আগামী স্থানীয় নির্বাচনে ক্লিন ইমেজধারীদের সুখবর দিয়ে ওয়াদুদ ভুঁইয়া বলেছেন, যারা ইতিমধ্যে বিভিন্নভাবে কলংকিত হয়ে গেছেন আমরা তাদের নমিনেশন দিতে পারবোনা। যারা মানুষের গাছ কেটে ফেলছে বাগান কেটে ফেলছে এমন নেতাও আমরা দিতে পারবোনা, বড় নেতা কিন্তু জনসম্পৃক্ততা নেই তাদেরও নমিনেশন দেয়া হবেনা, নেতা ছোট কিন্ত জনসম্পৃক্ততা আছে জনপ্রিয়তা আছে তাদেরকে আমরা সমর্থন দেবো।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে রামগড় শিল্পী কমিউনিটি সেন্টারে উপজেলা ও পৌর বিএনপির উদ্যোগে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য এসব কথা বলেছেন, খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির সভাপতি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ওয়াদুদ ভূঁইয়া এমপি।
উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো: জসিম উদ্দিন এর সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন, খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি হাফেজ আহমেদ ভূঁইয়া, যুগ্ম সম্পাদক অ্যাডভোকেট মালেক মিন্টু, যুগ্ম সম্পাদক অনিমেষ চাকমা রিংকু, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আবদুর রব রাজা, রামগড় পৌর বিএনপির সভাপতি বাহার উদ্দিন, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শেফায়েত মোর্শেদ ভূঁইয়া মিঠু এবং পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শেফায়েত উল্লাহসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।
ইউনিয়নের তৃণমূল পর্যায়ে নেতাকর্মীদের সাথে নির্বাচনী আলোচনা শুরু করাও দির্দেশনা দিয়ে ওয়াদুদ ভূইয়া আরো বলেন, যদি দলে যোগ্য ব্যক্তি পাওয়া না যায় তাহলে কোন দল করেনা কিন্তু জনগণ তাকে ভালবাসে তার সাথে জনসম্পৃক্ততা আছে তাকে তুলে আনতে হবে তাকেই সমর্থন দিতে হবে। তারপরও অযোগ্যের হাতে ক্ষমতা তুলে দেওয়া হবেনা।
এছাড়া মতবিনিময় সভায় রামগড় উপজেলা ও পৌর বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা হয়। একই সঙ্গে ইউনিয়ন পর্যায়ে সংগঠনের কার্যক্রম আরও গতিশীল করা, তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে সমন্বয় বৃদ্ধি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর কার্যক্রম আনো গতিশীল করার নির্দেশনা দেন এ নেতা।
সভায় উপজেলা, পৌর ও ইউনিয়ন বিএনপির নেতাকর্মীদের পাশাপাশি যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদলসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এরআগে বিকেলে ওয়াদুদ ভূইয়া রামগড়ের তৈছালাপাড়ায় পরিত্যাক্ত আবাসিক ছাত্রছাত্রীদের জন্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক নির্মিত অনাথ আশ্রম ও রামগড়ের মাষ্টারপাড়ায় নির্মানাধীণ পরিত্যাক্ত টাউন হল ও রামগড় পর্যটন লেক পরিদর্শন করে ১৭ বছরের আওয়ামী দু:শাষনে অবহেলিত এসব স্থাপনা পূর্ণনির্মাণ করে চালু করে সৌন্দর্য বর্ধনের প্রতিশ্রুতি দেন।
পরিদর্শনে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব:) অনুপ কুমার চাকমা সহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।


















