রাঙামাটি কোতয়ালী থানার বিশেষ অভিযানে মাদকসেবীসহ ২১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এদের মধ্যে ১১ জন মাদকসেবী, ৫ জন চোর, ৪ জন গণউপদ্রবকারী ও ১ জন দাঙ্গাবাজ রয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দিবাগত রাতে রাঙামাটি পৌরসভার বিভিন্নস্থানে বিশেষ অভিযান চালিয়ে এই আসামীদের গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে আজ (২১ আগস্ট) রাঙামাটি আদালতে সোর্পদ করা হয়েছে।
রাঙামাটির পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব-এর নির্দেশনায় কোতয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ জসীম উদ্দীনের নেতৃত্বে থানা পুলিশের আভিযানিক টিম এ অভিযান পরিচালনা করে।
মাদকসেবনের দায়ে গ্রেপ্তার ১১ আসামী হলেন- ০১। স্বপন চাকমা (২৯), পিতা- সহদেব চাকমা,মাতা-রিতা চাকমা, সাং- উলুছড়ি, ০৩নং ওয়ার্ড, থানা- বাঘাইছড়ি, জেলা- রাঙ্গামাটি, ০২। তোহিন চাকমা (২৯), পিতা- তাতুমনি চাকমা, মাতা- শান্তনা চাকমা, সাং- বাঘাইছড়ি মধ্যেম, থানা- বাঘাইছড়ি, জেলা- রাঙ্গামাটি, ০৩। সুরমনি চাকমা (৩৪), পিতা-গোলচোখা চাকমা,মাতা- জরিনা চাকমা, সাং-রাঙ্গাপানি, থানা-কোতয়ালী, জেলা-রাঙ্গামাটি,
০৪। মনি চাকমা(৫৫), পিতা-মৃত কমলা কান্ত চাকমা, মাতা- মিউমুখী চাকমা, সাং-ছালিয়াজুড়ি, থানা-বরকল, জেলা-রাঙ্গামাটি, ০৫। ধর্ম রতন চাকমা(৪০), পিতা-মৃত মোবিলাশ চন্দ্র চাকমা, মাতা- কালা সোনা চাকমা, সাং-পাবলিক হেল্থ, থানা-কোতয়ালী, জেলা-রাঙ্গামাটি,০৬। মোঃ সোহেল রানা(২৪), পিতা-মোঃ রফিকুল ইসলাম, মাতা-মোছাঃ সুফিয়া বেগম, স্থায়ী সাং-মধ্য ছাদনাই, থানা-ডিমলা, জেলা-নীলফামারী।
০৭। মোঃ আব্দুল খালেক (৩১), পিতা-মোঃ দোলোয়ার ,মাতা-মোছাঃ তারা বানু,সাং-মধ্য ছাদনাই, থানা-ডিমলা, জেলা-নীলফামারী, ০৮। মিটন মালাকার (৪০), পিতা- মৃত রন্জীত মালাকার, মাতা- স্বরসতী মালাকার, সাং- মালিপাড়া, পুরাতন বাসষ্ট্যান্ড, পৌর কলোনী, ০২নং ওয়ার্ড, থানা- কোতয়ালী , জেলা- রাঙ্গামাটি,
০৯। সমেন চাকমা ছোট (৫৩), পিতা- মৃত বিনোদ বিহারী চাকমা, মাতা- মৃত কাঞ্না চাকমা, সাং- ট্রাইবেল আদম, ০৮নং ওয়ার্ড, থানা- কোতয়ালী, জেলা- রাঙ্গামাটি, ১০। সমর রতন চাকমা (৪৫), পিতা- ত্রিদিব কুমার চাকমা, মাতা- সঞ্চিতা চাকমা, সাং- ট্রাইবেল আদম, ০৮নং ওয়ার্ড, থানা- কোতয়ালী, জেলা- রাঙ্গামাটি, ১১। প্রীতম সেন (২২), পিতা- প্রদীপ সেন, মাতা- রিকু সেন, সাং- সড়ক ও জনপথ ( সার্কেল), কোয়াটার, কলেজ গেইট, থানা- কোতয়ালী, জেলা- রাঙ্গামাটি।
