মঙ্গলবার , ১৬ জানুয়ারি ২০২৪ | ১৭ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
  1. জাতীয়
  2. রাঙামাটি
  3. খাগড়াছড়ি
  4. বান্দরবান
  5. পর্যটন
  6. এক্সক্লুসিভ
  7. রাজনীতি
  8. অর্থনীতি
  9. এনজিও
  10. উন্নয়ন খবর
  11. আইন ও অপরাধ
  12. ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী
  13. চাকরির খবর-দরপত্র বিজ্ঞপ্তি
  14. অন্যান্য
  15. কৃষি ও প্রকৃতি
  16. প্রযুক্তি বিশ্ব
  17. ক্রীড়া ও সংস্কৃতি
  18. শিক্ষাঙ্গন
  19. লাইফ স্টাইল
  20. সাহিত্য
  21. খোলা জানালা

বান্দরবানে বিস্তীর্ণ মাঠ জুড়ে শীতকালীন শিমের আবাদ; চাষীর মুখে হাসি

প্রতিবেদক
কিকিউ মারমা, বান্দরবান।
জানুয়ারি ১৬, ২০২৪ ৯:০৪ অপরাহ্ণ

বান্দরবানে শীত মৌসুমের অন্যতম সবজি শিম চাষের আবাদ দিন দিন বাড়ছে। কেউ বসত বাড়ীর আঙিনায় আর আশেপাশে নদীর পাড় ও পাহাড়ের সমতল জায়গায় শিমের চাষ করছেন চাষিরা। কম মূলধন ও স্বল্প পরিশ্রমে অধিক লাভজনক হওয়ার কৃষকরা শিম চাষে ঝুঁকছেন৷ এবারে ভাল ফলন পাশাপাশি ন্যায্য মূল্যে দাম পাওয়ায় খুশি প্রান্তিক কৃষকরা। চলতি মৌসুমে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় পাশাপাশি অন্যান্য বছর তুলনায় ক্ষেতে রোগ-বালাই কম হওয়ায় ভালো ফলন হয়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষিবিভাগ।


সরেজমিনে দেখা গেছে, সদর উপজেলার বেশ কয়েকটি এলাকায় বিস্তৃীর্ণ মাঠ জুড়ে ছেয়ে গেছে শিমের ক্ষেত। বেগুনি রংঙে ফুলে ভরা থোকায় থোকায় ঝুলে আছে শিম। এমন চিত্র বেশির ভাগ দেখা মিলছে সুয়ালক, মাঝেরপাড়া, গোয়ালিখোলা, কদুখোলা, রেইছা, ডলুপাড়া বালাঘাটা এলাকা। ভোর থেকে নারী-পুরুষ দলবেঁধে শিম সংগ্রহ ও পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা। কেউ ছিড়ছেন আবার কেউ বস্তায় ভরে নিয়ে যাচ্ছেন গন্তব্যে। সেখানে বেশি চাষ হয় সীতাকুণ্ড, ইপসা, নলডুবি কার্তিকীসহ বিভিন্ন দেশীয় জাতের শিম। পাহাড়ে উৎপাদিত এই শিম প্রতিদিন এসব এলাকা থেকে ট্রাক ও পিকআপ যোগে পাইকাররা নিয়ে যায় চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে।
কথা হয় রেইচা শিম চাষী হ্লামং প্রু মারমা বলেন, এবার দুই একর জমিতে শিমের চাষ করেছেন। সার ও কীটনাশকসহ সবকিছু মিলে খরচ হয়েছে প্রায় ৬০ হাজারের মত। প্রথমধাপে বিক্রি করে ৩০ হাজার টাকা আয় করেছি। শেষ মুহুর্তে পর্যন্ত শিম বিক্রি করে দেড়লাখ টাকা পাওয়ার আশা করছি।

কয়েকটি এলাকার ঘুরে কথা হয় আব্দুল্লাহ, টিপু চাকমা, শৈনাইচিং মারমাসহ কয়েকজন চাষীদের সাথে। তারা জানান, আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় শীতকালীন সবজি এই শিমের এবার ভালো ফলন হয়েছে। লাভজনক হওয়ার অনেকেই তামাক পরিবর্তে সিম চাষের ঝুঁকছে। তাছাড়া কৃষি বিভাগ থেকে বিভিন্ন ধরণে সার, কীটনাশক, বীজসহ প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিচ্ছেন। এই শিম চাষের অল্প পুঁজিতে লাভবান হতে পারছেন কৃষকরা। ভালো মত পরিচর্যা করলে প্রায় ৮ থেকে ৯ বার বিক্রি করা যায় বলে জানিয়েছেন প্রান্তিক কৃষকরা।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর তথ্যনুযায়ী, গেল বছরের জেলায় ৬ শত ৬২ হেক্টর জমিতে শিমের আবাদ হয়েছে। যা উৎপাদিত মাত্রা ছিল ৮টন। চলছি বছরে কমে ৬শত ৫০ হেক্টর জমিতে আবাদ হয়েছে। উৎপাদিত মাত্রা ধরা হয়েছে ১০ হাজার ৪ শত মেট্রিক টন। তবে জেলায় ভয়াবহ বন্যা কবলিত কারণে কৃষি আবাদের পরিমাণ কিছুটা বিঘ্ন ঘটেছে জানান কৃষি বিভাগ।

বান্দরবানে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর অতিরিক্ত উপ-পরিচালক কৃষিবিদ হাসান আলী বলেন, এবার জেলার জুড়ে শিমের ফলন ভালো হয়েছে। বর্তমানে বাজারে যে দাম রয়েছে সেসব দামে বিক্রি করছেন চাষিরা। চলতি মৌসুমে আশানুরূপ ফলন হওয়ার নায্যমূল্য দাম পেয়ে খুশি কৃষকরা। তাছাড়া শিমের ফলন আরো যাতে বাড়ে সেজন্য মাঠে মাঠে গিয়ে কৃষকদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
ছবি ক্যাপশন- বান্দরবান সদর উপজেলা সুয়ালক এলাকা থেকে তোলা।

সর্বশেষ - আইন ও অপরাধ

আপনার জন্য নির্বাচিত
%d bloggers like this: