পার্বত্য চট্টগ্রামে কিছু এনজিও আদিবাসী বিতর্কে গিয়ে বিভাজন সৃষ্টি করছে-বল অভিযোগ তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি- এনসিপির যুগ্ম আাহবায়ক সারোয়ার তুষার।
তিনি বলেন -পার্বত্য চট্টগ্রামে কিছু এনজিও আদিবাসী বিতর্কে গিয়ে বিভাজন সৃষ্টি করছে। আমরা কাউকে ছোট বা বড় করে দেখতে চাই না। সকলে যার যার আত্নমর্যদা ও অধিকার নিয়ে বাঁচবে।
আজ (বুধবার, ২৬ আগষ্ট) সন্ধ্যায় রাঙামাটি শহরের একটি রেস্তোরাঁয় এনসিপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত সাংগঠনিক সমন্বয় সভায় তিনি এ কথা বলেন। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন এনসিপির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম।
সারোয়ার তুষার বলেন- ‘৭২ সাল থেকে এদেশে ফ্যাসিবাদি কাজ চলে আসছে। সবাইকে বাঙ্গালী হয়ে যাবে এটাকে এনসিপি সমর্থন করে না। এখানে জাতিসত্তা ও কালচার ধরে রাখতে হবে। আমরা সবাই বাংলাদেশী। আমরা কাউকে তার নিজ আত্নপরিচয় থেকে বাদ দিতে চাই না। বাংলাদেশী বানানোর নামে কারো জাতিস্বত্ত্বার ইতিহাস আমরা ভুলে যেতে পারি না। বাংলাদেশ বহু জাতি, ধর্ম ও বর্নের দেশ। স্ব স্ব জাতির স্বীকৃতি নিশ্চিত করতে হবে’।
সারোয়ার তুষার আরো বলেন- বিএনপি সরকার পাবত্য চট্টগ্রামের জনগণের সাথে প্রতারণা করেছে। পার্বত্য এলাকায় বিভাজন তৈরী করতে এখানের এমপিকে অসুস্থ্যতার অজুহাতে সরিয়ে দিয়ে বাহির থেকে এমপি এনে পার্বত্য মন্ত্রনালয়ের দায়িত্ব দেয়া হযেছে। এবার যাকে আবার মন্ত্রী বানানো হয়েছে উনাকেও নিজের মতো করে ব্যবহার করবে।
তিনি পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালকে প্রভাবশালী উল্লেখ করে বলেন- উনি এ মন্ত্রনালয়ের দায়িত্বে থাকলে কেউ কাজ করে শান্তি পাবে না। এনসিপি ক্ষমতায় গেলে পার্বত্য মন্ত্রনালয়ে তিনজন মন্ত্রী প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রী দেয়া হবে বলে জানান।
এনসিপি রাঙামাটি জেলা কমিটির সদস্য সচিব মোঃ শোয়েবের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন এনসিপির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম সুজাউদ্দিন সুজা, রাঙামাটি জেলার যুগ্ন আহবায়ক জাকির হোসেন চৌধুরী, প্রিয় চাকমা, শহিদুল ইসলাম, জুড়াছড়ি উপজেলার আহবায়ক মিশন চাকমা, লংগদু উপজেলার সদস্য সচিব এরিক চাকমা, শ্রমিক শক্তির সংগঠক আমির উদ্দিন, সাংবাদিক মোহাম্মদ সোলায়মান ও সংগঠক মোঃ শাহজাহান।


