এছাড়া ১২। মোঃ জিয়াউর রহমান (৪২), পিতা-মৃত নয়া মিয়া, মাতা-শাফিয়া বেগম, সাং-পশ্চিম ইয়ারিংছড়ি, ৪নং ওয়ার্ড, ১নং আঠারকছড়া ইউপি, (১নং আঠারকছড়া ইউপির সাধারন সম্পাদক, আওয়ামীলীগ) থানা-লংগদু ,জেলা-রাঙ্গামাটি দাঙ্গা সংগঠনের অপরাধে গ্রেফতার করা হয়।
১৩। মোঃ এনামুল হক (৩৬), পিতা- মোঃ ছাদেক আলী, মাতা: মোছাঃ আমেনা বেগম-সাং-পারের হাট খোলা, পশ্চিম ছাসর হাট ৯নং ওয়ার্ড, থানা- সুন্দরগঞ্জ, জেলা -গাইবান্ধা’কে চুরির অপরাধে গ্রেফতার করা হয়। ১৪। রফিকুল ইসলাম বাপ্পি (৪০), পিতা- মোঃ আব্দুল, মাতা: আছিয়া বেগম.সাং-রাজনগর, মাইনী, থানা- লংগদু, জেলা -রাঙ্গামাটি‘কে চুরির অপরাধে গ্রেফতার করা হয়। ১৫। মোঃ আনোয়ার হোসেন (২০), পিতা- জিন্নত আলী, মাতা: ছাহেরা বেগম, সাং-মুক্তিযোদ্ধা পল্লি, শাহবাগান, ৬নং ওয়ার্ড, থানা- খাগড়াছড়ি সদর, জেলা -খাগড়াছড়িকে চুরির অপরাধে গ্রেফতার করা হয়। ১৬। ইয়াছিন আরাফাত রানা(২০), পিতা- মামুনুর রশিদ জুয়েল, মাতা: মৃত জোহুরা বেগম, সাং-পশ্চিম বাঙ্গালী পাড়া, মুন্সী আব্দুল রউফ চত্ত্বরের নিচে ২নং সাফছড়ি, থানা- রাঙ্গামাটি সদর, জেলা- রাঙ্গামাটিকে চুরির অপরাধে গ্রেফতার করা হয়।
১৭। আইনের সাথে সংঘাতে জড়িত শিশু মিনতাজ রহমান (১৫), পিতা-মৃত ইলিয়াস, মাতা- শিমু আক্তার, সাং-সোনালী ব্যাংকের নীচে, কোর্ট বিল্ডিং শাখা, থানা-কোতয়ালী, জেলা- রাঙ্গামাটিকে চুরির অপরাধে গ্রেফতার করা হয় এবং আসামীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে বিধি মোতাবেক বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। ১৮। মোঃ জিয়াউর রহমান (৪৫), পিতা-মতৃ নুরুজ্জামান, মাতা-জাহানারা বেগম, সাং-গণমোড় শিলকাটা, খাগড়াছড়ি, ইউপি বাসান্নাআদম, থানা-লংগদু, জেলা-রাঙ্গামাটি, ১৯। ইব্রাহিম খলিল (২৫), পিতা-নাজিম উদ্দিন, মাতা-মনোয়ারা বেগম, সাং-হিংগলা, ডাবুয়া ইউপি, থানা-রাউজান, জেলা-চট্টগাম, ২০। বেবী আক্তার লাকী (৩০), স্বামী-মৃত ফারুক,পিতা-আব্দুর রহমান, মাতা-ফাতেমা বেগম, সাং-গোরকঘাটা, মুড়াকাটা, থানা-চকরিয়া, জেলা-কক্সাবাজার, ২১। খুশি আক্তার (২০), স্বামী-পারভেজ, পিতা-আব্দুর রহমান, মাতা-রেজিয়া বেগম, সাং-মায়ানী পশ্চিম বাইট্টাপাড়া, মায়ানীমুখ ইউপি, থানা-লংগদু, জেলা-রাঙ্গামাটিদের গণউপদ্রবকারী হিসাবে গ্রেফতার করা হয় এবং আসামীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে বিধি মোতাবেক আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
কোতয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ জসীম উদ্দীন জানিয়েছেন -আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে পুলিশের এ ধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে।


















