশীল ও অপচনশীল বর্জ্য পৃথকভাবে ব্যবস্থাপনার উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

‎এছাড়া আসামবস্তি বাজার এলাকায় সুষ্ঠু বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার পাশাপাশি পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধি, কাপ্তাই হ্রদের দূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং কার্যকর বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে পৌরসভা ও প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান বক্তারা।

‎কর্মসূচিতে সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক), ইয়ুথ এনগেজমেন্ট অ্যান্ড সাপোর্ট (ইয়েস), অ্যাকটিভ সিটিজেন্স গ্রুপ (এসিজি), প্রোগ্রেসিভ, আশিকা, ফেড-রাঙামাটি এবং ইয়ুথ ভলান্টিয়ার ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

সর্বশেষ - আইন ও অপরাধ

error: Content is protected !!
%d bloggers like this: