মঙ্গলবার , ৬ জানুয়ারি ২০২৬ | ৮ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
  1. জাতীয়
  2. রাঙামাটি
  3. খাগড়াছড়ি
  4. বান্দরবান
  5. পর্যটন
  6. এক্সক্লুসিভ
  7. রাজনীতি
  8. অর্থনীতি
  9. এনজিও
  10. উন্নয়ন খবর
  11. আইন ও অপরাধ
  12. ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী
  13. চাকরির খবর-দরপত্র বিজ্ঞপ্তি
  14. অন্যান্য
  15. কৃষি ও প্রকৃতি
  16. প্রযুক্তি বিশ্ব
  17. ক্রীড়া ও সংস্কৃতি
  18. শিক্ষাঙ্গন
  19. লাইফ স্টাইল
  20. সাহিত্য
  21. খোলা জানালা

খাগড়াছড়িতে বনবিভাগের হাতে তিনটি বন্যপ্রাণী তুলে দিলেন প্রাণিপ্রেমী নবদ্বীপ চাকমা

প্রতিবেদক
বিশেষ প্রতিনিধি, খাগড়াছড়ি
জানুয়ারি ৬, ২০২৬ ৫:৫৮ অপরাহ্ণ

শিশু থেকে নিজের ঘরে পরম মমতায় পালিত দুটি হরিণ ও একটি ভালুক স্বেচ্ছায় বনবিভাগের হাতে তুলে দিয়েছেন, প্রাণিপ্রেমী নবদ্বীপ চাকমা। মঙ্গলবার বিকেলে খাগড়াছড়ি শহরের তেঁতুলতলাস্থ তাঁর নিজ বাড়িতে খাগড়াছড়ি বিভাগীন বন কর্মকর্তা মো: ফরিদ মিঞ্রার কাছে তিনি সানন্দে প্রাণিগুলো তুলে দেন। এসময় ডুলাহাজারা সাফারি পার্কের একজন প্রতিনিধিও উপস্থিত ছিলেন।

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য ও জেলা বিএনপি নেতা অনিমেষ চাকমা’র উদ্যোগেই মূলত: প্রাণিগুলো সরকারি কতৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। তিনি জানান, নবদ্বীপ চাকমা রাঙামাটির বাঘাইছড়িতে বেড়ে উঠেছেন। একসময় ইউপি সদস্যও ছিলেন। বাঘাইছড়িতে তিনি ছোটকাল থেকেই বন্যপ্রাণি দেখে আসছেন। দরিদ্র মানুষদেরকে হাটে-বাজারে শিকার করা হরিণের মাংস বিক্রিসহ নানা ধরণের প্রকৃতি ও প্রাণবিনাশী কর্মকান্ড থেকে বিরত রাখার চেষ্টা করে আসছেন।

নবদ্বীপ চাকমা জানান, এখন তিনি পেশায় একজন প্রথম শেণীর ঠিকাদার। খাগড়াছড়ি শহরেই থাকেন। বিভিন্ন মাধ্যমে খবর নিয়ে জীবিত ও আহত বন্যপ্রাণি সংগ্রহ করে তাদের লালন-পালন করে তিনি আনন্দ ও স্বস্তি লাভ করেন। ভগবান বুদ্ধের অমিয় বাণী ‘জীবহত্যা মহাপাপ’ এই নীতিবাক্য মেনে তিনি বন্যপ্রাণির জীবন রক্ষার চেষ্টা করেন।

নবদ্বীপ চাকমা জানান, আজকে হস্তান্তর করা দুটি হরিণ তিনি একদম শিশুকাল থেকেই লালন পালন করেছেন। ভালুকটি আহত অবস্থায় পেয়েছেন। বানরটিও সুস্থ ছিল না। দীর্ঘদিন ধরে এগুলো যথাযথ কতৃপক্ষের হাতে তুলে দিতে চাচ্ছিলাম। পথ ও মাধ্যম খুঁজে পাচ্ছিলাম না। অবশেষে অনিমেচাকমা রিঙ্কু বাবু’র মাধ্যমে প্রাণীগুলোর জীবনের একটি নিরাপদ ঠিকানা পেলাম বলে ভালো লাগছে।

খাগড়াছড়ির বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো: ফরিদ মিঞ্রা জানান, পাহাড়ে বিপন্ন বন্যপ্রাণী রক্ষায় নবদ্ধীপ চাকমা এবং অনিমেষ চাকমা রিঙ্কু’র মতো প্রাণ-প্রকৃতির অনুঘটকদের এগিয়ে আসতে হবে। আমরাও উর্ধ্বতন কতৃপক্ষকে এই ধরনের সংগৃহীত বন্যপ্রাণী রক্ষাকারীদের উদ্বুদ্ধ করার প্রস্তাবনা পাঠাবো।

তিনি জানান, সাফারি পার্কের প্রতিনিধিকে অনুরোধ করে ডেকে আনা হয়েছে। প্রাণিগুলো যতো শিগগির তাঁদের কাছে পৌছে দেয়া হবে।

উল্লেখ্য, প্রাণিগুলো হস্তান্তরের সময় নবদ্ধীপ চাকমা’র পরিবারের সবার চোখে জল নামলেও প্রত্যক্ষদর্শীরা তাঁদের মনভরা ভালোবাসা জানান।

সর্বশেষ - আইন ও অপরাধ

error: Content is protected !!
%d bloggers like this: