কাপ্তাই হ্রদের পানি কমায় ৬ দিন পরে ভেসে উঠেছে রাঙামাটির পর্যটন ঝুলন্ত সেতু। তুলে নেয়া হয়েছে দর্শনার্থীদের সেতু ভ্রমণের নিষেধাজ্ঞা । সেতুতে ভ্রমণ স্বাভাবিক হতে শুরু করায় খুশি পর্যটকরা। এ মৌসুমে সেতু ডুবে যাওয়ার ঘটনা এটিই প্রথম। এর আগে গেল বছরের ২৩ অক্টোবর ৮৫ দিন পরে ভেসে উঠে এই ঝুলন্ত সেতু।
কাপ্তাই হ্রদের পানির ধারণ ক্ষমতা ১০৯ ফুট। কিন্তু বৃষ্টিপাত আর উজানের ঢলে হ্রদের পানি বাড়ায় গেল ২৯ আগস্ট বিকেলে ডুবতে শুরু করে রাঙামাটি পর্যটনের আইকন পর্যটন ঝুলন্ত সেতু। এরপরই নিরাপত্তার কারণে ৩০ আগস্ট থেকে সেতু ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা দেন সেতু কর্তৃপক্ষ।
তবে সেতু থেকে পানি পুরোপুরি নেমে যাওয়ায় শুক্রবার (৪ আগস্ট) বিকেলে দর্শনার্থীদের জন্য সেতু ভ্রমণের নিষেধাজ্ঞা তুলে নেন সেতু কর্তৃপক্ষ। এরপরই সেতু ভ্রমণ উপভোগ করতে শুরু করেন পর্যটকরা। তবে শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সেতু ভ্রমণের টিকিট বিক্রির বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ৬ দিন পর আজ থেকে সেতু ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়া খুশি দর্শনার্থীরা।
রাঙামাটিতে পর্যটকদের মূল আকর্ষণ ৩৩৫ ফুট দৈর্ঘের ঝুলন্ত সেতুকে ঘিরেই। বছরে প্রায় ৫ লাখের বেশি দেশি-বিদেশি পর্যটক ভ্রমন করে থাকেন। সেতু ভ্রমণে জনপ্রতি ৩০ টাকা প্রবেশ ফি থেকে সরকার বাৎসরিক রাজস্ব আয় করে থাকে প্রায় এক কোটি টাকা। কিন্তু প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে হ্রদে পানি বৃদ্ধি পেয়ে ঝুলন্ত সেতু ডুবে গেলে পর্যটকদের নিরাপত্তায় সেতুতে চলাচলে নিষেধাজ্ঞা দেন কর্তৃপক্ষ। এতে সেতু ভ্রমণ বন্ধ থাকায় কাংখিত রাজস্ব বঞ্চিত হয় সরকার। সর্বশেষ গেল বছরের ২৯ জুলাই থেকে ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত পানিতে ডুবে থাকার ৮৫ দিন পরে ভেসে উঠে এই ঝুলন্ত সেতু।
ঝুলন্ত সেতু টিকিট কাউন্টার ম্যানেজার হাসান আহমেদ সোহেল বলেন – বৃষ্টি আর উজানের ঢলে কাপ্তাই হ্রদের পানি বাড়ায় গেল ২৯ আগস্ট রাঙামাটির সিম্বল ঝুলন্ত সেতুর পাটাতন পানিতে ডুবে যায়। ৬ দিন পর আজ পানি সরে গেছে। কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা ৫ সেপ্টেম্বর আমরা আগত দর্শনার্থীদের মধ্যে টিকিট বিক্রির বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু করেছি।


















