বৃহস্পতিবার , ৩০ অক্টোবর ২০২৫ |
  1. জাতীয়
  2. রাঙামাটি
  3. খাগড়াছড়ি
  4. বান্দরবান
  5. চট্টগ্রাম
  6. আইন ও অপরাধ
  7. রাজনীতি
  8. পর্যটন
  9. ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী
  10. এক্সক্লুসিভ
  11. অর্থনীতি
  12. এনজিও
  13. চাকরির খবর-দরপত্র বিজ্ঞপ্তি
  14. উন্নয়ন খবর
  15. ক্রীড়া ও সংস্কৃতি
  16. খোলা জানালা
  17. কৃষি ও প্রকৃতি
  18. প্রযুক্তি বিশ্ব
  19. শিক্ষাঙ্গন
  20. লাইফ স্টাইল
  21. সাহিত্য
  22. অন্যান্য

বাঘাইছড়িতে এতিমের দুম্বার মাংস কার পেটে?

প্রতিবেদক
ইমরান হোসেন, বাঘাইছড়ি, রাঙামাটি
অক্টোবর ৩০, ২০২৫ ৮:৫৩ অপরাহ্ণ

প্রতিবছরের ন্যায় এবারও সৌদি আরব সরকার কোরবানির দুম্বার মাংস বাংলাদেশে উপহার হিসেবে পাঠিয়েছে। তবে রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলায় এর সুষ্ঠু বিতরণ নিয়ে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের প্রশ্ন, এতিম ও দুস্থদের জন্য বরাদ্দকৃত এই মাংস কি প্রকৃতপক্ষে তাদের কাছে পৌঁছেছে, নাকি প্রশাসনের অভ্যন্তরে ভাগ-বাটোয়ারার শিকার হয়েছে?

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বরাদ্দকৃত দুম্বার মাংসের একটি অংশ উপজেলা পরিষদ ও কতিপয় ব্যাক্তির পেটে চলে গেছে। এতিমখানা ও দরিদ্রদের জন্য বরাদ্দ থাকলেও অনেকেই মাংস পাননি।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার অফিস সহকারী মোঃ জিহাদ জানিয়েছেন, রাঙামাটি জেলা থেকে বাঘাইছড়ির জন্য মোট ২২ কার্টুন দুম্বার মাংস পাঠানো হয়েছিল। প্রতিটি কার্টুনে আট প্যাকেট মাংস থাকায় মোট বরাদ্দের পরিমাণ প্রায় ৫৫০ কেজি হওয়ার কথা। তবে উপজেলা পরিষদে পৌঁছানোর আগে এক কার্টুনের হদিস মিলেনি। তিনি বলেন, “আমরা প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদে এক করে কার্টুন দিয়েছি এবং তালিকাভুক্ত মাদ্রাসা ও দুস্থদের মধ্যে বিতরণের নির্দেশ দিয়েছি।”

উপজেলার আটটি ইউনিয়নের চেয়ারম্যানরা জানিয়েছেন, তাঁদের ইউনিয়নে প্রত্যেককে একটি করে কার্টুন বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন এতিমখানা ও মাদ্রাসা দায়িত্বপ্রাপ্তরা প্রত্যেকে দুই প্যাকেট মাংস পেয়েছেন। এই হিসেবে তিন কার্টুন মাংস এতিমখানা ও মাদ্রাসাগুলোর মধ্যে বিতরণ হয়েছে।

মোট ১২ কার্টুনের তথ্য পাওয়া গেছে, ইউনিয়ন পরিষদ, এতিমখানা ও মাদ্রাসার জন্য বিতরণ হওয়া এবং পথে উধাও হওয়া কার্টুনসহ। কিন্তু বরাদ্দ ছিল ২২ কার্টুন। বাকী ১০ কার্টুনের হদিস পাওয়া যায়নি। প্রশ্ন উঠেছে—অবশিষ্ট মাংস কোথায় গেল?

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আমেনা মারজানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি সরাসরি মন্তব্য না করে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন। পরবর্তীতে তাঁর অফিসে গেলে ও ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও পাওয়া যায়নি।

ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ হওয়ার পর এলাকাজুড়ে সমালোচনা দেখা দিয়েছে। ফেসবুকে স্থানীয় বাসিন্দা মোক্তার হোসেন সোহেল মন্তব্য করেন, “কয়জন প্রকৃত দুস্থ মানুষ এই মাংস পেয়েছে, তার জবাব দিতে হবে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তাকে।” আর খোরশেদ সিএইচটি বলেন, “কর্তৃপক্ষের সুন্দর মুখোশের আড়ালে চরিত্র উন্মোচনে দুম্বার মাংস বেশ কার্যকর ভূমিকা রেখেছে।”

সচেতন মহল মনে করছেন, আগের ইউএনও শিরিন আক্তার নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে বদলি হন। বর্তমান ইউএনও আমেনা মারজানের ওপর জনগণের আস্থা ছিল যে তিনি সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করবেন। কিন্তু এতিম ও দরিদ্রদের প্রাপ্য মাংসের এই ভাগাভাগি প্রশাসনের ভাবমূর্তিকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।

এমতাবস্থায় স্থানীয়রা দ্রুত সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

সর্বশেষ - আইন ও অপরাধ

আপনার জন্য নির্বাচিত

বাঘাইছড়িতে জামানত হারালেন আ’লীগ প্রার্থী ও তার বাবা

৭ সদস্য বিশিষ্ট কাপ্তাই উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার এডহক কমিটি গঠন

লিলি পাংখোয়ার জন্য কাপ্তাই ইউএনও’র ভালোবাসা

অদম্য নারী পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত হলেন ঈদগাহ হাই স্কুলের খুরশিদুল জান্নাত

কাপ্তাই হ্রদে চর, বিদ্যুৎকেন্দ্রের ৪ ইউনিট বন্ধ

শান্তিচুক্তি বাতিল ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি পি‌সি‌সি‌পি’র

জুলাই বিপ্লব আমাদের সাম্য, মৈত্রী ও মানবিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছে- পার্বত্য উপদেষ্টা

দুর্গম ধূপপানি পাড়ায় শিক্ষার আলো ছড়াচ্ছে ‘ধূপপানি শিশুকানন’

জেলা পুলিশ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট- ২০২৬ এর ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

ঈদগাঁওয়ে শিক্ষার্থীদের বিদায় ও বৃত্তিপ্রাপ্তদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

error: Content is protected !!
%d bloggers like this: