রবিবার , ২০ আগস্ট ২০২৩ | ১লা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
  1. জাতীয়
  2. রাঙামাটি
  3. খাগড়াছড়ি
  4. বান্দরবান
  5. পর্যটন
  6. এক্সক্লুসিভ
  7. রাজনীতি
  8. অর্থনীতি
  9. এনজিও
  10. উন্নয়ন খবর
  11. আইন ও অপরাধ
  12. ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী
  13. চাকরির খবর-দরপত্র বিজ্ঞপ্তি
  14. অন্যান্য
  15. কৃষি ও প্রকৃতি
  16. প্রযুক্তি বিশ্ব
  17. ক্রীড়া ও সংস্কৃতি
  18. শিক্ষাঙ্গন
  19. লাইফ স্টাইল
  20. সাহিত্য
  21. খোলা জানালা

প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে পর্যটকহীন বান্দরবান

প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক, বান্দরবান
আগস্ট ২০, ২০২৩ ৪:৩৯ অপরাহ্ণ

ভ্রমণ পিপাসুদের কাছে পর্যটন স্থানগুলোর মধ্যে অন্যতম আকর্ষণীয় স্থান বান্দরবান। বর্ষা মৌসুম এই সময়ে পাহাড়ে এখন সবুজের সমারোহ। যেদিকে চোখ যায় চারদিকে সবুজ অরণ্য ঘেরা।

বিশেষ করে পাহাড়ের চূড়ায় বসলে শীতল বাতাসে ঠান্ডা হয়ে আসে শরীর। এবং হালকা বৃষ্টির পর পাহাড়ী আঁকাবাঁকা সড়কে যাওয়া পথে পাহাড়ে চূড়া থেকে দেখলে মনে হবে, এ যেন মেঘের সঙ্গে পাহাড়ের লুকোচুরি খেলা। বলা যায়, পাহাড়ের প্রকৃতি যেন মুগ্ধতার শেষ নেই। পাহাড়ের এই সৌন্দর্য কাছ থেকেই দখতে পর্যটকদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠে পর্যটন নগরী বান্দরবানে।

কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে টানা অবিরাম বৃষ্টিপাতের কারণে পাহাড়ে মাটি নরম হয়ে সড়কের বিভিন্ন জায়গায় ধসে পড়েছে। বিশেষ করে বান্দরবান সদর হইতে পর্যটন এলাকা থানচি নীলগিরি রুটে পোড়া বাংলো ও রুমা সড়কে ওয়াইজংশনের কয়েক কিলোমিটার দূরে পাথুইপাড়া নামক স্থানে সড়কের একটি বিশাল অংশ ধসে পড়ে। সড়কের কোথাও বিশ ফিট, আবার কোথাও চল্লিশ ফিট পর্যন্ত সড়ক ধসে পড়েছে কয়েকশো ফুট পাহাড়ের নিচে। তাছাড়া সড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে ভেঙে গেছে। এতে দুই উপজেলা সঙ্গে এখনও বন্ধ রয়েছে সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা। সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় ওই রুটে যানবাহন চলাচল একেবারে অনুপযোগী পড়ে। তাছাড়া চলতি মাসে বান্দরবানে আলীকদম উপজেলা দুর্গম দোছড়ি এলাকার সাইংপ্রা ঝর্ণা ঘুরতে গিয়ে অসাবধানতাবসত পা পিছলে পাহাড় হতে নিচে পড়ে এক ট্যুর অপারেটর ঘটনাস্থলে তার মৃত্যু হয়। এরপর থেকে প্রশাসন পক্ষ থেকে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে পর্যটকদের সাড়া না পাওয়ার হতাশ পর্যটনের সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।


জানা গেছে, দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় সন্ত্রাসীদের নির্মূল অভিযান চলমান থাকায় জনসাধারণে নিরাপত্তাজনিত কারণে বান্দরবানের কয়েকটি উপজেলায় ভ্রমণের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন জেলা প্রশাসন। দীর্ঘ নয়মাস বন্ধ থাকার পর স্থানীয় জেলা প্রশাসন রুমা ও থানচি দুই উপজেলা পর্যটকদের জন্য দুয়ার খুলে দিয়েছিলেন। এতে করে পর্যটন সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। কিন্তু পর্যটন ব্যবসা কিছুটা চাঙ্গা হতে না হতেই স্মরণ কালের ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগে আবারও ধস নামা শুরু করলাে পর্যটন খাতে। এই প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে পুরাে জেলা জুড়ে হােটেল -মােটেল ও রিসাের্ট থেকে শুরু করে পর্যটক গাইডরা বেকারত্ব পাশাপাশি দুশ্চিন্তায় ভুগছেন।


এদিকে যান্ত্রিক চালিত নৌকায় করে রুমা ও থানচি দুই উপজেলা যাতায়াতে একমাত্র বাহন। তবে সময় ব্যয় ও অতিরিক্ত ভাড়া বহন করতে হচ্ছে নৌ পথে চলাচলকারীদের। সড়কে যোগাযোগ ব্যবস্থা স্বাভাবিক না হাওয়া পর্যন্ত এই জনপদে দূর-দূরান্ত থেকে পর্যটকের আনাগোনা কমে যাবে। এমন ভয়াবহ পরিস্থিতিতে পর্যটন শিল্পে অনৈতিকভাবে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
পর্যটন ব্যবসায়ী ও পর্যটক গাইডরা জানান, পর্যটন নগরী বান্দরবান জেলার ব্যবসা-বাণিজ্য মূলত পর্যটনকে ঘিরেই। বান্দরবানে পর্যটন খাতে একের পর এক বিরূপ প্রতিক্রিয়া কারণে ধস নেমেছে। দেশের মহামারী করোনা পর পাহাড়ে জঙ্গি নির্মূল আর স্মরণকালে ভয়াবহ বন্যা ও পাহাড় ধসে বান্দরবানে পর্যটন শিল্প এখন বিপর্যস্ত। এরূপ পরিস্থিতির কারণে দিনদিন গাইডরা বেকারত্ব সময় পাড় করছে। এবং পর্যটন ব্যবসায়ীদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে।
বান্দরবানে আবাসিক হোটেল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম বলেন, দেশের মহামারি কারোনা পর পাহাড়ে জঙ্গি নির্মূল আর গেল ভয়াবহ বন্যায় প্রকৃতিক দুর্যোগে ফলে পর্যটন খাতে অপূরণীয় ক্ষতি হচ্ছে। তা কোনো মতে পুষিয়ে নেওয়া সম্ভব না।
তিনি বলেন, পর্যটক মৌসুমে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৫০লক্ষ টাকা আয় হতো। বর্তমানে প্রতিমাসে প্রায় ১৫ কোটি টাকা ক্ষতি সম্মুখীন হচ্ছি। তাছাড়া হোটেল-মোটেল, রিসোর্ট, গেস্ট হাউস ও কটেজগুলোতে থাকছে ২০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়। এই অফার আগামী অক্টোবর মাস পর্যন্ত চলমান থাকবে। আশা করি, পরিস্থিতি শান্ত আর সড়ক যোগাযোগ স্বাভাবিক হলেই আবারও আগমণ ঘটবে পর্যটন নগরী এই জনপদে।
বান্দরবান জেলা প্রশাসক শাহ্ মোজাহিদ উদ্দিন জানান, সেনাবাহিনী তত্ত্বাবধানে রুমা ও থানচি দুই উপজেলা সড়ক ভাঙ্গন এলাকাগুলো পাহাড় কাটিং করে বাইপাস সড়ক তৈরি করা হচ্ছে। ওই রুটে সড়ক যোগাযোগ স্বাভাবিক হলে, স্থানীয়দের আর্থসামাজিক উন্নয়নের পাশাপাশি পর্যটকরা অনায়াসে চলাচল করতে পারবেন।
এই দুর্যোগে ট্যুরিজম ও টুরিস্ট গাইডরা অনেকক্ষতি হয়েছে বলে আমি মনে করি। এই বিষয়ে ট্যুরিজম বোর্ড ও মন্ত্রণালয়ের কাছে সহযোগিতা চাইবো। তাদের পক্ষ থেকে কোনো বিশেষ প্রণোদনা দেওয়া যায় কিনা মত দেন এই কর্মকর্তা।

সর্বশেষ - আইন ও অপরাধ

আপনার জন্য নির্বাচিত

বাড়ির আঙিনায় গাঁজা গাছ, চেনেন না মালিক!

সেনাবাহিনীর উদ্যোগে রাজস্থলী ও বাঙ্গালহালিয়াতে পার্বত্য শান্তি চুক্তির ২৫ বর্ষপূর্তি উদযাপন

খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় / বিদ্যুতের আশ্বাসে খুঁটি দেখিয়েই আট বছর পার

রামগড়ে নানা আয়োজনে মহান বিজয় দিবস উদযাপিত

ওয়াগ্গাছড়া চা বাগান শ্রমিকদের মাঝে কুঁড়েঘর সনাতনী পরিবারের শারদবস্ত্র বিতরণ

কর্ণফুলী নদীতে ড্রেজিং করতে এসে ক্রেন নদীতে পড়ে গেল

কাউখালীতে কমিউনিটি পুলিশং ডে অনুষ্ঠিত 

বান্দরবানের রুমায় প্রতিপক্ষের হামলায় পাঁচজন নিহত

কাউখালীত রেশম উন্নয়ন বোর্ডের সেমিনার অনুষ্ঠিত 

বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুনার্মেন্টে চ্যাম্পিয়ন মানিকছড়ি ইউনিয়ন দল

%d bloggers like this: