রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক ইউনিয়নের চম্পাতলী এলাকায় চায়ের দোকানে চাপাতার পরিবর্তে বিষাক্ত কীটনাশক দিয়ে প্রস্তুতকৃত চা খেয়ে ১২ জন অসুস্থ হয়েছেন। আজ (সোমবার, ৬ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। অসুস্থদের মধ্যে কয়েকজন চা পান করার পর বমি করে অজ্ঞান হয়ে পড়েন। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাদের উদ্ধার করে খাগড়াছড়ি জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন রাঙামাটি জেলা পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব।
অসুস্থদের মধ্যে প্রাথমিকভাবে পরিচয় পাওয়া গেছে— সমরজিৎ চাকমা (পিতা: সমিত কুমার চাকমা), রাঙ্গা চাকমা (পিতা: দয়ালাল চাকমা), ছায়ারাণী চাকমা (স্বামী: সমরজিৎ চাকমা) এবং কুমার চাকমা। বাকি আহতদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চম্পাতলী গ্রামের মহারাজ চাকমার চায়ের দোকানে জুমের কাজ শেষে কয়েকজন শ্রমিক চা পান করতে যান। এ সময় দোকানের কর্মচারী চাপাতা মনে করে ধানক্ষেতে ব্যবহৃত ফুরাডন নামের একটি বিষাক্ত কীটনাশক দিয়ে চা তৈরি করেন। সেই চা পান করার কিছুক্ষণ পরই কয়েকজনের বমি, মাথা ঘোরা, পেটব্যথা ও শ্বাসকষ্টসহ বিভিন্ন উপসর্গ দেখা দেয়। এর মধ্যে কয়েকজন অজ্ঞান হয়ে পড়েন।
খবর পেয়ে স্থানীয়রা দ্রুত অসুস্থদের উদ্ধার করে প্রথমে গাড়িযোগে চিকিৎসার জন্য দীঘিনালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠান। পরে তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য খাগড়াছড়ি জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
রাঙামাটির পুলিশ সুপার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, অসুস্থদের খাগড়াছড়ি জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং ঘটনাটি কীভাবে ঘটেছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।


















